home top banner

Health Tip

অ্যালার্জিজনিত চোখের প্রদাহ
12 October,13
Tagged In:  eye care  
  Viewed#:   241

বিভিন্ন কারণে চোখে ব্যথা বা প্রদাহ হতে পারে। এর মধ্যে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস অন্যতম। এর বিশেষ কিছু উপসর্গ_ দুই চোখই লাল হবে, দুই চোখে চুলকানি এবং জ্বালাপোড়া থাকবে। চোখ থেকে যে নিঃসরণ হবে। তা জলীয় থাকবে, কনজাংটিভা খুব ফুলে যাবে, দেখতে হবে কালচে বাদামি। অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় চোখের পাতাও ফুলে যেতে পারে, ঝুলে পড়তে পারে। উপসর্গ দেখা দিতে পারে বছরব্যাপী এবং মৌসুমী।

বছরব্যাপী : ধুলোর জীবাণু, পশুপাখির মরা চামড়া, ছত্রাক এবং খাদ্য অ্যালার্জির কারণে বছরজুড়ে রোগী চোখের অ্যালার্জিতে ভুগতে পারে।

মৌসুমী : বায়ুবাহিত অ্যালার্জেন যেমন- ঘাস, আগাছা এবং বৃক্ষের পুষ্পরেণুর কারণে যে অ্যালার্জি হয়, তা মৌসুমী। পরাগায়ণের সময় বেশি হয়।

চিকিৎসা : চিকিৎসা নির্ভর করে অ্যালার্জির কারণ এবং উপসর্গের তীব্রতার ওপর। যদি সম্ভব হয়, অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসের কারণ নির্ণয় এবং দূর করতে পারলে খুব ভালো হয়। যেমন ঘরের ধুলোর জীবাণু দূর করার জন্য ঘরের কার্পেট সরিয়ে ফেলা, বালিশ এবং মাদুর ঢেকে রাখা, ৫৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় বিছানার চাদর ধুয়ে পরিষ্কার করা।

সাধারণত অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসের উপসর্গ মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের হয়ে থাকে। ঠাণ্ডা পানিতে চোখ ধোয়া, চোখে বরফ চেপে রাখা বা ঠাণ্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে রেখে চোখ ঢেকে রাখাই এসব উপসর্গ দূর করার জন্য যথেষ্ট। তবে কোনো কোনো সময় উপসর্গ তীব্র হতে পারে। তখন উপযুক্ত চিকিৎসা প্রয়োজন।

সমন্বিতভাবে চিকিৎসা : অ্যালারজেন পরিহার- যখন অ্যালার্জির সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায়, তখন তা পরিহার করলেও কনজাংটিভাইটিস নিয়ন্ত্রণ হতে পারে।

ওষুধ প্রয়োগ : ওষুধ প্রয়োগ করে সাময়িকভাবে অ্যালার্জির উপশম অনেকটা পাওয়া যায়। এ রোগের প্রধান ওষুধ হলো এন্টিহিস্টামিন, ভেসোকনস্ট্রিকটর ও মাস্ট সেল স্টাবিলাইজার চোখের ড্রপ। এন্টিহিস্টামিন, ভেসোকনস্ট্রিকটর ও মাস্ট সেল স্টাবিলাইজার চোখের ড্রপ ব্যবহারে রোগের লক্ষণ উপশম হয়। যেহেতু ওষুধের পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া হয়, তাই এ ওষুধ এক নাগাড়ে বেশি দিন ব্যবহার করা যায় না।

ইমুনোথেরাপি : অ্যালার্জি দ্রব্যাদি থেকে এড়িয়ে চলা ও ওষুধের পাশাপাশি ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস থেকে সুস্থ থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। অ্যালার্জি ভ্যাকসিনের মূল উদ্দেশ্য হলো, যে অ্যালারজেন দ্বারা অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিসের সমস্যা হচ্ছে, সেই অ্যালারজেন স্বল্পমাত্রায় প্রয়োগ করা হয়। অধিকাংশ দেশ বিশেষত উন্নত দেশগুলোতেও এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়।


সুত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: জেনে রাখা ভালো
Previous Health Tips: উচ্চ রক্তচাপ: কারণ ও প্রতিকার

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')