
সব ধরনের গাঢ় ত্বকের ধরন কিন্তু একই রকম নয়। কালো ত্বক শুষ্ক বা তৈলাক্ত যে কোনোটাই হতে পারে; ত্বকের ধরন অনুযায়ী তাই ত্বকের যতœ নেয়া প্রয়োজন। কালো ত্বকের জন্য সূর্যরশ্মির প্রভাব ক্ষতিকর। খুব সহজেই কালো আরো কালো বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
যদি ত্বক তৈলাক্ত হয়, তবে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনে তেলবিহীন হালকা ময়েশ্চারাইজার দিনে একবার হালকা ব্যবহার করতে পারেন। আর যদি ত্বক শুষ্ক হয় ও চামড়া ওঠা ভাব থাকে, তাহলে আলফাহাইড্রক্সি, গ্লাইকলিক অথবা ল্যাকটিক এসিডসমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা প্রয়োজন। কালো ত্বকে খুব সহজেই যেকোনো দাগ স্থায়ী হয়ে যায় এবং খুব বেশি ব্রণ হওয়ার প্রবনতা থাকে। তাই ব্রণ কখনো খুটবেন না, মুখের ত্বকে দাগ হলে খুব খারাপ দেখায়। ব্রণ বেশি হলে বা দাগের জন্য ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন। গাঢ় ত্বকের অধিকারীরা অবশ্যই সানস্ক্রিন লাগিয়ে বাইরে যাবেন। নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে আপনার ত্বকে জৌলুশ আসবে এবং ত্বকের রঙ হালকা হবে।
ত্বক ফর্সা করার জন্য যেকোনো প্রসাধনী ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। নানা রকম চটকদার বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে ত্বকে কিছু ব্যবহার করবেন না। এতে ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। গাঢ় ত্বক ও সুন্দর হয় যদি সে ত্বক কোমল, মসৃণ থাকে।
গাঢ় ত্বকের জন্য কী করবেন
- আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী নিয়ম করে ত্বকের যতœ নেবেন।
- মুখে ব্রণ বা দাগ হলে অবহেলা না করে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
- প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।
কী করবেন না
- ত্বক শুষ্ক হলে দিনে একবারের বেশি ত্বকে কিনজার ব্যবহার করবেন না এবং ত্বক তৈলাক্ত হলে দু’বারের বেশি কিনজার ব্যবহার করবেন না।
- ব্রণ খুটবেন না, এতে ত্বকে স্থায়ী দাগ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- মুখের অবাঞ্ছিত লোম তোলার জন্য কোনো ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করবেন না, এতে দাগ পড়তে পারে।
অবশ্যই মনে রাখবেন আপনার ত্বক যদি হঠাৎ কালচে হয়ে যায় কিংবা কালচে ছাপ পড়ে, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ কালো হওয়া স্থায়ী হয়ে যেতে পারে। এ ব্যাপারে প্রসাধন ব্যবহারেও সতর্ক থাকতে হবে।
সূত্র - দৈনিক নয়া দিগন্ত

