ঘুম থেকে নিয়মিত যে সময়ে আমরা জেগে উঠি, তার আট ঘণ্টা আগে বিছানায় শুতে হবে৷ এটিই ঘুমের ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়ার একমাত্র উপায়৷ ‘এখন রাত জেগে কাজ করি, বকেয়া ঘুম পরে ঘুমিয়ে নেওয়া যাবে’—এমন ভাবনার পরিণাম ক্ষতিকর৷ যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথওয়েস্টার্ন মেডিকেল সেন্টারের গবেষকেরা এ রকম পরামর্শ দিয়েছেন৷
গবেষকেরা আরও বলেছেন, ছুটির দিনে বাড়তি কয়েক ঘণ্টা ঘুমিয়ে নিয়ে সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে ঘুমের ঘাটতি দূর হয় না৷ আর সেই বাড়তি ঘুমে সতেজতা বা শারীরিক শক্তি–সামর্থ্যও বৃদ্ধি পায় না৷ বরং বিপরীত ফল হয়, শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ির কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়৷ তাই ছুটির দিনের সকালে দেরিতে ওঠার পর আমরা আসলে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ক্লান্তি বোধ করি৷
সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়, মানুষ ঘুমের গুরুত্ব উপেক্ষা করে নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে৷ আধুনিক জীবনযাত্রায় মানুষের ঘুম কমে যাওয়ায় ‘গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা’ দেখা দিচ্ছে৷ যুক্তরাজ্যের ঘুমের ওষুধবিশেষজ্ঞ গ্রেগরি কার্টার বলেন, ‘দীর্ঘক্ষণ ঘুমালে আমাদের ঘুমের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়৷ তাই সময়মতো এবং পরিমাণমতো ঘুমানো উচিত, কম বা বেশি নয়৷’ টেলিগ্রাফ৷
সূত্র - প্রথম আলো

