home top banner
Please Login or Register

স্বাস্থ্য টিপ

চুল ঝরে পরা প্রতিরোধের ১৮ টি কার্যকর গৃহ চিকিৎসা
১২ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  hair loss  
  Viewed#:   830   Favorites#:   1

বেশীর ভাগ মানুষেরই প্রতিদিন ৫০-১০০ টি চুল ঝরে পরে। চুল ধোয়ার সময় একজন মানুষের ২৫০ টি পর্যন্ত চুল ঝরে পরতে পারে। যখন আপনার মাথা বা শরীরের অন্য অংশ থেকে দৈনিক এর থেকে বেশী চুল ঝরে পরে তখন বলা যায় আপনি চুল হারাচ্ছেন। চুল ঝরে পরাকে ডাক্তারি পরিভাষায় Alopecia বলা হয়। প্রতি মাসে চুল প্রায় আধা ইঞ্চি করে বাড়ে। মানুষের চুলের প্রায় ৯০ শতাংশ উক্ত সময়ে ঐ পরিমাণে বাড়ে। বাকি ১০ শতাংশ চুল নির্জীব হয়ে পরে এবং ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে ঝরে পরে।
 
উপসর্গ
* সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি আপনি দেখেন বালিশের উপর অনেক পরিমাণে চুল পরে আছে তবে আপনি চুল ঝরে পরার সমস্যায় ভুগছেন।
* চুল আঁচড়ানোর সময় চিরুনিতে যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী চুল পান তবে আপনি চুল ঝরে পরার সমস্যায় ভুগছেন।
* যখন চুল ঝরে পরা শুরু হয়, পুরুষের চুল কপালের থেকে বা মাথার মাঝখান থেকে পরা শুরু হয়।
* মহিলাদের ক্ষেত্রে চুল পাতলা হওয়া শুরু হয় এবং সিঁথির বিভাজন প্রশস্থ হওয়া শুরু হয়ে মাথার ত্বক দেখা যায়।
 
আকস্মিক চুল ঝরে পরা একটি রোগের মধ্যে পরে এবং এই ঝরে পরার কারণ চিহ্নিত করার প্রয়োজন হয়।
 
কারণ
চুল হারানো বা চুল ঝরে পরার মূল কারণ গুলির মধ্যে আছেঃ
* বংশগত
* মানসিক চাপ
* রক্তস্বল্পতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারানো এবং থাইরয়েডের অকার্যকারিতার মত রোগে আক্রান্ত
* ক্যান্সার
* মাথার ত্বকের সংক্রমণ
* Psoriasis, Dermatitis এর মত চর্ম রোগ
* গর্ভাবস্থা
* বিশেষ কোনও চুলের স্টাইল যাতে চুলে বেশ টান পরে
* Hair-pulling disorder
* রজোনিবৃত্তি
* ঔষধের প্রভাব
 
কারণের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ভাবে চুল ঝরে পরা দৃশ্যমান হতে পারে। কিছু প্রকারের চুল পরা সাময়িক এবং কিছু প্রকারের আছে যা স্থায়ী। বিভিন্ন রকমের গৃহ চিকিৎসার মাধ্যমে সাময়িক চুল ঝরে পরা রোধ করা যায়।
 
চুল ঝরে পরা রোধে কিছু কার্যকর গৃহ চিকিৎসা
 
১. নারিকেলের দুধ
নারিকেলের দুধের চুলের টিস্যুতে উচ্চমাত্রায় পুষ্টি যোগানোর গুণাগুণ আছে। এটি কার্যকর ভাবে চুল ঝরে পরা কমাতে সাহায্য করে।
* তাজা নারিকেল কুড়ে নিয়ে তা ব্লেন্ডারে দিয়ে পিশে নিন।
* মিশ্রণটি নিংড়ে ছেঁকে নারিকেলের দুধের নির্যাস বের করে নিন।
* এখন এই নারিকেলের দুধের নির্যাস ভাল করে চুলে এবং মাথার ত্বকে মেখে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে দিন।
* নারিকেলের দুধ দিয়ে মাথার ত্বক ভাল ভাবে ম্যাসেজ করুন।
* এটি কার্যকর ভাবে চুল ঝরে পরা রোধ করবে।
* চুল ঝরে পরা রোধ করতে মাথার ত্বকে সপ্তাহে একবার নারিকেলের দুধ প্রয়োগ করুন।
 
২. নিম পাতার রস
এ উপমহাদেশে সবচেয়ে বেশী দেখতে পাওয়া ভেষজ উদ্ভিদ হল নিম পাতা কারণ এটি ঔষধি গুণাগুণে ভরপুর। এটি পুরুষ এবং মহিলাদের চুল ঝরে পরা রোধের চিকিৎসায় একটি কার্যকরী ভেষজ উদ্ভিদ।
* তাজা নিম পাতা পানিতে নিয়ে সিদ্ধ করে ফুটিয়ে এর পরিমাণ অর্ধেক করে নিন।
* পানি ঠাণ্ডা করে নিন এবং আপনার চুল এবং মাথার ত্বক এই পানির মিশ্রণ দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
* চুল ঝরে পরা রোধ করতে নিয়মিত সপ্তাহে একবার বা দুইবার এই প্রক্রিয়াটি অনুসরন করুন।
 
