চেয়ার মেসেজ
সহজে বহনযোগ্য বিশেষ ডিজাইনে তৈরী করা চেয়ারে বসানোর পর ঘাড়, কাঁধ, পৃষ্ঠদেশ, বাহুএবং হাতসহ
শরীরের বিভিন্ন অংশ মেসেজ করা হয়। এটাকেই চেয়ার মেসেজ বলা হয়ে থাকে।
শিয়াৎস্যুমেসেজ
জাপানী ভাষায় ‘শিয়াৎস্যু’ শব্দের অর্থ হল আঙ্গুলের চাপ। শিয়াৎস্যুমেসেজ - এ একজন থেরাপিস্ট শরীরের
নির্দিষ্ট পয়েন্টে ছন্দময় ভঙ্গিতে আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিতে থাকেন। এই পয়েন্টগুলোকে বলে ‘আক্যুপ্রেসার
পয়েন্ট’। বিশ্বাস করা হয় যে, এই পয়েন্টগুলোর মাধ্যমে দেহে শক্তি সঞ্চালিত হয়, যাকে জাপানী
ভাষায় ‘চী’ নামে অভিহিত করা হয়। এই শিয়াৎস্যুমেসেজ এর মাধ্যমে ‘আক্যুপ্রেসার পয়েন্ট’ গুলোর
কোন ব্লকেজ থাকলে তা’ দূর হয়।
থাই মেসেজ
থাই মেসেজ পদ্ধতিতে একজন থেরাপিস্ট ক্লায়েন্ট বা রোগীর দেহ বিভিন্ন পজিশনে মুভ করানোর জন্য
নিজের দেহ ব্যবহার করেন। এতে মাংসপেশির কমপ্রেশন দূর হয়, জয়েন্টগুলো ঠিকভাবে কাজ করতে পারে
এবং আক্যুপ্রেসারের কাজ করে।
হট স্টোন মেসেজ
এ ধরনের মেসেজ পদ্ধতিতে একজন থেরাপিস্ট একটি গরম (সহনীয় মাত্রার) করা পাথর রোগী বা
ক্লায়েন্টের দেহের নির্দিষ্ট কোন স্থানে যেমন আক্যুপ্রেসার পয়েন্টে ধরে রাখেন। পাথরটাকে সাধারনত
একটি টুল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। এর সাথে অন্যান্য টেকনিক ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে শরীরের
গভীরে তাপকে সঞ্চালিত করা হয়।
রিফ্লেক্সোলোজি
রিফ্লেক্সোলোজিতে হাত, বৃদ্ধাঙ্গুলি ও অন্যান্য আঙ্গুল ব্যবহার করে পায়ের পাতার বিভিন্ন স্থানে
উদ্দীপনার সৃষ্টি করা হয়। মনে করা হয়, পায়ের পাতার ঐসব নির্দিষ্ট পয়েন্টের সাথে দেহের বিভিন্ন
অংগ-প্রত্যঙ্গের একটা নিবিড় যোগসূত্র রয়েছে। এই উদ্দীপনা সৃষ্টির ফলে ঐসব অংগ-প্রত্যঙ্গের
কার্যকারীতা বেড়ে যায়।
প্রেগনেন্সি মেসেজ
গর্ভধারনকালীন সময়ে মহিলাদের শরীরে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। শরীর এ বিভিন্ন ধরনের
চাপ, পেশির খিঁচুনি, ব্যাথা, হাত-পা ফুলে যাওয়া, গিঁরায় ব্যাথা ইত্যাদি দেখা দেয়। প্রেগনেন্সি মেসেজ
এগুলো থেকে আরাম দেয়। গর্ভাবস্থায় যেহেতুঅনেক ধরনের মেডিকেশনের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকে,
অন্যান্য মেডিকেল অপশনেও থাকে সীমাবদ্ধতা, তাই প্রেগনেন্সি মেসেজ বিশেষ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
গর্ভবতি মহিলাকে তার সুবিধাজনক পজিশনে নিয়ে এই থেরাপি দেয়া হয়।
ওয়েবএমডি অবলম্বনে হেলথ প্রায়র ২১।

