home top banner

Health Tip

কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য চোখের গুরুত্বপূর্ণ টিপস
11 February,14
Tagged In:  eye care  eye infection  
  Viewed#:   274

computer-useমানুষের চোখকে তার আত্মার প্রতিফলক হিসেবে বিবেচনা করা হয় যা বাইরের জগতের জন্য এক প্রকার জানালা হিসেবে কাজ করে। চোখ শুধুমাত্র যে সৌন্দর্যের প্রতীক তাই নয়, এটা একইসঙ্গে স্বাস্থগত বিষয়ও ইঙ্গিত করে। আমাদের চোখের স্বাস্থ্য কেমন সেটা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আমাদের জীবন যাপনের রীতিনীতির ব্যপক ভূমিকা রয়েছে। আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কম্পিউটার। আর অনেক মানুষ আছেন যাদেরেকে নিয়মিত কম্পিউটারে কাজ করতে হয় যাদের এটা থেকে বিরত থাকার কোন সুযোগ নেই। এজন্য চোখের সুস্থতা নিশ্চিত করতে চোখের যত্ন নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি লম্বা সময় ধরে একটানা কম্পিউটার ব্যবহার করার অভ্যাস থাকে তাহলে আপনার জন্য এ যত্ন নেয়া বাঞ্চনীয়।

সারা দিন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখে টান-টান অনুভূতি হওয়াটা সাধারণ একটা ব্যপার যেটা অস্বস্তিদায়ক। এটা অনেক কারণে হতে পারে যেমন, মনিটরের পর্দার খুব কাছাকাছি থেকে কাজ করা, মনিটরের উজ্জলতা, অস্পষ্ট অক্ষর, পর্দার সঙ্গে চোখের উচ্চতার অসামঞ্জস্য অথবা দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনের দিকে একভাবে চেয়ে থাকা। কম্পিউটার এখন বলতে গেলে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাজেই আমাদের নজর দেয়া উচিত কিভাবে আমরা চোখের যত্ন নিতে পারি। যেন কম্পিউটারে কাজ করার পর চোখের পেশীতে কোন প্রকার টান-টান বা অস্বস্তিকর অনুভূতি সৃষ্টি না হয়। 

বিরতি নিন: অপলক দৃষ্টিতে স্ক্রিনের দিকে চাকিয়ে থাকলে চোখের পানি শুকিয়ে যায়। চোখের অস্বস্তি অনুভূতি এড়াতে এই পরামর্শটা সবথেকে বেশি দেয়া হয়ে থাকে। 
তালুর পরশ: দু হাতের তালু একটি অপরটির সঙ্গে ঘর্ষণ করে গরম করে তুলুন। তারপর আপনার হাতের তালু চোখের উপর রাখুন কমপক্ষে ১ মিনিট। এটা আপনার ক্লান্ত চোখে আরামের আবেশ আনতে সহায়তা করবে। দুই তিন বার এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করুন যতক্ষণ না আরাম বোধ করেন। 
 
আইলেভেল সামঞ্জস্যতা: টেলিভিশন হোক আর কম্পিউটার হোক স্ক্রিনের সঙ্গে আই-লেভেল উচ্চতার সামঞ্জস্যতার বিষয়টি চোখের স্বাস্থের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটারে কাজের ক্ষেত্রে এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ন একটি টিপস। 
 
২০-২০-২০: এ অনুশীলনটি কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সময় চোখে আরামদায়ক অনুভূতি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। প্রতি ২০ মিনিট পর পর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিন এবং কমপক্ষে ২০ ফুট দূরের কোন বস্তুর উপর দৃষ্টিপাত করুন অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য। 
 
কনট্রাস্ট বজায় রাখা: কম্পিউটারে কাজ করার সময় হালকা রঙের ব্যাকগ্রাউন্ডের উপর গাড় রঙের অক্ষর বাছাই করুন।
 
তীব্র আলো পরিহার করুন: যথাযথ আলোর মধ্যে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। চোখে অস্বস্তিকর অনুভূতি এড়ানোর জন্য কম্পিউটারটি এমন স্থানে স্থাপন করুন যেখান থেকে টিউবলাইট অথবা জানার আলোর তীব্র প্রতিফলন ঘটে না। 
 
উজ্জলতা কমিয়ে কাজ করুন: কম্পিউটারের উজ্জলতা একটি সহনীয় মাত্রায় রেখে কাজ করা। উজ্জলতা বেশি হলে চোখের ওপর বেশি চাপ পড়ে এবং অস্বস্তিকর অনুভূতি অনুভূত হয়। 
 
বেছে নিন সবুজ: আমাদের চোখে শীথিল এবং আরামদায়ক অনুভূতির ক্ষেত্রে সবথেকে সেরা রং বিবেচনা করা হয় সবুজ রংকে। কাজের ফাকে জানালা দিয়ে বাইরের দিকে তাকাতে পারেন। আপনার কর্মস্থল যদি চার দেয়ালে ঘেরা হয় সেক্ষেত্রে স্ক্রিনে সবুজ রংয়ের ওয়ালপেপার নির্বাচন করতে পারেন। 
 
বারবার পলক ফেলুন: কম্পিউটারে কাজ করার সময় মাঝে মাঝে চোখের পলক ফেলা একটা ভালো উপায়। এতে করে চোখে আদ্রতার পরিমান স্বাভাবিক থাকে এবং শুস্কতা সৃষ্টি হয় না; যা কিনা অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি করে। কম্পিউটার গ্লাস ব্যবহার করুন: কম্পিউটারে যারা কাজ করে থাকেন তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে এ গ্লাস। এটা চোখে অতিরিক্ত উজ্জল আলো, প্রতিফলন পড়া থেকে রক্ষা করবে আর আপনার চোখকে রাখবে শীথিল।

সূত্র - দৈনিক মানবজমিন
 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: সৌন্দর্যও বাড়ায় ভিটামিন
Previous Health Tips: প্রশ্ন: গলায় কিছু আটকে গেলে তাৎক্ষণিক কী করা উচিত?

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')