গলাব্যথায় ৬ পরামর্শগরম, ঘাম, ঢক ঢক করে ঠান্ডা পানি খাওয়া আর ঠান্ডা পানি দিয়ে বারবার গোসল—এ সময়ে এই সবকিছু মিলে চট করে লেগে যাচ্ছে ঠান্ডা৷ এর ফলে গলাব্যথা, খুক খুক কাশি, জ্বর৷ সোর থ্রোট বা গলাব্যথা সবচেয়ে বেশি আক্রমণ করে ঠিক এই সময়টাতে—এপ্রিল-মে মাসের দিকে৷ কণ্ঠনািলতে সংক্রমণ হয়, প্রদাহ হয়, অনেক সময় টনসিল এবং অন্যান্য গ্রন্থি ফুলে যায় ও ব্যথা করে৷ কারও কারও কণ্ঠস্বরও ফ্যাসফেসে হয়ে যায়৷ এসব সমস্যার জন্য এই সময়ে তৈরি থাকুন৷
দিনে দুবার গার্গল
গবেষণায় প্রমাণিত যে কুসুম গরম লবণপানি কেবল জীবাণুকেই ধুয়ে মুছে দেয় না, প্রদাহ ও ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে৷ এক কাপ হালকা গরম পানিতে আধা চামচ লবণ মেশান, তেতো বা বিস্বাদ লাগলে এতে কয়েক ফোঁটা মধুও মেশাতে পারেন৷ তারপর দিনে দুই বা তিনবার গার্গল করুন এটা দিয়ে৷
প্রচুর তরল খাবার
হাঁচি, কাশি ও গলার ভেতর প্রচুর তরল পদার্থ নিঃসরণের জন্য শরীর খানিকটা পানিশূন্য হয়ে পড়ে৷ তাই প্রচুর পানি ও তরল খান৷ ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলুন৷ গলার প্রদাহে চমৎকার কাজ দেয় ধোঁয়া ওঠা গরম স্যুপ৷
প্রদাহ কমানোর লজেন্স
মেনথল, ইউক্যালিপটাস বা ফেনলসমৃদ্ধ কিছু লজেন্স পাওয়া যায়, যা চুষে খেলে প্রদাহ ও ব্যথা অনেকটাই কমে৷ এগুলো মূলত ক্লোরোসেপটিক অর্থাৎ গলায় একটা আরামদায়ক অনুভূতি এনে দেওয়ার পাশাপাশি জীবাণুনাশেও সাহায্য করে৷
কয়েক কাপ চা
দিনে দুই বা তিনবার গরম চা আপনাকে অনেকটা আরাম দিতে পারে৷ িগ্রন টি বা অন্য কোনো হারবাল চা আরও ভালো৷ চাইলে চায়ের মধ্যে লেবুর রস বা লবঙ্গজাতীয় জিনিস যোগ করুন, যা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে৷
চাই বিশ্রাম
যথেষ্ট পরিমাণে বিশ্রাম আপনাকে দ্রুত সেরে উঠতে সাহায্য করবে৷ দরকার হলে কাজ থেকে ছুটি নিন, অবকাশ যাপন করুন৷ কণ্ঠস্বর পরিবর্তিত হলে কথার বিরতি নিন৷
ওষুধপত্র
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল বা বেদনানাশক ওষুধই যথেষ্ট৷ তবে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে গলায় স্ট্রেপটোকক্কাস সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে৷ সে ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক লাগতে পারে৷ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন৷ ওয়েবমেড৷
সূত্র - প্রথম আলো

