home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

মেসেজ থেরাপি’র বিইভিন্ন স্টাইল এবং এর উপকারিতা পর্ব-১
২০ অগাস্ট, ১৩
View in English

হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ রোগ থেকে, ব্যাথা থেকে আরাম পেতে মেসেজ থেরাপি’র চর্চা করে আসছে।

মেসেজের নানারকম পদ্ধতি আছে। মেসেজ থেরাপির বিভিন্ন স্টাইল থেকে আপনি আপনার দেহে যা মানিয়ে

নেয় বা যে স্টাইলে আপনি আরাম পান, সেটা বেছে নিতে পারেন। যার মধ্যে আছে বিভিন্ন রকম চাপ

প্রয়োগ, অংগ-প্রত্যংগ বা বডি’র মুভমেন্ট বা নড়াচড়া ইত্যাদি। আছে ঘষা দেয়া, নিপুনভাবে হাত এবং

আঙ্গুলের ব্যবহারের মাধ্যমে মাংসপেশি ও কোমল পেশির মেসেজ করা। কখনো কখনো মেসেজ করার

ক্ষেত্রে হাতের বদলে পুরো বাহু, কনুই কিংবা পা ব্যবহার করা হয়।

হেলথ প্রায়র ২১ এর সম্মানিত পাঠকদের সুবিধার্থে ওয়েবএমডি’র আর্টিকেল থেকে এরকম কিছুমেসেজ

স্টাইল নিয়ে আমরা আলোচনা করব।

কোন মেসেজ স্টাইলটি উত্তম?

হ্যাঁ, আপনি হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন যে, সব সময় সব মেসেজ স্টাইল ভাল লাগে না। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে

ভিন্ন ভিন্ন স্টাইল যেমন ভাল লাগে তেমনি আরামদায়ক। মেসেজ থেরাপিতে যেসব স্টাইল ব্যবহার করা হয়

তন্মধ্যে দীর্ঘ থেকে স্বল্প সময়ব্যাপি হাত বোলানো বা হাতের নরম স্পর্শ, আঙ্গুল দিয়ে টোকা মারা

বা যন্ত্র দিয়ে মৃদুআঘাত করা, তেল বা লোশন দিয়ে মালিশ করা ইত্যাদি। কোন কোন মেসেজ থেরাপিস্ট

মেসেজ করার সময় মেসেজ করার স্থানটি অনাবৃত করে থেরাপি দেন। সময়ের হিসাবে স্টাইল অনুযায়ী মেসেজ

৫ মিনিট থেকে ২ ঘন্টা পর্যন্ত চলতে পারে।

কোন মেসেজ স্টাইলটি আপনার জন্য ভাল হবে তা নির্ধারনের পূর্বে আপনি আসলে কী চান? সেটা ভালভাবে

সিদ্ধান্ত নিন। আপনি কি সাধারন মানসিক চাপ কিংবা শরীর ম্যাজম্যাজ করা থেকে আরাম পেতে চান?

না-কি কোন নির্দিষ্ট রোগ থেকে বা কোন নির্দিষ্ট স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে আরাম পেতে চান? মেসেজ

থেরাপি গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই থেরাপিস্টকে তা’ জানান। অনেক থেরাপিস্ট একসঙ্গে একের অধিক স্টাইল

ব্যবহার করেন। তবে স্টাইল নির্ভর করে যাকে মেসেজ থেরাপি প্রদান করা হচ্ছে তার বয়স, শারীরিক

অবস্থা, বা কোন বিশেষ চাহিদা কিংবা সে কী চায় তার উপর ভিত্তি করে।

(...এরপর থাকছে সুইডিশ মেসেজ থেরাপি)

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম এবং চোখের যত্ন
Previous Health Tips: কুড়িতেই বুড়ি নয়...

