
ল্যাসিক করানোর আগে জানতে হবে ল্যাসিক মানে টা কি? ল্যাসিকে কাছে দেখার সমস্যা কিংবা দূরে সেখার সমস্যাকে লেজার রশ্মির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে দূর করা হয়। এখনো দ্বিধাদন্দে ভুগছেন? ল্যাসিক করানো কি ঠিক হবে? আপনার সংশয় দূর করতে এখনি নিম্নের কারণগুলি জেনে নিন-
১) রেহাই পাবেন চশমা এবং লেন্স থেকে - ল্যাসিক করালে আর চশমাটিকে যত্ন করতে হবে না, মাসে মাসে কিনতে হবে না নতুন নতুন পাওয়ার লেন্স।
২) উন্নতি আসবে ক্যারিয়ারে - কম দেখার কারণে অনেক সময়ই অফিসে কিংবা মিটিং-এ পড়তে হয় নানা সঙ্কটে। ল্যাসিক করালে আপনি সব কাজকে আরও সহজভাবে গ্রহণ করতে পারবেন এবং ক্যারিয়ারে আনতে পারবেন সাফল্য।
৩) ফিরে পাবেন আত্মবিশ্বাস - বাইরে যেতে, পড়তে বসতে কিংবা টিভি দেখতে বসলে আর বলতে হবে না -" আমার চশমাটা যেন কই ?" আপনার সুস্থ দৃষ্টিই আপনাকে প্রতি মুহূর্তে দেবে নতুন আত্মবিশ্বাস।
৪) বাঁধ ভাঙ্গা জীবনের আনন্দ - চশমা আর লেন্স পরে যাই করা যাক কিছু কাজ আছে যা কখনোই চশমা বা লেন্স পরে করা সম্ভব নয়। ল্যাসিক করে মনের আনন্দে উপভোগ করুন সুইমিং, সার্ফিং, ডাইভিং কিংবা সাইক্লিং।
৫) জীবনের লক্ষ্যে পৌছাতে - ছোট বেলা থেকে হতে চাইতেন আর্মি অফিসার কিংবা পাইলট? যখন থেকে দেখার সমস্যা শুরু হল তখন থেকেই জীবনের লক্ষ্য পাল্টে ফেললেন- কারন চশমা পরে তো আর আর্মি অফিসার হওয়া যায় না? আপনার জন্য তাহলে এখনি সঠিক সময় ল্যাসিক করার। ল্যাসিক আইনগত ভাবে আর্মি, পুলিশ, এয়ার ফোরসে গ্রহণ করা হয়। তাই জীবনের লক্ষ্য না পাল্টে বরঞ্চ সমস্যাকেই স্থায়ীভাবে দূর করুন ল্যাসিক করে।
৬) আমি অপারেশন ভয় পাই ! - অনেকেই হয়ত বলবেন আর যাই হোক আমি অপারেশন করাব না। ল্যাসিককে মূলত সার্জারি বলা হলেও এটি করা হয় লেজার রশ্মির সাহায্যে। কোন ব্যথা এবং কাঁটা ছেঁড়া না করে এই সার্জারি করা হয়। সার্জারি করতে সময় লাগে মাত্র ২০ মিনিট। আর সার্জারির পর পরই সুস্থ দৃষ্টি নিয়ে বাসায় যেতে পারবেন, এক ঘণ্টা সময়ও হাসপাতালে থাকতে হবে না।
তাই এখন আপনিও বলবেন - কেন ল্যাসিক করাবো না?

