home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

খাবার অপচয় রোধের কয়েকটি পদ্ধতি পর্ব-১
১৪ অগাস্ট, ১৩
View in English

প্রতিদিন আপনার রান্না ঘরের ময়লার ঝুড়িতে কি পরিমান খাবার ফেলে দিচ্ছেন? কখনো খেয়াল করে দেখেছেন কি? হিসেব কষেছেন কি? হ্যাঁ, এরকম একটি হিসাবে দেখা গেছে যে, আমরা প্রতিদিন যত খাবার কিনি বা তৈরী করি তার প্রায় ১৪% খাবারই অপচয় হয়। শুধু তা-ই নয় পচে যাওয়া খাবার থেকে যে পরিমান গ্রীন হাউস গ্যাস (মিথেন) নির্গত হয়, তা কার্বন ডাই অক্সাইডের চেয়ে প্রায় ২৫ গুন বেশি ক্ষতিকারক।

তবে আশার কথা হচ্ছে আপনি একটু সচেতন হলেই এধরনের খাবার অপচয় রোধ করতে পারেন। তার জন্য দরকার পরিমিত কেনাকাটা আর যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু গ্রহণ।

ময়লার ঝুড়ির প্রতি লক্ষ্য রাখুন

আপনি যদি সত্যি সত্যি খাবার অপচয়ের ব্যাপারে সিরিয়াস হন, তাহলে পুরো সপ্তাহ জুড়ে প্রতিদিন আপনার ময়লার ঝুড়ির প্রতি লক্ষ্য রাখুন। দেখুন কী কী আইটেম, কী পরিমান নষ্ট হচ্ছে। প্রয়োজনে নোটবুকে টুকে রাখুন।

এরপর অভ্যাস বদলের পালা। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কেনা বাদ দিন। বেশি বা উদবৃত্ত থেকে গেলে সেগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষন করুন ফ্রিজে কিংবা এয়ারটাইট কোন কনটেইনারে। ঘরে বসে খাবার তৈরী করার সময় খেয়াল রাখুন কতজনের জন্য কতটুকু প্রয়োজন হতে পারে।

ফ্রিজে আইটেম অনুযায়ী খাবার সাজিয়ে রাখুন

ফ্রিজে যখন খাবার রাখবেন, তখন আইটেম অনুযায়ী সাজিয়ে রাখুন। এতে কোন খাবার চোখের আড়ালে থাকবে না। খাওয়ার অযোগ্য হওয়ার আগেই সেটার সদব্যবহার করতে পারবেন। প্রতি সপ্তাহে ফ্রিজ পরিস্কার করার সময় কোন খাবারের অবশিষ্টাংশ বা অব্যবহৃত অংশ আলাদা করে রাখুন। নতুন করে কোন স্বচ্ছ কনটেইনারে রেখে পরিস্কারের পর ফ্রিজের সামনের দিকে রাখুন। যাতে সহজেই আপনার নজরে পড়ে।

প্লেটে একবারে বেশি না নিয়ে অল্প করে নিন

বাড়িতে খাওয়ার টেবিলে প্লেটে খাবার তুলে নেয়ার সময় ভাবুন যে আপনি সবটা শেষ করতে পারবেন কি না। প্রয়োজনে বার বার তুলে নিন। এতে করে যেমন আপনার খাবার নষ্ট হবার সম্ভাবনা কমে যাবে তেমনি একটু একটু করে হলেও বাঁচাতে পারবেন বাজার খরচের একটা অংশ।

খাবার তৈরীতে নমনীয় হউন

সবজী রান্না করবেন? স্যুপ বা শরবত বানাবেন? কিন্তু সবজীর কিছু অংশ তো পচে গেছে। কলাটা একটু বেশি পেকে গেছে। গাঁজরটা কেমন শুকিয়ে গেছে। পনিরের কোনায় একটু পচন ধরেছে। একটু নমনীয় হউন। পচা বা শুকিয়ে যাওয়া অংশটুকু ফেলে বাকীটুকু কাজে লাগান।

ফ্রিজের সেটিংস চেক করুন

বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেশিরভাগ পরিবারেই ফ্রিজের তাপমাত্রা একটু বেশি সেট করা থাকে। ফলে খাবার নষ্ট হয় তাড়াতাড়ি। তারা বলেন ফ্রিজের তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি ফারানহাইট বা ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখলে খাবার অনেকদিন পর্যন্ত টাটকা থাকে।

