home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

একটোপিক প্রেগনেন্সির সাতকাহন
২২ মার্চ, ১৪
Tagged In:  ectopic pregnancy  pregnancy care  
  Viewed#:   262

ectopic_pregজরায়ুতে নির্দিষ্ট জায়গায় না গেঁথে ভ্রূণ যদি অন্যত্র স্থাপিত হয় তাকে বলে একটোপিক প্রেগনেন্সি। প্রায় ক্ষেত্রে এই বিপজ্জনক ব্যাপারটা ঘটে ডিম্বনালিতে। ডিম্বকোষ, জরায়ুমুখ অথবা আভিক্স এমনকি পেটের ভিতরেও একটোপিক প্রেগনেন্সি হতে পারে। প্রতি ২০০ জনের মধ্যে অন্তত একজনের একটোপিক প্রগনেন্সি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এটা আগে থেকে বোঝা যায় না। তাই সতর্কতা দরকার। কারণ যথেষ্ট পরিমাণ রক্তক্ষরণের আশঙ্ক থাকে। সেই সময় সতর্কতা না নিলে মায়েরও মৃত্যুঝুঁকি থাকে। আল্টাসনোগ্রাফি করলেই ঠিক কোথায় একটোপিক প্রেগনেন্সি হয়েছে তা ধরা পড়ে। 

 
রোগীর মনে প্রশ্ন জাগতে পারে একটোপিক প্রেগনেন্সিতে কেন এমন হচ্ছে? এর কারণ হলো ওভারি থেকে এগ রিলিজ হওয়ামাত্রই এটা লুফে নেয় ফ্যালোপিয়ন টিউব। এখানেই ডিম্বাণু মিলিত হয় স্পার্মের সঙ্গে। যে ভ্রূণ তৈরি হয় তার নির্দিষ্ট গতিপথ টিউব থেকে ইউটেরাসের ভেতরে। পূর্ববর্তী সার্জারির কারণে অনেক মহিলার ফ্যালোপিয়ন টিউবে ত্রুটি থাকে। 

অ্যাপেন্ডিসাইটিস বা ওভারিয়ন সিস্টেকটমি অপারেশনের পর এই ত্রুটিটা বেশি হয়। সাবধান হওয়া উচিত, যদি কারও পূর্ববর্তী কোনো একটোপিক প্রেগনেন্সির কোনো ঘটনা থাকে।Ekatopika-pregnancy ঝুঁকি বাড়ে ১০ থেকে ২০% পেলভিক ইনফেকশন। পেট বা পেলভিসে সার্জারি একটোপিকের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। এ ছাড়াও দেখা গেছে, ইন্ট্রা-ইউটেরাইন কন্ট্রাসেপটিভ ঝুঁকি বাড়াতে পারে এক্ষেত্রে। 

এর লক্ষণ আর উপসর্গের ক্ষেত্রে অনেক তারতম্য রয়েছে। পজিটিভ প্রেগনেন্সি টেস্ট, হালকা ভ্যাজাইনাল বি্লডিং। বি্লডিং শুরু হওয়ার আগে তলপেটে মৃদু ব্যথা হয়। ধীরে ধীরে ব্যথার তীব্রতা বাড়ে। প্রাথমিক এ সব উপসর্গ কমে গিয়ে কয়েকদিন পরে আবার শুরু হতে পারে। ইন্টারনাল বি্লডিংয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে কাঁধের ডগা অবধি ব্যথা বাড়তে পারে। রোগী মূচ্র্ছা যেতে পারে। রোগীর চোখ-মুখ ফ্যাকাসে হয়ে প্রচণ্ড দুর্বলতা অনুভব করে। রোগীর ব্লাড প্রেসার কমে যায় এবং শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যায়। ল্যাপারোস্কপিতে সরাসরি বোঝা যায় এবং ডিএন্ডসি করা হলে জরায়ুর মধ্যে ভ্রুণের অনুপস্থিতর প্রমাণ পাওয়া যায়। 

সার্জারি ব্যতীত একটোপিক প্রেগনেন্সি চিকিৎসার অন্য কোনো উপায় নেই। কখনো ভ্রূণসহ টিউব বাদ দিতে হয়, না হলে শুধু সাইট থেকে একটোপিক প্রেগনেন্সিটা বের করে নিতে হয়। ল্যাপারোস্কপির সাহায্যে সহজেই ঠিক করে নেওয়া যায়। এতে সম্ভব না হলে ওপেন সার্জারি করা হয়।

সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ওজন বাড়ার অদ্ভুত ও অজানা কারণ
Previous Health Tips: এইডস ।। প্রতিরোধেই মুক্তি

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')