home top banner

Health Tip

খাওয়া বুঝে ডায়েট
21 June,14
Tagged In:  diet plan  healthy diet  
  Viewed#:   128

diet

খবর পেয়েছেন? ডায়েটিং-এর তালিকায় নাম লিখিয়েছে এক নতুন ধরনের ডায়েট চার্ট 'পার্সোনালিটি ডায়েট'! এর মূল মন্ত্র শরীর নয়, মানুষের খাওয়ার ধরন দেখে ডায়েট তৈরি করা৷ যারা হেব্বি ব্যস্ত, জাঙ্ক ফুড খেয়ে খেয়ে ক্রমাগত মুটিয়ে যাচ্ছি, অথচ সময় বের করে ওয়র্কআউট করার বিন্দুমাত্র আগ্রহ বা ইচ্ছে নেই-তাদের জন্য এই বিশেষ ডায়েট চার্ট৷ এতে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট আর ফ্যাট পরিমিত পরিমাণে থাকায় শরীর সুগঠিত করে৷ এবং সঙ্গে নিয়মিত ওয়র্কআউট করতে পারলে কোনওরকম সাইড এফেক্ট ছাড়াই ছিপছিপে থাকবেন দীর্ঘদিন৷


রকমারি খাইয়ে
এক দল আছেন, যারা সুস্বাস্থ্যের প্রযোজনীয়তা নিয়ে হাজারো বু্লি কপচান৷ অথচ খাবারে বাছ-বিচার নেই৷ সারাদিনে কতবার যে এদের মুখ চলে তার হিসেব নেই৷ এদের অভ্যাস কাজ করতে করতে খাওয়ার৷ তাই খাওয়া ও খাবার দুটোর একটা দিকেও নজর দেওয়ার সময় পান না৷ এদের ওজন বাড়বে না তো কাদের বাড়বে?

আরেক দল বেশি রাতের খাইয়ে৷ সারাদিন ধরে যত না খান রাজ্যের খাওয়া শুরু হয় ডিনার টেবলে বা তারও পরে৷ হয়তো দেখবেন মাঝরাতে ফ্রিজ খুলে এরা কিছু না কিছু খাচ্ছেন৷ আবার ব্রেকফাস্টও করেন তাড়াতাড়ি৷ ফলে দুটো খাবার হজম হওয়ার সময় মেলে না৷

অনেকেই রান্নার ঝামেলায় জড়াতে চান না৷ তা বলে নিয়ম মেনে তিন থেকে চারবার মিল নিতে ভোলেন না৷ এরা নির্ভর করেন বাইরের খাবারের উপর৷ ফাস্টফুড, রেস্টুরেন্টের খাবার দিয়েই দিন চলে৷ আর চড়চড়িয়ে মেদ বাড়ে৷

কিছুজন নিয়মিত মিল নেন৷ কিন্ত্ত খাদ্যতালিকা থেকে সবার আগে বাদ দেন ফল আর সবজিকে৷ বেশি করে খান মাংস আর কার্বোহাইড্রেট৷ এরাও ওবেসিটির দল ভারি করেন৷

কিছু মানুষ খিদে না পেলেও মুখ চালাতে ভালোবাসেন৷ খাওয়ার নেশায় ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারের পরেও খেয়েই যান৷ ক্যালোরি বার্ন বা হজমের তোয়াক্কা না করেই৷

অনেকে পরিমাণ মতো খেলেও খেতে ভীষণ সময় নেন৷ যখনই খেতে বসবেন, দীর্ঘক্ষণ ধরে খাবেন৷ ফলে খাওয়ার মাঝের গ্যাপ প্রায় থাকে না বললেই চলে৷ তাহলে ক্যালোরি বার্ন হবে কী করে? সে কথা মাথাতেই নেই!

শেষে রয়েছেন তারা, যারা যেটা বারণ সেটা খান না৷ কিন্ত্ত যেটা বলা হয় সেটা বেশি করে খেয়ে ফেলেন৷ এতেও তো ওজন বাড়ে!

