রাজবাড়ী আধুনিক সদর হাসপাতালে জলাতঙ্ক রোগের প্রতিষেধক টিকা নেই। ফলে ২৬ আগস্ট থেকে এ রোগের চিকিৎসা কার্যত বন্ধ রয়েছে। এ কারণে বিপাকে পড়েছেন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
হাসপাতালের জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানায়, সদর হাসপাতালে কুকুর, বিড়াল প্রভৃতিতে আঁচড় দেওয়া বা কামড়ানো রোগীর চিকিৎসার জন্য ২০০ প্যাকেট জলাতঙ্ক প্রতিষেধক আসে। এক প্যাকেট থেকে একসঙ্গে চারজনকে এ টিকা দেওয়া হয়। অন্যদিকে প্রতিদিন এ চিকিৎসা নিতে নতুন-পুরোনো মিলে ৮-১০ জন রোগী আসে। এতে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে প্রথম দিন, তৃতীয় দিন, সপ্তম দিন ও ২৮তম দিনে টিকা দিতে হয়। কিন্তু সরবরাহ না থাকায় ২৬ আগস্ট থেকে প্রতিষেধক দেওয়া বন্ধ রয়েছে।
রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নে বড়লক্ষ্মীপুর গ্রামের আমজাদ সরদার জানান, তাঁর ছেলে আমিন সরদারকে (১১) কুকুর কামড় দেওয়ার পর হাসপাতালে নেন। কিন্তু সেখানে সরকারি টিকা না থাকায় বাইরে থেকে কিনে এনে ছেলের চিকিৎসা করা হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ করেন পাশের গ্রামের বড়চরবেণীনগর গ্রামের হোসেন প্রামাণিক।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) বলেন, হাসপাতালে টিকাসরবরাহ করা হলে আবারও আগের মতো চিকিৎসা দেওয়া হবে।
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন নূরুল আমীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে প্রতিষেধক না থাকায় আমাদের এই সেবা দেওয়া বন্ধ ছিল।বরাদ্দ পেলে আবারও ওই রোগের স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হবে।’
সুত্র - প্রথম আলো

