home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

আপনি কি “একতরফা” প্রেম করছেন? বুঝে নিন ৪ টি লক্ষণে
২৮ মে, ১৪
Tagged In:  in a relationship  love and relationship  
  Viewed#:   526

how-know-loveসম্পর্কের মধ্যে মাঝে মাঝে ছোটোখাটো ঝগড়া খুনসুটি থাকা তেমন খারাপ কিছুই নয়। দুজন মানুষ একসাথে থাকলে একটু তো মতে অমিল হবেই। ভালোবাসার সম্পর্ক হোক কিংবা দাম্পত্য জীবনই হোক না কেন ছোটোখাটো অনেক ঝামেলাই সম্পর্কে আসতে পারে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে সব চাইতে খারাপ যে কাজটি হতে পারে তা হলো এক তরফা ভালোবাসা। হতে পারে দুজনের মতের মিলের কারণেই সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, কিন্তু হঠাৎই কোনো কারণে একজন সম্পর্কের ব্যাপারে উদাসীন হয়ে পড়লেন।


এক তরফা ভালোবাসার কোনো ভবিষ্যৎ থাকে না। একতরফা ভালোবাসায় যিনি সম্পর্কটি ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেন কষ্টটা শুধু তারই হয়। তাই একতরফা ভালোবাসার সম্পর্ক ধরে রাখার চেষ্টা না করাই ভালো। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনি একতরফা ভালোবাসার সম্পর্কে আছেন? তাহলে চিনে নিন সেই লক্ষণগুলো যে ৪ টি লক্ষনে বুঝে নেবেন আপনি একটি একতরফা সম্পর্কে আছেন।

আপনিই সকল কিছুর খোঁজ খবর রাখেন
মনে করে দেখুন তো আপনার সঙ্গীটি সারাদিনে আপনাকে আপনার খোঁজ খবর নেয়ার জন্য যোগাযোগ করেছেন কিনা। প্রত্যেকবার কি আপনিই প্রথমে যোগাযোগ করে জানার চেষ্টা করেন তিনি কেম্ন আছেন, কি করছেন, খেয়েছেন কিনা ইত্যাদি। যদি তাই হয় তাহলে আপনি অবশ্যই একটি একতরফা সম্পর্কে আছেন। কারণ ভালোবাসার সম্পর্কে দুজনের সমান উপস্থিতির প্রয়োজন আছে। হতে পারে সে ব্যস্ত থাকে নানা সময়ে। কিন্তু তিনি যদি আসলেই আপনার সাথে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে চান তবে আপনার ১০ বার যোগাযোগের জবাবে অন্তত একবার আপনার খোঁজ নেবেন।

আপনাদের খুবই কম দেখা হয়
অনেক দূরত্বের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে খুব কম দেখা হওয়া কিংবা একেবারেই দেখা না হওয়া। আপনার সঙ্গী যদি আপনার থেকে খুব বেশি দূরে না থাকেন এবং তারপরও আপনাদের মধ্যে দেখা অনেক কম হয়ে থাকে তাহলে তা নিয়ে অবশ্যই চিন্তা করার প্রয়োজন রয়েছে। দেখা না করার কি কারণ থাকতে পারে? ভেবে দেখুন তো কার উদ্যোগে শেষবার আপনাদের দেখা হয়েছিল। যদি আপনার উদ্যোগে হয় এবং আপনার দেখা করার ইচ্ছেটা আপনার সঙ্গীর অনীহার জন্য বাদ দিয়ে থাকেন তবে এটি একটি লক্ষণ হিসেবে ধরে নিতে পারেন। কারণ যারা পরস্পরকে ভালোবাসেন তাদের মধ্যে দেখা করার জন্য এক ধরণের টান থাকে যা আপনাদের সম্পর্কে নেই।

আপনাদের মধ্যে কথাবার্তা খুব কম হয়
সম্পর্কের একটি পর্যায়ে যখন সব কথা বলা শেষ হয়ে যায় তখন আর তেমন কিছুই বলার থাকে না। কিন্তু তার মানে এই নয় যে কথাবার্তা একেবারে কমে যাবে। যারা পরস্পরকে ভালোবাসেন তাদের মধ্যে কথা বলার জন্য কোনো ঘটনার প্রয়োজন হয় না। তারা সারাদিনে কি কি করলেন তা নিয়েই গল্প করে সময় কাটিয়ে দিতে পারেন। ভেবে দেখুন তো আপনার সঙ্গী কি এই ধরণের কথাবার্তা বলতে একেবারেই ইচ্ছুক নন কিনা। আপনি নিজে থেকে যোগাযোগ করে তাকে প্রশ্ন না করার আগ পর্যন্ত তিনি কি কিছুই বলেন না, কিংবা আপনার সম্পর্কেও জানতে চান না? তাহলে অবশ্যই আপনি একটি একতরফা সম্পর্কে আছেন।

আপনার সঙ্গী আপনাকে তার বন্ধুবান্ধবের চাইতেও কম প্রাধান্য দেন
সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্থান অনেক বড় একটি অংশ। আপনি আপনার সঙ্গীর কাছে কোন অবস্থানে আছেন তার ওপরে অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে। একজন মানুষের কাছে পরিবার পরিজন, ভালোবাসার মানুষ এবং বন্ধুবান্ধবের জন্য আলাদা স্থান রয়েছে। কিন্তু সমস্যা তখনই হয় যখন ভালোবাসার মানুষটির মূল্য নিজের বন্ধুবান্ধবের চাইতে কমে যায়। অনেকে বলতে পারেন কিছুদিনের ভালোবাসার মানুষের জন্য বন্ধুবান্ধব ছাড়া যায় না। কিন্তু এখানে বন্ধুবান্ধব ছেড়ে দেয়ার কথা হচ্ছে না। কথা হচ্ছে মূল্যায়নের। আপনাকে যিনি ভালোবাসেন তিনি স্বভাবতই আপনার কাছে সময় চাইবেন এবং এটাও চাইবেন আপনি তাকে আর দশজনের চাইতে বেশি প্রাধান্য দিন। এতে দোষের কিছুই নেই। আপনার প্রেমিক/প্রেমিকা আপনার বন্ধুবান্ধব ছাড়তে বলছেন না, শুধু তার কথার প্রাধান্য একটু বেশি দিতে বলছেন। যদি আপনার প্রেমিক বা প্রেমিকা আপনাকে তার বন্ধু বান্ধবের চাইতেও কম প্রাধান্য দিয়ে থাকেন তবে এটি একটি লক্ষণ।

তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: বাদামের নানা গুণ
Previous Health Tips: চুলের তেলতেলে ভাব দূর করতে

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')