নিউমোনিয়া শিশুদের জন্য একটি আতঙ্কের নাম। বড়দের তুলনায় শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার ফলে অনেক সময় নিউমোনিয়া শিশুর মৃত্যুর কারণ হতেপারে। মূলত নিউমোনিয়া ফুসফুস এবং শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত প্রদাহ হলেও ভাইরালইনফেকশন এবং ব্যাক্টেরিয়া থেকে নিউমোনিয়া হবার প্রবণতা বেশি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এ টি এমআতিকুর রহমান বলেন, ‘‘ফুসফুসের ইনফেকশনের নাম হচ্ছে নিউমোনিয়া।ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে নিউমোনিয়া হতে পারে।পরিবেশের উপর ক্ষতিকর কেমিক্যালের যে প্রভাব সেটিও নিউমোনিয়া হবার অন্যতমএকটি কারণ।”
প্রাথমিকভাবে জ্বর, শ্বাস-কষ্ট, বুকের দুধ নিয়মিত খেতে না চাওয়া, এবংস্বাভাবিক খাদ্য গ্রহণে অনীহা শিশুর নিউমোনিয়ার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
নিউমোনিয়ার কারণ নিউমোকক্কাস নামক ব্যাক্টেরিয়াটি সবচেয়ে বিপদজনক শিশুরফুসফুসের জন্য। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশ, যেখানে জনবহুল পরিবেশের কারণেপুষ্টিহীনতা একটি স্বাভাবিক ঘটনা, সেখানে শিশুদের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনাথেকেই যায়।
যখন একটি শিশু নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত হয়, তখন তার অক্সিজেনের ঘাটতি দেখাদেয়। অক্সিজেনের ঘাটতি মানেই শিশুর শ্বাস-কষ্ট। শেষ পর্যন্ত এই শ্বাস-কষ্টমৃত্যুর দুয়ারে নিয়ে যেতে পারে শিশুকে। অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের তুলনায়বাংলাদেশে নিউমোনিয়ায় মৃত্যুহার বেশি।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এখন নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত হবার সময়ও পাল্টে গেছে। এনিউমোনিয়া থেকে শিশুকে মুক্ত রাখার সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে জন্মের পরই ৬মাসবয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো ও জীবাণুমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করাএবং মা ও পরিবারের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।কারণ প্রতিকারের চেয়ে সবচেয়েউত্তম হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ করা। সূত্র: ভোয়া
সূত্র - natunbarta.com

