home top banner

Health Tip

হার্ট অ্যাটাকের সংকেত
15 September,13
Tagged In:  heart attack  sign of heart attack  
  Viewed#:   312

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, রক্ত বা রক্তরস নিয়ে কিছু পরীক্ষা করলে জানা যায় একজন লোকের হার্ট অ্যাটাক

হওয়ার আশংকা আছে কিনা। যেমন- রক্তে এপো-লাইপোপ্রোটিন-বি (এপো-বি) কতটুকু আছে, তা জেনে বলে দেয়া

যায়, রক্তে কতটুকু মন্দ চর্বি এলডিএল আছে। এ মন্দ চর্বি বেশি থাকা মানেই হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশংকা

আছে। তেমনি রক্তে এপো-লাইপোপ্রোটিন১-ই ৪ (এপো-ই ৪)-এর পরিমাণ জেনে খাদ্যের ধরন পরিবর্তন করতে

হবে। অন্য সূচকগুলো স্বাভাবিক থাকলেও লাইপোপ্রোটিন-এ (এলপি-এ) প্রোটিনের বৃদ্ধি বিপজ্জনক। এই

প্রোটিন এক ভাগ বৃদ্ধি পেলেই হার্ট অ্যাটাকের আশংকা অনেক বেড়ে যায়। এছাড়া ‘নন এলডিএল’ রক্তে বৃদ্ধি

নিয়ে গবেষণা চলছে।

আজকাল অনেকেই ‘হোমোসিস্টিন’-এর কথা জানেন। এটি প্রাকৃতিক অ্যামাইনো এসিড। এ এসিড শরীরে তৈরি হয়ে

আবার বের হয়েও যায়। কোনো কারণে অ্যামাইনো এসিডের মাত্রা রক্তে বেড়ে গেলে হার্ট অ্যাটাকের আশংকা

অনেক বেড়ে যায়। উচ্চ ঘনত্বের কলেস্টেরল ‘এইচডিএল’-টুবি হার্ট ও হার্টের রক্তনালিকে বাঁচিয়ে রাখে। এই

ভালো চর্বি কমে গেলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।

একটি ব্যাকটেরিয়ার কথা হয়তো আমরা অনেকেই জানি। এর নাম ‘ক্লেমাইডিয়া নিউমোনি’। এটি রক্তে পাওয়া

গেলে বিপজ্জনক। এটি ভীষণ ক্ষতি করে এবং হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়। একটি পরীক্ষার নাম ‘সিআরপি’ অর্থা 

সি-রিয়েকটিভ প্রোটিন। রক্তে এটি বেড়ে গেলে ধমনিতে প্রদাহ হয়। মাত্রা বেশি হলে প্রদাহ আরও বাড়বে।

একসময় হার্টের ক্ষতি করবে। ‘রক্তের ফিব্রিনোজেন’ পরীক্ষা করে যদি দেখা যায় অনেক বেশি, তাহলে তা

হার্টের জন্য ক্ষতিকর। এ পদার্থ রক্তকে দ্রুত জমাট বাঁধতে ভূমিকা রাখে। ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তে ইনসুলিন ক্রমশ বাড়তে থাকলে হার্ট অ্যাটাকের আশংকাও বেড়ে যায়,

যদিও এই হরমোন ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত। এসব পরীক্ষার পর মাত্রা দেখে অন্তত ধরে নেয়া যায়,

কোনো লোকের হার্ট অ্যাটাক হওয়ার কতটুকু আশংকা আছে। এক্ষেত্রে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিলে সহজেই জীবন

বাঁচানো সম্ভব।

সূত্র - দৈনিক যুগান্তর

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: সাত রহস্য
Previous Health Tips: প্রসঙ্গ অ্যালার্জি

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')