সম্পর্ক ভেঙে যায় কিন্তু ১২টি ব্যপার জানিয়ে দিয়ে যায়
18 June,14
Viewed#: 322
.jpg)
ডিভোর্স যে কোন মানুষের যে কোন কারণে হতে পারে। বর্তমান এই যুগে এর পরিমাণও অনেক বেড়ে গেছে। আর গবেষণায় দেখা গিছে এই ডিভোর্স মহিলারাই বেশি দিয়ে থাকে। কিন্তু ডিভোর্স যখন হয়েই যায় সেই ডিভোর্স আমাদেরকে কিছু শিক্ষাও দিয়ে যায় বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে। প্রশ্ন আসছে সেগুলো কি তাই তো?
# বিয়ের পরিকল্পনা করার আগে বিয়ের পরের চিন্তা বেশি করা উচিত। বিয়ের আগে বিয়ে সম্পর্কে জানতে হবে।
# বিয়ে মানে দায়িত্ব, বন্ধুত্ব, বিশ্বাস, ভালোবাসা, সততা, প্রতিশ্রুতি, এবং সবকিছু ভালোভাবে চালিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা। প্রত্যেক সম্পর্কই সহজ এবং সুন্দর ভাবে শুরু হয় কিন্তু কিছুদিন পর হয়তো কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে, তার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।
# সম্পর্ককে সহজ এবং প্রাণবন্ত রাখতে হবে। যখন কোন সম্পর্কে একঘেয়েমি চলে আসে তখন সে বিয়ের সম্পর্ককে সম্মানের সাথে চালিয়ে নেয়া কষ্টকর হয়ে পরে।
# একটু দেরীতে বাচ্চা নেয়ার চেষ্টা করুন। কয়েক বছর আগে নিজেদের জানার চেষ্টা করা উচিত। আর বাচ্চা হয়ে গেলে সপ্তাহে অন্তত একবার বাইরে ঘুরতে যাওয়া উচিত। এতে নিজেদের মাঝে কোন দুরুত্ব সৃষ্টি হবে না।
# আপনাকে কেউ ভালোবাসলেই যে সে বদলে যাবে তা কখনও প্রত্যাশা করা করা উচিত না কারণ এতে কষ্ট বাড়ে। শুধুমাত্র ভালোবাসার জন্য নিজেকেও বাদলানো উচিত না।
# পরিবার অথবা বন্ধু বান্ধবদের কাছাকাছি বাসা নেওয়া উচিত। যাতে যখনই খারাপ লাগবে তখনই তাঁদের সাথে সময় কাটানো যায়।
# বিয়ের পরে কি করবেন? কোথায় থাকবেন? কে কোন দিকটি খেয়াল রাখবেন? কয়টি বাচ্চা নিবেন? কোথায় ছুটির দিন কাটাবেন? এই সব প্রশ্নের উত্তর গুলো প্রথমেই জেনে নেওয়া উচিত।
# দুজন দুজনকে সম্মান করতে হবে। এমনকি চিন্তা ভাবনা, কাজ প্রত্যেক ক্ষেত্রে। কখনও দুজনের সমস্যার মাঝে তৃতীয় কাউকে রাখা যাবে না, এতে সমস্যা কমে না বরং বেড়ে যায়। বিয়েটা দুজনের সারা জীবনের সম্পর্ক, এখানে বাইরের তৃতীয় কারো স্থান নেই।
# শুধু নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকলে হবে না, পরিবার জীবনের বাইরে কিছু সময় কাটালে তা আপনার পরিবার জীবনকে আরো মজবুত করে তুলবে এবং বিয়ে ব্যপারটি একঘেয়েমি পর্যায়ে চলে যাবে না।
# আজ যা আপনার কাছে ভালো বলে মনে হচ্ছে তা ভবিষ্যতে সেরকম নাও লাগতে পারে। তাই সময়ের সাথে সাথে ব্যপারগুলোর সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে। কারণ সময়ের সাথে বিভিন্ন অবস্থায় আপনার সঙ্গী কিভাবে বদলাবে সে সম্পর্কে আগে থেকে জানা একেবারেই অসম্ভব।
# ছোট্ট একটি মিথ্যা কথাও বৈবাহিক জীবনে অনেক বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। তাই যতই ভয় অথবা সঙ্কোচ হোক না কেন সত্যিটা বলে দিতে হবে। ধোঁকা বিবাহবিচ্ছেদের চেয়ে মিথ্যা বলাটা অনেক বেশি কষ্ট দেয়।
# সম্পর্ককে ধরে রাখতে হলে তাকে লালন করতে হয়। দুজন দুজনকে সব সময় মনে করিয়ে দিতে হবে কেন দুজন একসঙ্গে থাকছেন। নিজেদের বুঝতে হবে আপনারা জীবনসঙ্গী।
সূত্র - ঊর্বশী ডটকম