সহজে কাঙ্ক্ষিত চাকরি পেতে যেসকল দক্ষতা থাকা অত্যন্ত জরুরি
09 March,14
Viewed#: 202
প্রতিবছর পৃথিবীর প্রতিটা দেশে লেখাপড়ার পাঠ চুকিয়ে চাকরির বাজারে প্রবেশ করছেন অনেক অনেক মানুষ। এই নতুন মানুষদের মাঝে অনেকে খুব সহজেই পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত চাকরি, আবার অনেকে চাকরি খুঁজতে খুঁজতে জুতোর নিচটা ক্ষয় করে ফেলেন। আসুন জেনে নেই, সহজে কাঙ্ক্ষিত চাকরি পেতে সার্টিফিকেটের পাশাপাশি যেসকল দক্ষতা আপনার থাকা জরুরি:
সূক্ষ্ম চিন্তাশক্তি
বর্তমান প্রতিযোগীতামূলক বিশ্বে একজন সূক্ষ্মচিন্তা শক্তির, সৃজনশীল, নতুনত্বের সাথে তাল মিলিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন এবং বন্ধুসুলভ মানসিকতার মানুষগুলোই চাকরি ক্ষেত্রে পেয়ে থাকেন অগ্রাধিকার।
বিশ্ব সম্পর্কে ধারণা
সারা বিশ্বে প্রতিমুহূর্তে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা। এরই প্রেক্ষিতে প্রতি মুহূর্তে বিশ্ব অর্থনীতি তার চলার পথ করছে পরিবর্তন। আপনি যদি বিশ্বের সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বা ঘটমান ঘটনাগুলো সম্পর্কে না জানেন অথবা বিশ্ব অর্থনীতির চলার পথ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না রাখেন, তাহলে ধরেই নিতে পারেন, আপনার পেছনে কোনো কোম্পানি অর্থ লগ্নি করলে তা হবে সম্পূর্ণ অপচয়। কারণ সময়ের সাথে দৌড়ে চলার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত আপনি নন। অতএব স্বপ্নের চাকরিটা পেতে নিজেকে সবসময় বিশ্ব সম্পর্কে সচেতন রাখুন।
আন্ত:সাংস্কৃতিক যোগাযোগ
পৃথিবী দিন দিন বড় হয়ে যাচ্ছে। আয়তনে নয়, প্রতি মুহূর্তে সীমানা প্রাচীর অতিক্রম করে আন্তঃসাংস্কৃতিক মিথষ্ক্রিয়ার মাধ্যমে। অতএব অন্যের সংস্কৃতি মেনে নেওয়া এবং সে অনুযায়ী নিজেকে পরিবর্তন করার মানসিকতা যার আছে, সে-ই হতে পারেন তার স্বপ্নের চাকরির যোগ্য। তবে এক্ষেত্রে নিজ সংস্কৃতকে র্ঘণা করা বা অন্যের সংস্কৃতির সাথে তূলনা করতে গিয়ে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখাটা হবে মস্ত বড় বোকামি। প্রতিটা জাতির নিজস্ব মৌলিক সংস্কৃতি থাকে। এবং প্রতিটা মানুষের অবশ্য কর্তব্য নিজ সংস্কৃতিকে বুকে ধারণ করা। সেই সাথে অন্যের সংস্কৃতিকেও সম্মান প্রদর্শন করতে পারা একজন চাকরি প্রার্থীর জন্য অবশ্যই বড় একটি গুণ।
দ্রুততা
যত সময় যাচ্ছে, দৈনন্দিন জীবনে প্রতিযোগীতামূলক এই বিশ্বে দ্রুততার সাথে কাজ সমাধা করতে পারা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠছে। যে যত দ্রুত এবং নির্ভূলভাবে কাজ সমাধা করতে পারেন, তিনি তত বেশি যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
যোগাযোগ
পারস্পরিক যোগযোগকে সহজ থেকে সহজতর করতে পারতে হবে। প্রতিযোগীতার এই বিশ্বে যিনি নিজ প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীদের সাথে সহজ যোগাযোগ স্থাপন করতে পারবেন না, তিনি মূলত কোম্পানিকে সামনে না বাড়িয়ে পেছনেই ঠেলবেন বেশি।
সহযোগীতার মানসিকতা
কয়েকজন ব্যক্তি যদি দল হয়ে কাজ না করতে পারেন, তাহলে কখনোই একটি ভালো কাজ উপহার দেওয়া সম্ভব নয়। আর ভালো কাজ না করতে পারলে সকল পরিশ্রমই বৃথা যাবে। বর্তমান বিশ্বে ব্যক্তিনির্ভর কাজের চেয়ে দলগত কাজের প্রতি মনযোগ দেওয়া হয় বেশি। একারণে আপনি যদি সহযোগীতার মানসিকতা সম্পন্ন না হন, তাহলে আপনার পেছনে কোম্পানির ব্যয় পুরোটা অপচয়।
অবদান
বর্তমান বাণিজ্যিক সময়ে পরিবেশ এবং সামাজিক কাজে নতুনদের কাজ করার হার দিন দিন কমে যাচ্ছে। যেসকল মানুষ সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে জড়িয়ে সমাজকে এগিয়ে নিতে অবদান রাখতে পারেন নিজ সাধ্যের মধ্যে, তিনিই চাকরি ক্ষেত্রে বিশেষ সুনজরে পড়েন।
সূত্র - হেলো টুডে