১. অ্যালার্জিকারক বন্তু এড়িয়ে চলা।
২. ঘরবাড়ি ধুলাবালুমুক্ত রাখার চেষ্টা করা।
৩. ঘরে কার্পেট না রাখা।
৪. বালিশ, তোশক, ম্যাট্রেসে তুলা ব্যবহার না করে স্পঞ্জ ব্যবহার করা।
৫. শীতকালে যথাসম্ভব গরম পানিতে অজু গোসল করা।
৬. ধূমপান না করা।
৭. যেসব খাবারে অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তা পরিহার করে চলা।
৮. ঠাণ্ডা খাবার, আইসক্রিম ইত্যাদি না খাওয়া।
৯. মানসিক চাপ, উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তাকে ইতিবাচক মনোভাবে মানিয়ে নেয়া। কিংবা মানসিক চাপের কারণ এড়িয়ে চলা।
১০. পেশাগত কারণে অ্যাজমা হলে চেষ্টা করতে হবে স্থান বা পেশা পরিবর্তনের।
১১. পরিশ্রম বা খেলাধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট বাড়লে চেষ্টা করতে হবে পরিশ্রমের কাজ পরিহার করা।
১২. পরাগরেণু পরিহারে সকাল-সন্ধ্যা বাগান এলাকায় বা শস্য ক্ষেতের কাছে না যাওয়া।
১৩. পরাগরেণু এলাকা থেকে বাসায় ফিরে মাথার চুল এবং কাপড় ধুয়ে ফেলা।
১৪. সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করা।
১৫. লাল, হলুদ ফল, শাকসবজি নিয়মিত খাওয়া।
১৬. ভিটামিন সি ও ই সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া।
১৭. নিয়মিত সবুজ আপেল খাওয়া।১৮. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা।
সূত্র - নয়া দিগন্ত

