home top banner

Health Tip

গরমে ফিট থাকতে লিক্যুইড ডায়েট
03 April,14
Tagged In:  summer diet  diet plan  
  Viewed#:   235

liquid dietগরমে ফিট থাকতে আপন করে নিন লিক্যুইড ডায়েট৷ শরীর ঠাণ্ডা থাকবে৷ যা-তা খেয়ে শরীর খারাপের ভয়ও নেই৷

 
কেন লিক্যুইড ডায়েট
সবে চৈত্র৷ এর মধ্যেই গরমে প্রাণ আইঢাঁই করছে৷ সলিড খাবার দাঁতে কাটতে ইচ্ছে করছেই না বলতে গেলে৷ আসলে আমাদের রাজ্যের গরমটা শুকনো নয়৷ বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি৷ তাই ঘামও হয় বেশি৷ সে আপনি ঘরেই থাকুন বা বা রোদের নীচে৷ এক্সারসাইজ করলে, রাস্তায় দৌড়-ঝাঁপ করলে তো বটেই হোমমেকাররাও ঘেমে নেয়ে স্নান করে যাচ্ছেন আগুনের আঁচে৷ পানির ঘাটতি হওয়ার দ্বিতীয় কারণ কর্পোরেট সেক্টরে কাজ৷ দিনের প্রায় অধিকাংশ সময় টার্গেট ফুলফিল করতে গিয়ে পানি খাওয়ার পরিমাণটাই অস্বাভাবিক ভাবে কমে যায়৷ তৃতীয়ত সমস্ত অফিসেই এসি-র ব্যবস্থা রয়েছে৷ দীর্ঘক্ষণ এসির নীচে থাকলেও কিন্ত্ত ডিহাইজ্রেশন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷ সবশেষে জাঙ্ক ফুড অ্যাডিক্টেডরা গরমেও হালকা খবার খেতে পারেন না৷ এবং প্রায়ই ডায়রিয়া জাতীয় রোগে ভোগেন৷ এর থেকেও কিন্ত্ত পানির অভাব ঘটতে পারে৷

শুধু কি পানির ঘাটতি? খনিজ পদার্থের পরিমাণেও ঘাটতি দেখা দেয় এই সময়৷ ক্যালোরিও বার্ন হয় তাড়াতাড়ি৷ এছাড়া এই সময় হজম ক্ষমতাও অন্যান্য ঋতুর তুলনায় একটু কম থাকে৷ ফলে শীতে যেমন চুটিয়ে মশলাদার বা জাঙ্ক ফুড খেয়েও আপনি সুস্থ থাকেন গরমে তেমনটা হওয়ার জো নেই৷ এদিকে পানির অভাব পূরণ করতে না পারলে কাহিল হয়ে পড়াটা আশ্চয্যির কিচ্ছু না৷ একই সঙ্গে ত্বক, চুল হয়ে উঠবে বিবর্ণ৷ শরীরে জমা দূষিত পদার্থ ইউরিন বা ঘামের মধ্যে দিয়ে বের হতে না পেরে নানা সমস্যার সৃষ্টি করবে৷ তাই গরমকে বাই বাই জানিয়ে কুল থাকার একমাত্র দাওয়াই ঘুরে ফিরে তরল জাতীয় খাবার খাওয়া৷ এক্ষেত্রে শুধু পানি নয় এই সময়ের ডায়েটে সলিডের পরিমাণ একটু কমিয়ে লিক্যুইড খাবার রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ৷

কী খেতে পারেন liquid diet
লিক্যুইড ডায়েটে কী কী থাকবে? ফ্রুট জ্যুস, ভেজিটেবল স্যুপ, সাইট্রিক ওয়াটার, লিক্যুইড বেভারেজ, ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন, ডাবের পানি ইত্যাদি৷ এতে মিনারেল বা খনিজ পদার্থ শরীরে প্রবেশ করলেও প্রোটিন, ফ্যাট, ক্যালোরির অভাব মিটবে কীভাবে? সবজি সিদ্ধ করে খান৷ সঙ্গে থাক কফি, গ্রিন টি, দুধ, লস্যি, টকদই, নুন, চিনির পানি, নিউট্রিশিয়ান সাপ্লিমেন্ট ড্রিঙ্ক, জিলেটিন, ভেজিটেবল পিউরি মেশানো স্যুপ৷

ভালো-মন্দ
যত তাপ বাড়বে ততই সলিড ফুড কমিয়ে ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ লিক্যুইড ফুডের ওপর ভরসা করা শ্রেয়৷ যারা একেবারেই তাপ সহ্য করতে পারেন না তাদের পক্ষে এই ডায়েট আদর্শ৷

লিক্যুইড ডায়েটে পানি, জ্যুস, স্যুপ, মাঠা মিলিয়ে কম করে তিন লিটার তরল পদার্থ থাকবে৷

লিক্যুইড ফুড মানেই লিভারের বিশ্রাম৷ এতে কোলনও পরিষ্কার হয়ে যায়৷

দিনে প্রচুর লিক্যুইড ইনটেক করলে আপনা থেকেই দূষিত পদার্থ বেরিয়ে গিয়ে শরীর হয়ে ওঠে ঝরঝরে৷

প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং বিশেষ করে ফ্যাট কম খাওয়ার ফলে ওবেসিটি কমে যায়৷ যারা অতিরিক্ত মেদের সমস্যায় ভুগছেন তারা ওজন কমাতে এই ডায়েটের সাহায্য নিতে পারেন৷

লিক্যুইড ডায়েট গরমেও অ্যালকালাইন পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে৷ ফলে শরীর কখনোই পানির ঘাটতি দেখা দেয় না৷ ত্বক থাকে নরম এবং উজ্জ্বল৷ অতিরিক্ত তেলা ভাব কমে যায়৷

তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ, ফুসকুড়ির সমস্যা কমে৷ আর আপনি থাকেন এনার্জিতে ভরপুর৷

এত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও লিক্যুইড ডায়েট সপ্তাহে এক-দু'দিনের বেশি না খাওয়াটাই উচিত৷ কারণ কোনও কিছুই তো অতিরিক্ত ভালো নয়৷ এই ডায়েটেরও সাইড এফেক্ট রয়েছে৷ শুধুই লিক্যুইড ডায়েট শরীরকে দুর্বল করে দিতে পারে৷ তাই লিক্যুইড ডায়েট নেয়ার আগে অভিজ্ঞ চিকিৎসক বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ অবশ্যই নেবেন৷

সূত্র - natunbarta.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: দিনে মাত্র ১৫/২০ মিনিট ব্যয় করলেই কমবে ওজন!
Previous Health Tips: শিশুটি কি অটিজমের আশংকা মুক্ত?

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')