এদের জন্য পার্সোনালিটি ডায়েটের ধরন
অনেকটা এই রকম হবে- দিন শুরু হতে পারে দু'পিস ব্রাউন ব্রেড বা আটার রুটি দিয়ে৷ সঙ্গে অল্প সবজি, একটি ফল আর আট আউন্স জল৷ দুপুরে আপনার পছন্দসই খাবার৷ একটা বড়ো-সড়ো গ্রিলড করা চিকেন স্যান্ডুইচ৷ গলা ভেজাতে অল্প পরিমাণে ডায়েট সোডা৷ সঙ্গে অবশ্যই একটি ফল আর ১৬ আউন্স জল৷ রাতে যেকোনও একপিস মাছের পাতলা ঝোল বা স্যুপ, গোলমরিচ, নুন, সামান্য মাখন দিয়ে সাঁতলানো একবাটি সবজি সিদ্ধ আর ১৬ আউন্স জল৷ স্ন্যাকস হিসেবে চলতে পারে স্ট্রবেরি, ছোটো গাজর, রাই ক্র্যাকার, স্যালারির স্যুপ, বেল পেপারের টুকরো৷

কতটা কাজের
একটা ডায়েটে কাজ না হলে আমরা আরেক ধরনের ডায়েট ট্রাই করি৷ এতে শরীরের উপর প্রভাব পরে৷ কারণ, আগেও বলা হয়েছে, প্রত্যেকের স্বাস্থ্য, হজম করার ক্ষমতা, উচ্চতা, বয়স, ওজন দেখে ডায়েট তৈরি করা হয়৷ তাই সব ডায়েট সবার জন্য নয়৷ আবার অনেক ডায়েটে প্রোটিনের মাত্রা বেশি থাকে৷ কোনোটায় কার্বেহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি৷ কিন্ত্ত পার্সোনালিটি টাইপ ডায়েটে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট আর ফ্যাট পরিমিত পরিমাণে থাকায় শরীর সুগঠিত করে৷ উপরন্ত্ত এটি লো ক্যালোরি এবং লো ফ্যাট যুক্ত৷ তাই সবার পক্ষেই এটা ব্যালেন্স ডায়েট৷ লেখা পড়ে যারা এই চার্ট মানতে আগ্রহী হবেন তাদের জানাই, এটি ইতিমধ্যেই শিকাগোর 'নর্থওয়েস্টার্ন মেমোরিয়াল হসপিটাল'-এর রোগীদের উপর প্রয়োগ করে দেখা হয়েছে৷ এবং ভালো ফল পাওয়া গিয়েছে৷

উপকারিতা
এই ডায়েট দীর্ঘদিন ধরে মেনে চলা যেতে পারে৷ লো ক্যালোরি, লো ফ্যাট ও সব ধরনের খাদ্যের উপাদান এতে থাকায় ডায়েটের কোনো সাইড এফেক্ট নেই৷ ডায়েটটি ওজন কমিয়ে দেওয়ায় ডায়াবেটিস, হূদরোগ ছাড়াও অন্যান্য রোগ ও ডিজ-অর্ডার আপনার থেকে দূরে থাকবে৷ এর সঙ্গে ওয়ার্কআউট করতে পারলে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকবে৷

মনে রাখবেন
ডায়েট চার্ট মানার আগে ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া উচিত৷ গর্ভবতী মা বা যারা ব্রেস্টফিড করাচ্ছেন তারা এই ডায়েট কতটা মানবেন নির্ভর করছে চিকিত্সকের পরামর্শের উপর৷ পার্সোনালিটি টাইপ ডায়েটে মোটামুটি সব ধরনের খাবার থাকলেও যারা ভিটামিন বা মিনারেলসের অভাবে ভুগছেন তাদের কিছু অসুবিধা হতে পারে৷ তারা ডায়েট মানার পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিনস বা সাপ্লিমেন্টস নিতে পারেন৷ 

সূত্র - ওয়েবসাইট

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: আলো জ্বেলে ঘুমালে ওজন বাড়ে
Previous Health Tips: ওজন কমাতে মাশরুম

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')