home top banner

Health Tip

হাঁটু ব্যথা: পাল্টে ফেলুন নিজেকে
09 November,13
Tagged In:  knee pain  
  Viewed#:   538   Favorites#:   1

বয়স হলে হাঁটু ব্যথা নিত্য সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায়। বসা থেকে উঠতে, সিঁড়ি ভাঙতে বানামাজ পড়তে গিয়ে যখন-তখন হাঁটু দুটো টন টন করে ওঠে। কখনো শব্দও করে। এইহাঁটুব্যথা সব সময় চিকিৎসা করেও পুরোপুরি সারিয়ে তোলা যায় না, কেবল খানিকটাকমিয়ে রাখা যায়।

আঘাত জনিত ব্যথা
সাধারণত অল্পবয়সীরা আঘাতের কারণে হাঁটুতে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। ক্রুশিয়েটলিগামেন্ট বা হাঁটুর তরুনাস্থি মেনিনকাসে আঘাতের কারণে তীব্র হাঁটুব্যথাহতে পারে। হঠাৎ দিক পরিবর্তন বা সন্ধি মচকে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারেখেলাধুলা বা দৌড়ানোর সময়। বার্সায় আঘাত বা প্রদাহ হলেও হাঁটুব্যথা হতেপারে। বার্সা হলো হাঁটুর বাইরে তরলপূর্ণ থলের মতো। এটি কুশনের মতো কাজ করে ওআঘাত সামলাতে সাহায্য করে।

ব্যথা এবং ফুলে যাওয়া
হঠাৎকরে একটি হাঁটুতে তীব্র ব্যথা, ফুলে যাওয়া, লাল হয়ে যাওয়া বা সঙ্গে জ্বরইত্যাদি সন্ধিতে সংক্রমণ বা সেপটিক আথ্রাইটিসের লক্ষণ। এসব ক্ষেত্রে সন্ধিথেকে খানিকটা রস বের করার পর পরীক্ষা করে দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রারঅ্যান্টিবায়োটিক খেতে হতে পারে। গেঁটেবাত বা গাউটের কারণেও সন্ধি লাল হয়েফুলে যেতে পারে। গেঁটেবাতের চিকিৎসা কিন্তু ভিন্ন, অবশ্যই অ্যান্টিবায়োটিকনয়। তাই সমস্যা সঠিকভাবে নির্ণয় না করে চিকিৎসা শুরু করা ঠিক নয়।

বয়স জনিত হাঁটু ব্যথা
বয়সবাড়ার সঙ্গে দুই হাঁটুতে যে ব্যথা হয়, তা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেঅস্টিওআথ্রাইটিসের কারণে। এই ব্যথা হাঁটু ভাঁজ করা বা নড়াচড়া করলে বাড়ে, সাধারণত ততটা ফুলে বা লাল হয়ে যায় না, তবে কখনো কট কট শব্দ হতে পারে।জীবনাচরণে কিছু পরিবর্তন, গরম বা ঠান্ডা ছ্যাঁক, প্রয়োজনে কিছু ব্যথানাশকওষুধ বা ফিজিওথেরাপি হলো এই সমস্যার সমাধান। ইদানীং এই সমস্যায় হাঁটুপ্রতিস্থাপনও করা হয়।

পাল্টে নিন জীবন
অস্টিওআথ্রাইটিসজাতীয় সমস্যায় ব্যথা হয়তো বয়সের সঙ্গে আপনার জীবনের নিত্য সঙ্গী হয়ে উঠতেপারে। কিন্তু একে মেনে নিয়ে বরং পাল্টে ফেলুন নিজের জীবনটাকে। অতিরিক্ত ওজননিয়ন্ত্রণ করুন ও স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখুন। হাঁটু ভাঁজ করে কাজ করবেন না, মেঝেতে, পিঁড়িতে বা নিচু মোড়া জাতীয় আসনে বসবেন না। অনেকক্ষণ একনাগাড়েদাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। উঁচু কমোড ব্যবহার করুন। ভারী বস্তু বহন করবেননা। চিকিৎসকের কাছ থেকে পেশির ব্যায়াম শিখে নিন। দিনে দুই-তিনবার গরমছ্যাঁক নিতে পারেন। ব্যথার মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে ফিজিওথেরাপি নিতে পারেন।


সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: স্থুলতা কিশোরীদের মারাত্মক সমস্যা
Previous Health Tips: বিড়াল সম্পর্কে ১০ টি মজার তথ্য

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')