আরও স্বাস্থ্য টিপ

বার্ধক্যে স্বাস্থ্য ঠিকঃ পর্ব ২

বয়স্ক মানুষের হাঁপানি হাঁপানি কোন নির্দিষ্ট বয়সের রোগ নয়। এই রোগে যেকোনো বয়সের মানুষই আক্রান্ত হতে পারে। তবে শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বৃদ্ধদের মধ্যে হাঁপানি ভিন্ন ভিন্নভাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। শিশুদের মধ্যে কাশি ও শ্বাসকষ্ট, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে হঠাৎ শ্বাসকষ্টের আক্রমণ এবং বৃদ্ধদের... আরও দেখুন

পেটে গ্যাস নাকি এনজিনা ব্যথা

গ্যাস একটি সাধারণ শব্দ। যাকে মানুষ বাতাস জাতীয় বস্তু হিসেবে মনে করে, সত্যি এটা তাই। গ্যাস্ট্রিক দ্বারা সাধারণভাবে পেপটিক আলসার ডিজিজ, গ্যাস্ট্রিক আলসার ও অন্যান্য এসিড দ্বারা সৃষ্ট আলসারকে বুঝানো হয়ে থাকে। পেটে গ্যাস উৎপাদন বা অধিক গ্যাস নির্গমনের সঙ্গে গ্যাস্ট্রিকের খুব বেশি সম্পর্ক... আরও দেখুন

জরায়ুমুখের ক্যানসার

খুব ধীরে ধীরে সৃষ্টি হওয়া এক রোগ। এক যুগের বেশি সময় ধরে জরায়ুমুখের স্বাভাবিক কোষ পরিবর্তিত হতে থাকে। একসময় তা ক্যানসারে রূপ নেয়। ক্যানসার কোষ দ্রুত বাড়তে থাকে, পিণ্ডের আকার বেড়ে যায়, জরায়ুমুখে ক্ষত সৃষ্টি করে। এতে রক্তক্ষরণ হয়, বিভিন্ন ধরনের সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে।... আরও দেখুন

বয়সকালে স্ত্রী-রোগ

স্ত্রী-রোগ বা গাইনোকলজিকাল ডিজিজ-এর সংখ্যা এবং প্রকার খুব একটা কম নয়। আর বয়স যত বাড়ে এই রোগের সংখ্যাও বেড়ে যায়। স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে ‘এর কি কোনও প্রতিকারের ব্যবস্থা হয় না’? হয়। কম বয়সের সময়ে বা গর্ভাবস্থার সময় থেকেই কিছু ব্যবস্থা নিলে এই স্ত্রী-রোগগুলি সংখ্যায় এবং পরিমাণগতভাবে কম... আরও দেখুন

অসাধারণ অ্যালোভেরা

নিজেদের শরীর এবং ত্বকের নানা সমস্যা নিয়ে চিন্তিত প্রায় সকলেই। কেউ হয়তো অনেক মোটা হয়ে যাচ্ছেন, ব্যায়াম করার সময় নেই। কারও বা ত্বকে কালো দাগ, ব্রণ বা শুষ্কতা দূর করার উপায় খুঁজছেন। আর চুলের সমস্যা সবচেয়ে বেশি ৷ কিন্তু জানেন কি,  এসব সমস্যার খুব সহজ সমাধান অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী। এটি একটি... আরও দেখুন

অ্যালার্জিজনিত চোখের প্রদাহ

বিভিন্ন কারণে চোখে ব্যথা বা প্রদাহ হতে পারে। এর মধ্যে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস অন্যতম। এর বিশেষ কিছু উপসর্গ_ দুই চোখই লাল হবে, দুই চোখে চুলকানি এবং জ্বালাপোড়া থাকবে। চোখ থেকে যে নিঃসরণ হবে। তা জলীয় থাকবে, কনজাংটিভা খুব ফুলে যাবে, দেখতে হবে কালচে বাদামি। অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়ায় চোখের পাতাও ফুলে... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')