home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ব্যাথা নিরাময়ে সম্মোহন, মেডিটেশন, শিথিলায়ন পর্ব-২
১১ অগাস্ট, ১৩
View in English

মানসিক চাপ আর ব্যাথা – এ দুটোগভীরভাবে একে অপরের সাথে জড়িত। মানসিক চাপের কারনে ব্যাথা বা

ব্যাথার কারনে মানসিক চাপ কমাতে কিছুকিছুসাইকোলজিকেল থেরাপি যেমন হিপনোসিস বা সম্মোহন,

মেডিটেশন, রিলাক্সেশন বা শিথিলায়ন খুবই কার্যকর।

আজ আমাদের আলোচনায় থাকছে মেডিটেশন

কিছুসচেতনতামূলক কৌশল অবলম্বন করে মনকে শান্ত আর দেহকে শিথিল করাকে আমরা বলি

মেডিটেশন। তবে প্রধান ২টি কৌশল হচ্ছেঃ অলৌকিক মেডিটেশন আর মনযোগ মেডিটেশন।

অলৌকিক মেডিটেশনঃ

এক্ষেত্রে রোগীকে একই শব্দ বা শব্দমালা বা মন্ত্র বার বার জপ করানো হয়। সেই সাথে তাকে তার

অন্যসব চিন্তা কিংবা অনুভূতি দূরে সরিয়ে দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

মনযোগ মেডিটেশনঃ

এধরনের মেডিটেশনে ব্যক্তির সকল চিন্তা-চেতনা, অনুভূতিকে এক বিন্দুতে কেন্দ্রিভূত করার নির্দেশনা

প্রদান করা হয়। সাধারনত মানসিক চাপ কমানোর কর্মসূচীসমূহে এধরনের মেডিটেশন করানো হয়ে

মেডিটেশনের উপকারীতা

গবেষনায় প্রমানিত যে মেডিটেশনের ফলে ব্যাথার প্রতি সহনশীলতা বাড়ে বা ব্যাথা সহ্য করার ক্ষমতা

বাড়ে। সেই সাথে বাড়ে কর্ম-ক্ষমতা বা দক্ষতার উন্নতি হয়। নিজের সম্পর্কে উচ্চ ধারনা জন্মে। আর

দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ, হতাশা, পেইন কিলার বা ব্যাথানাশকের প্রতি নির্ভরতা কমে।

মাইন্ডফুলনেস বা মনযোগ মেডিটেশনের মাধ্যমে সফলভাবে ব্যাথা কমানো সম্ভব এবং সেই সাথে এর

দ্বারা মেজাজ হবে ফুরফুরে। এধরনের মেডিটেশনের দ্বারা তীব্র-অসহনীয় মাথা ব্যাথা, কোমরের ব্যাথা,

বুকের ব্যাথা কিংবা ক্রনিক পেটের ব্যাথা নিরাময় করা সম্ভব।

মেডিটেশন প্রক্রিয়া

যেহেতুমেডিটেশনের নির্দিষ্ট কোন ফরম্যাট বা কাঠামো নেই, প্রশিক্ষণ পদ্ধতিরও নেই কোন

নির্দিষ্ট অনুসিদ্ধান্ত, তাই প্রশিক্ষক কিংবা ইন্সট্রাক্টরদের কোন আনুষ্ঠানিক সার্টিফিকেট বা

লাইসেন্স নেই। একেক প্রশিক্ষক একেকভাবে সুবিধামত করে নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে মেডিটেশন

কোর্স করিয়ে থাকেন। তবে প্রশিক্ষক নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই দক্ষতা যাচাই করে নেয়া উচিত।

নিয়মিত মেডিটেশনের বেলায় বা প্রতিদিন প্রাকটিসের ক্ষেত্রে প্রতিবার বা প্রতিদিন প্রশিক্ষকের

কাছে যাবার দরকার নেই। কয়েকবার কোর্স করার পর আপনি সেই অনুযায়ী ঘরে বসে নিজেই প্রাকটিস

করতে পারেন। সাম্প্রতিক গবেষনায় দেখা গেছে যে তুলনামূলক স্বল্প ও খুব সাধারন কৌশলের মনযোগ

মেডিটেশন ব্যাথা মুক্ত থাকতে ভীষনরকম কার্যকর।

(পরের পর্বে পড়ুন শিথিলায়ন)

ওয়েবএমডি অবলম্বনে হেলথ প্রায়র ২১।

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: পাকা চুল নিয়ে ভাবছেন?
Previous Health Tips: Hypnosis, Meditation, and Relaxation for Pain Treatment Part-1

আরও স্বাস্থ্য টিপ

কানে কিছু ঢুকে গেলে কী করবেন?

