home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

খাবার অপচয় রোধের কয়েকটি পদ্ধতি পর্ব-২
১৫ অগাস্ট, ১৩
বিষয়টি বাংলাতে পড়ুন
  Viewed#:   288

খাবার অপচয় রোধের কয়েকটি পদ্ধতি পর্ব-২

আগের তুলনায় বাজারে যাওয়ার পরিমান বাড়িয়ে দিন

সপ্তাহে একদিন বাজারে গিয়ে পুরো সপ্তাহের সবজী, ফলমূল একবারে না কিনে সময়-সুযোগ করে

সপ্তাহে দু’বার কিংবা তিন বার যান। পুরো সপ্তাহের না কিনে এক বা দুইদিনের জন্য কিনুন। ক্রয়কৃত

জিনিসপত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পর আবার ক্রয় করুন।

চেষ্টা করুন স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত, স্থানীয় বাজারে প্রাপ্য জিনিস ক্রয় করার

দ্রুত পচনশীল দ্রব্যসমূহ যা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত, স্থানীয় বাজারে প্রাপ্য ক্রয় করলে একদিকে যেমন

টাটকা জিনিসটি পাওয়া যায় তেমনি নষ্ট হওয়ার আগেই সেগুলোর সদব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। তবে এই

ব্যাপারটি নির্ভর করে আপনার অবস্থানের উপর।

সাপ্তাহিক মেন্যুর তালিকা তৈরী করে নিন

হ্যাঁ, একটা তালিকা তৈরী করে নিতে পারেন। কোন দিন কোন বেলায় খাবারের মেন্যুতে কী কী থাকবে।

কোন দিন বিশেষ খাবার তৈরী করতে চান, তা ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে রাখতে পারেন। তালিকা অনুযায়ী

বাজার করুন। স্টোর থেকে, ফ্রিজ থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো নিয়ে ব্যবহার করুন।

কেনার আগে মোড়কের লেখাগুলো পড়ে নিন

এটি খুব গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার। কেনার আগে অবশ্যই মোড়কের গায়ে লেখা ক্রয়ের সর্বশেষ সময়সীমা,

ব্যবহারের সময়সীমা, উপাদানসমূহ, ব্যবহার বিধি ইত্যাদি দেখে কিনুন। যেমন লেখা থাকে “Sell-by”  বা

“Use-by”  ইত্যাদি। Sell-by  তারিখ আপনাকে জানান দিচ্ছে প্রোডাক্টটি স্টোর থেকে কত তারিখের

মধ্যে কিনবেন। তবে কেনার পরে এটি অন্ততঃ আরো ১/২ সপ্তাহ ধরে সেটি ব্যবহার করতে পারবেন। Useby  তারিখ দিয়ে বোঝানো হচ্ছে কত তারিখের মধ্যে ব্যবহারে সেটির সর্বোচ্চ মান বজায় থাকবে। তবে

তারিখ যেটাই থাকুক, যথাযথভাবে সংরক্ষন করা হলে খাবারটি মেয়াদ উত্তীর্ন হবার পরও বেশ কিছুদিন

টাটকা থাকতে পারে।

তবে হ্যাঁ, যদি আপনি দেখেন দ্রব্যটির রঙ পরিবর্তন হচ্ছে, হালকা গন্ধ ছড়াচ্ছে কিংবা যেভাবে থাকার কথা

সেভাবে নেই, তাহলে অবশ্যই কোন ধরনের ঝুঁকি নিবেন না। আর অতি অবশ্যই শিশুদের কোন খাবারে বা

কোন ফরমুলা মেয়াদ উত্তীর্ন হবার পর  ব্যবহার করবেন না, শিশুদের খেতে দিবেন না।

পরিশেষে, আপনার রান্না ঘরে যা যা আছে তার সর্বোচ্চ সদব্যবহার নিশ্চিত করুন। দেখবেন যেমন খাবার

নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কমবে তেমনি বাঁচবে খরচ।

হোল লিভিং ডট কম অবলম্বনে হেলথ প্রায়র ২১।

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: বিশেষ শিশুদের বেড়ে উঠার ৯ টি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন
Previous Health Tips: মনটাকে কিভাবে ভালো রাখা যায়

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')