সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ফেসবুকের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সঙ্গে মানসিক অসন্তুষ্টির সম্পর্ক আছে। এ ছাড়াও তরুণদের সিগারেট পান, অ্যালকোহল ও মাদকের সঙ্গে অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারের সম্পর্ক রয়েছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হাফিংটন পোস্ট।
লস অ্যাঞ্জেলসের চাইল্ড সাইকোলজিস্ট ড. ক্যারি ল্যাগার বলেন, ‘আধুনিক যুগে সোশ্যাল মিডিয়া তরুণ প্রজন্মের কাছে অন্যদের সঙ্গে বিশেষ করে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করা ও তা রক্ষা করার একটি বড় মাধ্যমে পরিণত হয়েছে।’
ড. ল্যাগার আরও বলেন, ‘অতিরিক্ত মাত্রায় ইন্টারনেটে সময় ব্যয় বড় ধরনের নেতিবাচক সমস্যা তৈরি করতে পারে।’
তিনি সিএএসএ কলাম্বিয়া প্রকাশিত একটি জরিপের ফলের কথা উল্লেখ করেন। যেখানে উঠে এসেছে, তরুণদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মাদকের সম্পর্কের বিষয়টি।
ওই জরিপে দেখা গেছে, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৭০ ভাগ তরুণ সোশ্যাল মিডিয়ায় দিন ব্যয় করে। নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী সেসব তরুণ অন্যদের তুলনায় পাঁচগুণ বেশি সিগারেট ব্যবহার করে, তিনগুণ অ্যালকোহল পান ও দ্বিগুণ মারিজুয়ানা গ্রহণ করে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সংখ্যা এখনও খুব কম এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের এ পথ থেকে ফেরানো সম্ভব।
এর আগে ২০১৩ সালের আগস্টে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা রিপোর্টে দেখা যায়, ফেসবুকের মতো সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ও ভালো থাকার মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। এতে ব্যবহারকারীদের ফেসবুক ব্যবহারের সঙ্গে তাদের মানসিক সন্তুষ্টি মিলিয়ে দেখা হয়। এতে দেখা যায়, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা মানসিকভাবে সন্তুষ্ট থাকেন না। বিশেষ করে এ মাত্রা নির্ভর করে তিনি কতটা সময় ফেসবুক ব্যবহার করছেন তার ওপর। ব্যবহারকারীরা যত বেশি সময় ফেসবুক ব্যবহার করেন, মানসিক সন্তুষ্টির পরিমাণ তত কমে যায়। -
সূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ

