অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও যথেচ্ছ ব্যবহার বেড়েই চলেছে। ফলে বাড়ছে রেজিস্ট্যান্ট জীবাণুর সংখ্যা। অ্যান্টিবায়োটিক জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, এর ব্যবহার হওয়া উচিত পরিমিত, সীমিত ও প্রয়োজনে। বাংলাদেশে এখন তা হচ্ছে না। সাধারণ সর্দিজ্বর, ভাইরাসজনিত পাতলা পায়খানার ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো প্রয়োজন নেই। আইন আছে ব্যবস্থাপত্র বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া যাবে না- কিন্তু আমাদের দেশে তা মানা হয় না। প্রায় প্রতিটি ওষুধ দোকানদার ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই যে কোনো ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক রোগীকে সরবরাহ করে থাকেন। সাধারণ ওষুধে এখন আর রক্ত আমাশয়, কলেরা, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া ভালো হয় না।
কো-ট্রাইমোক্সাজল, এমপিসিলিন, এমক্সিসিলিন বা প্রথম জেনারেশন সেফালোসপরিনই যেখানে যথেষ্ট সেখানে দ্বিতীয় বা তৃতীয় জেনারেশন সেফালোসপরিন লেখা হচ্ছে হরহামেশা। এতে ওষুধের অপচয়ের পাশাপাশি অর্থের অপচয় হচ্ছে। দামি অ্যান্টিবায়োটিক লেখা এখন ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের এ ব্যাপারে এখনই সচেতন হতে হবে।
সূত্র - দৈনিক যুগান্তর

