দিল্লি কা লাড্ডু খেলেও পস্তাতে হবে, না খেলেও! বিবাহ সম্পর্কে এই বিতর্ক চলে আসছে সময়ের হাত ধরে। এতদিন এই বিতর্ক ভারসাম্য অবস্থায় থাকলেও মার্কিন গবেষকরা এক চমকপ্রদ তথ্যের অবতারণা করেছেন।
গবেষণায় উঠে এসেছে-বৈবাহিক সম্পর্ক দীর্ঘজীবন লাভের অন্যতম পূর্বশর্ত। মাঝ বয়সটাকে দুশ্চিন্তামুক্তভাবে পার করতে একজন সঙ্গী বা সঙ্গিনী অপরিহার্য়। আর সেটা মৃত্যুঝুঁকিকেও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়।
অন্যদিকে অবিবাহিতদের জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ। বিবাহিতদের তুলনায় তাদের মাঝ বয়সে মৃত্যুঝুঁকি প্রায় তিন গুণ বেশি। অবশ্য বিবাহিত জীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক থাকাটাকেই এখান প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
৪০ বছর বয়সের পর একাকী থাকা, সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে হারিয়ে নতুন করে বিয়ে না করা অসমের মৃত্যু ঝুঁকিকে বাড়িয়ে দেয়। এমনকি ৬০ বছর বয়স পর্য়ন্ত পৌঁছানোটাও দুষ্কর হয়ে যায়।
বিবাহিত যে ব্যাক্তিদের ধুমপান বা অ্যালকোহলের বদভ্যাস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও অবিবাহিতদের তুলনায় মাঝবয়সে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ২.৩ গুণ বেশি।
সূত্র - natunbarta.com