২-৩ বছরের শিশুদের একটা সহজাত প্রবণতা আছে ছোট কোনো জিনিস নিয়ে খেলার সময় নাক, কান বা মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া। বড়দেরও অভ্যাস আছে কোনো কিছু যেমন- কটনবাড, মুরগির পালক, ম্যাচের কাঠি দিয়ে কান খোঁচানো বা চুলকানো। খোঁচানোর সময় কাঠি ভেঙে বা কটন কানে রয়ে যেতে পারে। কী কী জিনিস কানে ঢুকতে পারে *কটন... আরও দেখুন

শিশুর প্রথম দাঁত পড়া

শিশুদের দুধদাঁতকে বলে প্রাইমারি টুথ। সাধারণত ছয় বছরবয়সের দিকে এই দুধদাঁত পড়ে যায় এবং এর জায়গায় নতুন স্থায়ী দাঁত ওঠে।মেয়েদের দাঁত সাধারণত ছেলেদের আগেই পড়ে। আর এই দুধদাঁত ক্রমিক হারে পড়েযে ক্রমে প্রথম উঠেছিল। সাধারণত প্রথমে পড়ে সামনের পাটির নিচের দুটি দাঁত, তারপরসামনের ওপরের দুটি,... আরও দেখুন

রমজানের বৈচিত্র্যময় ইফতার কি স্বাস্থ্য ঝুঁকি?

সাম্প্রতিক বছর গুলোতে রমজানে ইফতারের খাবারের ধরণে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারির আয়োজনে থাকছে নানা পদের খাবার, যা মুখরোচক হলেও তার পরিমাণ ও স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা উদ্বিগ্ন। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন সম্প্রতি ইফতার ও সেহরিতে যেসব খাবার খাওয়া হচ্ছে তার... আরও দেখুন

এভয়েডেন্ট পারসোনালিটি ডিজঅর্ডার

মনঃরোগঃ ব্যক্তিত্ব সংকট নারসিসিস্টিক পারসোনালিটি ডিজঅর্ডারের পর আজ আমরা আলোচনা করব Avoidant Personality Disorder  বা বাংলায় বলা যায় “ব্যক্তিত্ব সংকটঃ এড়িয়ে চলার প্রবনতা”। সমাজে অনেক ব্যক্তি আছেন যাদের সামাজিক বিভিন্ন কাজে অংশ নেয়ার প্রবনতা বা ইচ্ছা আছে, কিন্তু... আরও দেখুন

বলিরেখা দূর করার উপায়:

বয়সের সঙ্গে মুখে বলিরেখা পড়ে যায়৷ প্রাকৃতিক কিছু উপাদান আছে যার প্রয়োগে এই বলিরেখা থেকে অনায়াসেই রেহাই পেতে পারেন৷ চলুন সেই উপায়টা জেনে নিই৷ ✤ এক চামচ মধু, এক চামচ বেসন, অল্প হলুদ, 5-6 ফোটা অলিভ ওয়েল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন৷ মুখে ঐ প্যাকটা লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখার পরে ধুয়ে ফেলুন৷... আরও দেখুন

প্রশ্ন: চিনি খেলে কি পেটে কৃমি হয়?

উত্তর: অনেকে বলেন যে চিনি বা মিষ্টি বেশি খেলে কৃমি হয়। কৃমি দেহে বসবাসকারী পরজীবী, যা সাধারণত অন্ত্র বা খাদ্যনালিতে বাস করে ও আমাদের শরীর থেকেই খাদ্য সংগ্রহ করে তারা বেঁচে থাকে। পরিবেশ থেকে কৃমি দেহে প্রবেশ করে অস্বাস্থ্যকর ও অপরিষ্কার খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে। অপরিষ্কার খাবার, দূষিত... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')