home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

এই গরমে কী খাবেন
২৬ এপ্রিল, ১৪
Tagged In:  summer health care  summer food  
  Viewed#:   88

summer-foodসারা বছরের খাদ্য তালিকা এক রকম থাকে না। তা ছাড়া বয়স, স্বাস্থ্য, পারিবারিক অবস্থা, চাহিদা, সময়, পছন্দ-অপছন্দ ইত্যাদি অনুযায়ী খাবারের তালিকা একজনের চেয়ে অন্যজনের ভিন্ন। কিন্তু আসল কথা হলো, সুষম খাদ্য খাওয়া আমাদের জন্য জরুরি। তাই গরমকালেও তার ব্যতিক্রম হয় না।

গরমে পানীয়
একজন স্বাভাবকি পূর্ণ বয়সের মানুষকে গরমকালে কমপক্ষে তিন থেকে সাড়ে তিন লিটার পানীয় পানের প্রয়োজন। এর মধ্যে বেশির ভাগই থাকবে নিরাপদ পানি। তারপর শরবত (চিনি বা গুড় ও লেবুর তৈরি, ইসবগুলের বা বেলের শরবত), ফলের রস (আমের রস, তরমুজের রস), জুস, লাচ্চি (যা খুব বেশি ঠাণ্ডা হবে না), হালকা গরম চা বা কফি, হালকা গরম পাতলা স্যুপ, ডাবের পানি, কোল্ড চা বা কফি এবং ক্ষেত্র বিশেষে খাবার স্যালাইন।

সকালের খাবার
সকালে নাশতা হিসেবে দই-চিঁড়া, ছোলা ভেজানো (চিনি বা গুড় দিয়ে মেখে খাবেন), ছোলার ছাতু, রুটি। এর সাথে গ্রীষ্মকালীন ফল যেমন- আম, অল্প পরিমাণে কাঁঠাল, কলা খেতে পারেন।

দুপুরের খাবার
দুপুরে ভাত, প্রচুর শাকসবজি, ছোট-বড় মাছের হালকা রান্না, ডাল খেতে পারেন। যেদিন মাছ খাবেন না সেদিন মাংস বা ডিম খেতে পারেন। তবে যাই খান না কেন সালাদ কিন্তু থাকবেই।

সন্ধ্যার খাবার
সন্ধ্যায় শবরত বা চা কফির পাশাপাশি রসালো ফল যেমন- তরমুজ, জামরুল, শসা খেতে পারেন। সে সময়ে দুধের তৈরি পরিমাণমতো মিষ্টিও খেতে পারেন।

রাতের খাবার
গরমে রাতে ভাত বা রুটি সাথে মাছ, সবজি, ডাল বা দুধ-আম খেতে পারেন অল্প পরিমাণে। ভাত খেলে এক কাপ পরিমানে খাবেন। 

এই গরমে কিছু টিপস

১. আপনি অন্তত দিনে দু'বার ভালো গোসল করতে পারেন।

২. গোসলের পর পাউডার, ডিওডেরেন্ট ব্যবহার করতে পারেন।

৩. গরমে বন্ধ জুতা বা মোজা থেকে পায়ে গন্ধ হলে নিমপাতা ও হলুদ একসাথে বেটে পায়ে লাগান, শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন।

৪. রোদে যাওয়ার সময় সানস্ক্রিন, সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন।

৫. বাইরে বের হওয়ার সময় ঢিলেঢালা আরামদায়ক কাপড়, হালকা রঙের পোশাক পরম্নন ও অতিরিক্ত সাজগোজ পরিহার করম্নন।

৬. একই কাপড়-চোপড় না ধুয়ে বেশি দিন ব্যবহার করবেন না।

৭. প্রচুর পরিমাণে তরল খাবার ও পানীয়, রসালো খাবার (তরমুজ) ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করুন।

৮. সন্ধ্যার দিকে খোলা মাঠে ঘুরতে যেতে পারেন। সে সময়কার বাতাস আপনাকে আরাম দেবে।

৯. টেনশন, উদ্বেগ পরিহার করুন, ফুরফুরে হালকা মেজাজে থাকুন।

সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: গরমে হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে যা করবেন
Previous Health Tips: ইনসমনিয়া? ওষুধ ছাড়া ঘুম আনার সাত পরামর্শ

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')