৩.মধু এবং জলপাই তেল
* একটি পাত্রে দুই টেবিল চামচ মধু এবং দুই টেবিল চামচ জলপাই তেল নিন।
* এটি ভাল করে মিশিয়ে নিয়ে এতে এক টেবিল চামচ দারুচিনির গুঁড়া যোগ করে ভাল করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।
* এ মিশ্রণটি চুলে এবং মাথার ত্বকে মেখে ২০ থেকে ২৫ মিনিট রেখে দিন।
* এটি চুলের নিরাময়ে সাহায্য করবে এবং এটি নতুন চুল গজানোতে বেশ কার্যকর।
* দৃশ্যমান ফলাফল পেতে এই মিশ্রণটি নিয়মিত প্রতি সপ্তাহে মাথার ত্বকে প্রয়োগ করুন।
 
৪. ঘৃতকুমারীর রস এবং নিমের পেস্ট
* ঘৃতকুমারী গাছের তাজা রসের নির্যাস বের করে নিন এবং এর সাথে শুকনো নিম পাতার চূর্ণ নিন।
* এটি ভাল ভাবে মেশান এবং এতে কয়েক ফোঁটা ভেষজ আমলা তেল যোগ করে মিশ্রণ তৈরি করুন।
* এখন এই মিশ্রণটি আপনার মাথার ত্বকে এবং প্রতিটি চুলের গোঁড়ায় ভাল ভাবে মেখে নিন।
* এটি মাথাতে অন্তত আধা ঘণ্টা রেখে তারপর ধুয়ে ফেলুন।
* উজ্জ্বল চুল উপভোগ করার জন্য এ প্রক্রিয়াটি প্রতি সপ্তাহে এক থেকে দুইবার অনুসরণ করুন।
 
৫. ডিমের সাদা অংশ এবং দধির মিশ্রণ
একটি পাত্রে দুইটি ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে নিন এবং এতে দুই টেবিল চামচ তাজা দধি বা ঘোল যোগ করুন।
* এটি ভাল করে মেশান এবং এতে এক টেবিল চামচ shikaki বা নিম পাউডার—যা আপনি বাজারে কিনতে পাবেন—যোগ করুন।
* ভালভাবে এই মিশ্রণটি মাথার ত্বকে মাখুন এবং ৩০ মিনিট রেখে দিন।
* ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন। চুল ঝরে পরা রোধে পদ্ধতিটি প্রতি সপ্তাহে একবার অনুসরণ করুন।
 
৬. আমলা
* শুকনো আমলা চূর্ণের সাথে নারিকেল তেল মিশিয়ে এর রং কাল না হওয়া পর্যন্ত জাল দিতে থাকুন।
* মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করে মাথার ত্বকে প্রয়োগ করুন।
* এই তেলের মিশ্রণটি দিয়ে মাথার ত্বক ১০ মিনিট ধরে ভাল করে ম্যাসেজ করুন।
* অন্তত ৩০ মিনিট এটি মাথায় রাখুন এবং এর পর ধুয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন।
* কার্যকর ফলাফল পেতে পদ্ধতিটি সপ্তাহে অন্তত একবার করে অনুসরণ করুন।
 
৭. ঘৃত কুমারীর জেল
চুল ঝরে পরা রোধে ঘৃত কুমারীর রস অত্যন্ত কার্যকরী বলে মনে করা হয় এবং এটি মাথার ত্বকে পুষ্টি যুগিয়ে থাকে।
* খাটি ঘৃত কুমারী সরাসরি আপনার মাথার ত্বকে প্রয়োগ করতে পারেন।
* ঘৃত কুমারীর পাতা অর্ধেক করে কেটে এর মধ্যের রসালো প্রোটিন মাথার ত্বকে প্রয়োগ করুন।
* এটি মাথার ত্বকের শুস্কতা এবং চুলকানির কারণে চুল ঝরে পরা রোধ করবে।
* ঘৃত কুমারীর রস আপনার মাথার ত্বকে প্রয়োগ করে ভাল করে ম্যাসেজ করুন।
* কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন।
* কার্যকর ফলাফলের জন্য এটি সপ্তাহে দুইবার করুন।
 
৮. তেল ম্যাসেজ
* প্রতিদিন মাথায় নারিকেল তেল দেয়া চুল ঝরে পরা রোধ করতে সাহায্য করে।
* গোসলের পূর্বে নিয়মিত ভাবে কুসুম গরম তেল দিয়ে কয়েক মিনিট মাথা ম্যাসেজ করলে মাথার ত্বকে পুষ্টির যোগান হয় এবং মাথায় রক্ত চলাচল বাড়িয়ে দেয়।
* এটি চুল ঝরে পরা প্রতিরোধ করে।
* এছাড়াও জজুবা তেল, নিম তেল, সরিষার তেল এবং কাঠবাদাম তেল ব্যবহার করতে পারেন।
 
