হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ রোগ থেকে, ব্যাথা থেকে আরাম পেতে মেসেজ থেরাপি’র চর্চা করে আসছে।
মেসেজের নানারকম পদ্ধতি আছে। মেসেজ থেরাপির বিভিন্ন স্টাইল থেকে আপনি আপনার দেহে যা মানিয়ে
নেয় বা যে স্টাইলে আপনি আরাম পান, সেটা বেছে নিতে পারেন। যার মধ্যে আছে বিভিন্ন রকম চাপ
প্রয়োগ, অংগ-প্রত্যংগ বা বডি’র মুভমেন্ট বা নড়াচড়া ইত্যাদি। আছে ঘষা দেয়া, নিপুনভাবে হাত এবং
আঙ্গুলের ব্যবহারের মাধ্যমে মাংসপেশি ও কোমল পেশির মেসেজ করা। কখনো কখনো মেসেজ করার
ক্ষেত্রে হাতের বদলে পুরো বাহু, কনুই কিংবা পা ব্যবহার করা হয়।
হেলথ প্রায়র ২১ এর সম্মানিত পাঠকদের সুবিধার্থে ওয়েবএমডি’র আর্টিকেল থেকে এরকম কিছুমেসেজ
স্টাইল নিয়ে আমরা আলোচনা করব।
কোন মেসেজ স্টাইলটি উত্তম?
হ্যাঁ, আপনি হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন যে, সব সময় সব মেসেজ স্টাইল ভাল লাগে না। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে
ভিন্ন ভিন্ন স্টাইল যেমন ভাল লাগে তেমনি আরামদায়ক। মেসেজ থেরাপিতে যেসব স্টাইল ব্যবহার করা হয়
তন্মধ্যে দীর্ঘ থেকে স্বল্প সময়ব্যাপি হাত বোলানো বা হাতের নরম স্পর্শ, আঙ্গুল দিয়ে টোকা মারা
বা যন্ত্র দিয়ে মৃদুআঘাত করা, তেল বা লোশন দিয়ে মালিশ করা ইত্যাদি। কোন কোন মেসেজ থেরাপিস্ট
মেসেজ করার সময় মেসেজ করার স্থানটি অনাবৃত করে থেরাপি দেন। সময়ের হিসাবে স্টাইল অনুযায়ী মেসেজ
৫ মিনিট থেকে ২ ঘন্টা পর্যন্ত চলতে পারে।
কোন মেসেজ স্টাইলটি আপনার জন্য ভাল হবে তা নির্ধারনের পূর্বে আপনি আসলে কী চান? সেটা ভালভাবে
সিদ্ধান্ত নিন। আপনি কি সাধারন মানসিক চাপ কিংবা শরীর ম্যাজম্যাজ করা থেকে আরাম পেতে চান?
না-কি কোন নির্দিষ্ট রোগ থেকে বা কোন নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে আরাম পেতে চান? মেসেজ
থেরাপি গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই থেরাপিস্টকে তা’ জানান। অনেক থেরাপিস্ট একসঙ্গে একের অধিক স্টাইল
ব্যবহার করেন। তবে স্টাইল নির্ভর করে যাকে মেসেজ থেরাপি প্রদান করা হচ্ছে তার বয়স, শারীরিক
অবস্থা, বা কোন বিশেষ চাহিদা কিংবা সে কী চায় তার উপর ভিত্তি করে।
(...এরপর থাকছে সুইডিশ মেসেজ থেরাপি)

