home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

জয়েন্টে আঘাত পেলে কী করবেন
১৭ ডিসেম্বর, ১৩
Tagged In:  pain problem  joint pain  
  Viewed#:   280

joint-painপেশাদার বা শৌখিন খেলোয়াড়দের মাঝে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় বা সামনে ঝুঁকে কাজ করার সময়ও জয়েন্ট আঘাত প্রাপ্ত হতে পারে। গোড়ালি, হাঁটু, কটি, কাঁধ, কনুই, মেরুদণ্ড ও আঙুলের জয়েন্টে আঘাত বেশি লাগে।

উপসর্গ :
প্রথমে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়, পরে সেই ব্যথা কমে আসে।
* জোড়া নড়াচড়া করলে ব্যথা বেড়ে যায়।
* আঘাতের প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যে বা ২-৩ ঘণ্টা পর জোড়া ফুলে যায়।
* ফোলা ও ব্যথার জন্য মুভমেন্ট করা যায় না।
* দাঁড়াতে বা হাঁটতে চেষ্টা করলে মনে হবে জোড়া ছুটে যাচ্ছে বা বেঁকে যাচ্ছে।
* আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তি ‘পপ’ বা ‘ক্র্যাক’ শব্দ শুনতে বা বুঝতে পারে।
* বেশিক্ষণ বসলে, হাঁটু বা পা জোড়া করতে কষ্ট হয় বা আটকিয়ে যায়।
* আঘাত প্রাপ্ত হওয়ার অনেক দিন পর জোড়া ফুলে যেতে পারে, ধীরে ধীরে সেই ফোলাভাব কমে আসে। এক সময় ভালো হয় এবং কিছুদিন পর আবার ফুলে ওঠে- এভাবে চলতে থাকে।
* দীর্ঘদিন ধরে ইনজুরি থাকলে পেশি শুকিয়ে যায় এবং জোড়ায় শক্তি কমে যায়।
* উঁচু নিচু জায়গায় হাঁটা যায় না, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করতে এবং বসলে উঠতে কষ্ট হয়।
* কাঁধ ও কনুই ইনজুরির জন্য কাত হয়ে ঘুমানো, পিঠ চুলকানো, জামার বোতাম লাগানো, চিরুনি দিয়ে মাথা আঁচড়ানো ও হাত দিয়ে ওজন তোলা যায় না।

জরুরি চিকিৎসা :
জোড়াকে পূর্ণ বিশ্রামে রাখতে হবে।

বরফের টুকরা টাওয়ালে বা ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি প্লাস্টিকের ব্যাগে নিয়ে লাগালে ব্যথা ও ফোলা কমে আসবে। প্রতি ঘণ্টায় ১০ মিনিট বা দুই ঘণ্টা পর পর ২০ মিনিট অনবরত লাগাতে হবে। এ পদ্ধতি আঘাতের ৪৮-৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত চলবে।

জোড়ায় ইলাসটো কমপ্রেসনবা স্পি­ন্ট ব্যবহারে ফোলা ও ব্যথা কমে আসে।

জোড়ার নিচে বালিশ দিয়ে উঁচু করে রাখলে ফোলা কম হবে।

কোমরে সাপোর্ট বা কোরসেট ব্যবহার করতে হবে।

এনালজেসিক বা ব্যথানাশক ও দরকার হলে এন্টিবায়োটিক ওষুধ সেবন করতে হবে।

হাড় ভাঙলে বা জোড়া স্থানচ্যুতি হলে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে।

চিকিৎসা :
প্রাথমিক চিকিৎসায় রোগীর ব্যথা ও ফোলা সেরে ওঠার পর, জোড়ার বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমে কোনো লিগামেন্টে, পেশিতে বা মেনিসকারে ইনজুরি রয়েছে কিনা তা নির্ণয় করতে হবে। কখনও কখনও এক্স-রে ও এমআরআইয়ের সাহায্য নিতে হয়।

সূত্র – যুগান্তর.কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: মেয়েদের স্তন ক্যান্সার
Previous Health Tips: মেয়েদের ফারটাইল পিরিয়ড ও সেফ পিরিয়ড

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')