ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস জানায়, সুচিত্রা সেনের চিকিৎসায় নিয়োজিত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদলের অন্যতম সদস্য সুবীর ম-ল শুক্রবার জানান, সুচিত্রার শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে। বর্তমানে তিনি অক্সিজেনের জন্য পুরোপুরি ভেন্টিলেশনের উপর নির্ভর করছেন।
সংবাদামাধ্যমটিকে সুবীর ম-ল জানান, “যতদিন না তিনি ভেন্টিলেশন ছাড়া অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারছেন, ততদিন তার অবস্থা সংকটাপন্ন। তার জীবন এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।”
কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা ২৩ ডিসেম্বর থেকে সুচিত্রা সেনের চিকিৎসায় নিয়োজিত রয়েছেন।
শুক্রবার ডাক্তারদের একটি রিপোর্টে জানানো হয়, তিনি অক্সিজেনের জন্য এখনও পুরোপুরি ভেন্টিলেশনের উপর নির্ভর করছেন। তবে তার হৃদস্পন্দন এখনও স্বাভাবিক রয়েছে।
সুচিত্রার অবস্থা অবনতির বিষয়ে জানতে পেরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি তাকে দেখতে দ্বিতীয়বারের মতো হাসপাতালে যান।
১৯৭৮ সালে সিনেমা জগত থেকে অবসর নেওয়ার পর মিডিয়া এবং ভক্তদের থেকে আড়ালেই ছিলেন সুচিত্রা। গত বছর ডিসেম্বরে ৮২ বছর বয়সী ওই অভিনেত্রীর ফুসফুসে পানি জমে গেলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ২৩ ডিসেম্বর থেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তবে ২৮ ডিসেম্বর তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটে।
ওই সময় তাকে সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। এরপর তার শরীরে অক্সিজেনের পরিমাণ আরও কমে গেলে ৩ জানুয়ারি ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে তার শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ করা হয়। এখনও তিনি ভেন্টিলেশনের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।
‘সাত পাকে বাঁধা’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ১৯৬৩ সালে মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন সুচিত্রা। তার আলোচিত সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘হারানো সুর’, ‘সাগরিকা’, ‘দীপ জ্বেলে যাই’, ‘উত্তর ফাল্গুনী’, ‘মমতা’, ‘দেবদাস’ ইত্যাদি।
সূত্র - bdnews24.com