অবশিষ্টাংশ ফ্রিজারে রাখুন

ক্রয়কৃত খাবার, সবজী, ফল কিংবা তৈরীকৃত খাবার ব্যবহার বা গ্রহনের পর  উদবৃত্ত অংশ ফ্রিজারে রাখুন। সস বা পেস্ট জাতীয় হলে ডীপ অংশে রাখুন আর বাকীগুলো নরমাল অংশে রাখুন। ফ্রিজের মত ফ্রিজারের তাপমাত্রার সেটিংসটাও দেখে নিন। খেয়াল রাখুন জিরোতে আছে কি না।

 

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: বেশি বয়সেও কাজ করা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল
Previous Health Tips: Hypnosis, Meditation, and Relaxation for Pain Treatment Part-3

আরও স্বাস্থ্য টিপ

ঈদে বলুন দই কই?

উৎসবের মেন্যুতে দই এক অনন্য খাবার। তাই খাবার তৈরিতে এবং খাবার শেষে দই নানা কারণে উপকারী। সম্প্রতি আলোচিত প্রোবায়োটিঙ্রে মধ্যে দই অন্যতম। প্রোবায়োটিঙ্হচ্ছে এক ধরনের জীবিত জীবাণু, যা পরিমিত মাত্রায়শরীরের অনেক উপকার করে। দইয়ের মধ্যে থাকে সেরকম একটি প্রোবায়োটিঙ্। যার নাম ল্যাকটিক এসিড... আরও দেখুন

How To Weight Loss After Pregnancy

There is one upsetting fact that keeps bothering new moms: that they won't be able to achieve weight loss goals to shed off those pounds they have gained during pregnancy. It is important to mention here that gaining weight throughout pregnancy is not a thing that can be controlled, that's a... আরও দেখুন

পার্টি পরিকল্পনায় করণীয়

বছরের প্রায়শই বাড়িতে একটা না একটা পার্টি থাকেই। বাচ্চার জন্মদিন থেকে শুরু করে নিজের পদন্নোতি সবকিছুতেই ছোটখাট পার্টির আয়োজন করা হয়ে থাকে বাড়িতে। তবে এসব ক্ষেত্রে বাড়ির লোকেরা একটু হয়ত বিরক্ত হন। কারণ হিসেবে থাকে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। এক্ষেত্রে সহজ পরিকল্পনা কমিয়ে আনতে পারে অহেতুক কাজের... আরও দেখুন

মাংস পেশিতে ব্যাথা?

প্রশ্ন : মাংসপেশিতে ব্যথার কারণগুলো কি কি? উত্তর : মাংসপেশির ব্যথা কোনো রোগ নয়। মাংসপেশির ব্যথা অন্যান্য রোগের একটি প্রধান উপসর্গ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাজ করলে বা স্ট্রেচ পড়লে ব্যথা হয়ে থাকে। তা ছাড়া আঘাত পেলে, ইনফেকশন হলে, কিছু রোগে যেমন- ফাইব্রোমায়ালজিয়া, মায়োপেথি, পুষ্টির অভাব বা... আরও দেখুন

ডায়াবেটিসে ত্বকের যত সমস্যা

ডায়াবেটিস জনিত জটিলতায় শরীরের যেকোনো অঙ্গ প্রত্যঙ্গ আক্রান্ত হতেপারে, ত্বকও এর ব্যতিক্রম নয়। ডায়াবেটিস থাকলে ত্বকের সুস্থতা রক্ষায়বাড়তি সতর্কতা দরকার। ত্বকের সমস্যা ১. চোখের পাতার প্রদাহ-ফোড়া, দেহের যেকোনো জায়গায় ফোড়া-ফুসকুড়ি, ত্বক ওত্বকের নিচে প্রদাহ, নখের গোড়ায়... আরও দেখুন

শিশুর কানপাকা নিয়ে ভাবছেন?

শিশুদের কান থেকে পুঁজ বা পানি পড়াকে প্রচলিত কথায় বলা হয় কানপাকা।কান থেকে পুঁজ পড়ার প্রধান কারণ হলো মধ্যকর্ণের প্রদাহ। কানের পর্দা যারঅন্য নাম টিমপানিক মেমব্রেন, তার পেছনে পুঁজ জড়ো হয়। এরপর তা চোখের জলনামার মতো ফেটে বেরিয়ে আসে। এতে তীব্র ব্যথা হয়। অস্থায়ী বধিরতাও সৃষ্টিহতে পারে।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')