খাবার অপচয় রোধের কয়েকটি পদ্ধতি পর্ব-২
আগের তুলনায় বাজারে যাওয়ার পরিমান বাড়িয়ে দিন
সপ্তাহে একদিন বাজারে গিয়ে পুরো সপ্তাহের সবজী, ফলমূল একবারে না কিনে সময়-সুযোগ করে
সপ্তাহে দু’বার কিংবা তিন বার যান। পুরো সপ্তাহের না কিনে এক বা দুইদিনের জন্য কিনুন। ক্রয়কৃত
জিনিসপত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পর আবার ক্রয় করুন।
চেষ্টা করুন স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত, স্থানীয় বাজারে প্রাপ্য জিনিস ক্রয় করার
দ্রুত পচনশীল দ্রব্যসমূহ যা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত, স্থানীয় বাজারে প্রাপ্য ক্রয় করলে একদিকে যেমন
টাটকা জিনিসটি পাওয়া যায় তেমনি নষ্ট হওয়ার আগেই সেগুলোর সদব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। তবে এই
ব্যাপারটি নির্ভর করে আপনার অবস্থানের উপর।
সাপ্তাহিক মেন্যুর তালিকা তৈরী করে নিন
হ্যাঁ, একটা তালিকা তৈরী করে নিতে পারেন। কোন দিন কোন বেলায় খাবারের মেন্যুতে কী কী থাকবে।
কোন দিন বিশেষ খাবার তৈরী করতে চান, তা ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে রাখতে পারেন। তালিকা অনুযায়ী
বাজার করুন। স্টোর থেকে, ফ্রিজ থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো নিয়ে ব্যবহার করুন।
কেনার আগে মোড়কের লেখাগুলো পড়ে নিন
এটি খুব গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার। কেনার আগে অবশ্যই মোড়কের গায়ে লেখা ক্রয়ের সর্বশেষ সময়সীমা,
ব্যবহারের সময়সীমা, উপাদানসমূহ, ব্যবহার বিধি ইত্যাদি দেখে কিনুন। যেমন লেখা থাকে “Sell-by” বা
“Use-by” ইত্যাদি। Sell-by তারিখ আপনাকে জানান দিচ্ছে প্রোডাক্টটি স্টোর থেকে কত তারিখের
মধ্যে কিনবেন। তবে কেনার পরে এটি অন্ততঃ আরো ১/২ সপ্তাহ ধরে সেটি ব্যবহার করতে পারবেন। Useby তারিখ দিয়ে বোঝানো হচ্ছে কত তারিখের মধ্যে ব্যবহারে সেটির সর্বোচ্চ মান বজায় থাকবে। তবে
তারিখ যেটাই থাকুক, যথাযথভাবে সংরক্ষন করা হলে খাবারটি মেয়াদ উত্তীর্ন হবার পরও বেশ কিছুদিন
টাটকা থাকতে পারে।
তবে হ্যাঁ, যদি আপনি দেখেন দ্রব্যটির রঙ পরিবর্তন হচ্ছে, হালকা গন্ধ ছড়াচ্ছে কিংবা যেভাবে থাকার কথা
সেভাবে নেই, তাহলে অবশ্যই কোন ধরনের ঝুঁকি নিবেন না। আর অতি অবশ্যই শিশুদের কোন খাবারে বা
কোন ফরমুলা মেয়াদ উত্তীর্ন হবার পর ব্যবহার করবেন না, শিশুদের খেতে দিবেন না।
পরিশেষে, আপনার রান্না ঘরে যা যা আছে তার সর্বোচ্চ সদব্যবহার নিশ্চিত করুন। দেখবেন যেমন খাবার
নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কমবে তেমনি বাঁচবে খরচ।
হোল লিভিং ডট কম অবলম্বনে হেলথ প্রায়র ২১।

