ল্যাপটপ, ট্যাব, কম্পিউটার, মুঠোফোন—এসব প্রযুক্তিপণ্য এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনেরই অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তির অগ্রগতিতে দিন দিন কাগজ-কলমের ব্যবহার কমছে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ কিংবা অফিসের কাজে। বাড়ছে ডিজিটাল পদ্ধতির ব্যবহার। কিন্তু কাগজ-কলমের পরিবর্তে এসব ডিজিটাল মাধ্যম আমাদের স্মরণশক্তির জন্য সহায়ক নয় বলেই সম্প্রতি দাবি করেছেন গবেষকেরা।
আজ শনিবার ডেইলি মেইল-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, আমাদের জীবনের খুঁটিনাটি ঘটনাপ্রবাহ রেকর্ড রাখার জন্য ডিজিটাল যন্ত্রের অভাব নেই। কিন্তু আমার যদি সত্যিকার অর্থে কোনো কিছু ভালোভাবে স্মরণে রাখতে চাই, তাহলে ফিরে যেতে হবে সেই পুরোনো কাগজ-কলম নির্ভরতার কাছেই। কারণ স্মৃতি-স্মরণে যন্ত্রের চেয়ে কাগজে লিখে রাখাই সর্বোত্তম পন্থা।
মার্কিন গবেষকেরা এ গবেষণা পরিচালনা করেন শিক্ষার্থীদের ওপরে। গবেষণার ফলাফল সাইকোলজিকাল সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, কোনো কিছু স্মরণের ক্ষেত্রে টাইপিংয়ের চেয়ে লিখে রাখাই বেশি কার্যকর।
৬৫ জন শিক্ষার্থীর ওপর গবেষণাটি চালানো হয়। ওই শিক্ষার্থীরা কাগজে ও ল্যাপটপে লেকচার সংরক্ষণ করেন।
আধঘণ্টা পর শিক্ষার্থীদের সংরক্ষণ করা লেকচার স্মরণ করতে বলা হয়। এতে দেখা যায়, লেকচারের ধারণার বিষয়ে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের সাফল্য তাত্পর্যপূর্ণভাবে খারাপ।
অপর দিকে যেসব শিক্ষার্থী কাগজে নোট নিয়েছেন, লেকচারের ধারণা তাঁরা ভালোভাবে অনুধাবন করেছেন।
এ প্রসঙ্গে গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়া প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাম ম্যুলার বলেন, যেসব শিক্ষার্থী কলম ও কাগজ ব্যবহার করেছেন, পরে তাঁরা অধিক তথ্য স্মরণ করতে পেরেছেন।
সূত্র - প্রথম আলো