৯. ঘরে তৈরি মদ
আপনি ঘরে একটি মিশ্রণ বানিয়ে তা চুলে প্রয়োগ করে ঝরে পরা রোধ করতে পারেন।
*৩০ থেকে ৪৫ মিলি. ভদকা বা অ্যালকোহল এর সাথে গোল মরিচের গুঁড়া মেশান এবং এই মিশ্রণটি হালকা গরম পানিতে ঢেলে দিন।
*চুল পরা কমাতে সপ্তাহে একবার এই মিশ্রণটি দিয়ে চুল এবং মাথার ত্বক ধুয়ে ফেলুন।
 
১০. পিঁয়াজ এবং মধু
* পিঁয়াজ দুই টুকরা করে কেটে এর কাটা রসাল অংশ মাথার ত্বকের সমস্ত অংশে ভাল করে মাখুন।
* এর পর মাথার ত্বকে ভাল করে মধু মেখে ম্যাসেজ করুন।
* এভাবে কয়েক মিনিট রেখে দিয়ে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
* চুল পরা প্রতিরোধে পদ্ধতিটি প্রতি দশ দিনে একবার করে অনুসরণ করুন।
 
১১. Lime বীজ
* Lime বীজ এবং কালো গোল মরিচের গুঁড়ার মিশ্রণ মাথার ত্বকে ছোট ক্ষত সমস্যা দূরীকরণে কার্যকরী দেখা যায়।
* শুকনা Lime বীজ চূর্ণ করে নিন এবং এর সাথে তাজা গোল মরিচের গুঁড়া যোগ করুন।
* এর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন।
* মাথার ত্বকে যেখান থেকে বেশী চুল পরে বলে মনে করেন সেখানে এটি মেখে ম্যাসেজ করুন।
* আক্রান্ত স্থানে চুল গজাতে এ পদ্ধতিটি সপ্তাহে অন্তত একবার করে অনুসরণ করুন
 
১২. Junk Food পরিহার করুন
সব রকমের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং অস্বাস্থ্যকর জীবন ধারাও চুল ঝরে পরার কারণ।
* তেল জাতীয় খাবার এবং সকল Junk Food যতটা সম্ভব পরিহার করে চলার চেষ্টা করুন।
* শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে পানি পানের মাত্রা বাড়িয়ে দিন।
* মাথায় এবং মাথার ত্বকে রক্ত চলাচলের মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে চুল ঝরে পরা প্রতিরোধে দৈনিক জীবন ধারাতে হালকা শরীর চর্চা যোগ করুন।
 
১৩. Shana বীজ
* নারিকেল তেল বা ক্যাস্টর অয়েলের সাথে shana বীজ মিশিয়ে কুসুম গরম করে একটি পেস্ট তৈরি করুন।
*  এখন এই মিশ্রণটি আপনার মাথার ত্বকে মেখে আলতো ভাবে ম্যাসেজ করুন
* এটি আধ ঘণ্টার জন্য মাথায় রাখুন এবং হালকা শ্যাম্পু দিয়ে আলতো ভাবে ধুয়ে নিন
* ভাল ফল পেতে সপ্তাহে অন্তত দুই বার এ পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
 
১৪. সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন
চুল পরা রোধে সুষম এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
* চুল পরা রোধে সহায়তার জন্য আপনার খাদ্য তালিকায় আয়রন, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ খাবার বাড়িয়ে দিন।
* চুল পরা রোধ করতে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য তালিকা তৈরি করতে এতে প্রচুর পরিমাণে কাঁচা এবং তাজা শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করুন।
 
১৫. চুলের পরিচর্যা করুন
* সঠিক ভাবে চুল ধোয়া এবং আঁচড়ানো, চুল পরা রোধে সহায়তা করে।
* চুল সুবিন্যস্ত ভাবে খোঁপা করে রেখে একে ছিঁড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
* সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে চুলের আগা ফেটে যাওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারেন।
 
১৬. তামাকের রস
* নিয়মিত ব্যবহারের শ্যাম্পুর সাথে কয়েক ফোঁটা তামাকের রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে তা চুল পরা রোধে অত্যন্ত কার্যকর দেখা যায়।
 
১৭. চা পাতার নির্যাস
* লেবুর রসের সাথে চা পাতার নির্যাস মিশিয়ে তা দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করবে এবং চুল ঝরে পরা রোধ করে।
 
১৮. Dryer দিয়ে চুল শুকানো কমিয়ে দিন
* চুলে Dryer চালনা করে শুকালে চুলের গোঁড়ার কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মাথার ত্বক শুকিয়ে দেয়।
* Hair dryer বেশী ব্যবহার করবেন না, এতে করে চুল পরা শুরু হয়।
 
নিয়মিত ভাবে চুল ঝরে পরতে দেখে কি আপনি হতাশ? আপনি কি মনে করেন হালকা ভাবে চুল ঝরে পরা সমস্যায় আপনি ভুগছেন? তবে আপনি উপরে উল্লেখিত গৃহ চিকিৎসাগুলি গ্রহণ করে সহজেই চুল ঝরে পরা রোধ করতে পারেন।

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ঘরোয়া দাওয়াই
Previous Health Tips: চুল গজানোর ৫ টি গৃহ চিকিৎসা

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')