সালাদেও ওজন বাড়ে!
02 June,14
Viewed#: 212

ওজন কমানোর জন্য দুপুরে ভাত না খেয়ে কেবল সবজি বা ফলের সালাদ খেতে শুরু করেন কেউ কেউ। বয়স ত্রিশের কোঠায় পৌঁছেছে। ওজন বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে সতর্ক হয়ে নিয়মিতই এই রুটিন মেনে চলতে পারেন কেউ কেউ। কিন্তু ভাত না খেয়ে সালাদে কী ফল পাওয়া যাবে ওজন যদি বাড়তেই থাকে! সালাদ সে ঘরে বানানোই হোক কিংবা রেস্তোরাঁয় তাতে এমন কিছু থাকা চলবে না, যাতে অতিরিক্ত ফ্যাট বা চর্বিজাতীয় উপাদান আছে।
দেখতে যত মনোহর আর খেতে যত সুস্বাদুই হোক অনেক রেস্তোরাঁর সালাদের ড্রেসিংয়ে যে পরিমাণ মেয়নেজ, পনির, বাদাম ইত্যাদি থাকে তাতে ক্যালরির পরিমাণ এক হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। অর্থাত্ ওজন বাড়া বা মুটিয়ে যাওয়া এড়াতে আপনি যেসব খাবার বাদ দিচ্ছেন সালাদও পড়তে পারে সেই তালিকায়! গাজর ও লেটুস পাতার সঙ্গে বাদামের মাখন খেতে সুস্বাদুই বটে কিন্তু পরিমাণে বেশি হলে আর নিয়মিত খেতে থাকলে এতেও বেড়ে যেতে পারে ওজন। এ ছাড়া আজকাল সালাদেও থাকে বারবিকিউ ড্রেসিং। এভাবে সালাদ খেলে তা উপকারের চেয়ে ক্ষতিই ডেকে আনতে পারে অনেকের জন্য।
আসলে সালাদের কথা মনে এলে অনেকেই লাফিয়ে ওঠেন। অনেকেই ভাবেন যে সালাদের সঙ্গে সব ভালো ভালো আর স্বাস্থ্যকর উপাদান খেতে হবে। ফলে সালাদের সঙ্গে সবকিছুই অর্ডার দেন তাঁরা। সবজির সালাদের সঙ্গে মুরগি ভাজা, পনির আর নানা জাতের বাদাম বেশি পরিমাণে খাওয়া ঠিক হবে না। এ ছাড়া অনেক রেস্তোরাঁর সালাদে নানা ধরনের লবণ মেশানো থাকে। এমন অনেক লবণে উচ্চমাত্রায় সোডিয়াম থাকে যা হূদরোগীদের জন্য ক্ষতিকর।
সালাদে জন্য শসা, টমেটো, গাজর, লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, বাঁধাকপি, শিম, লাল মরিচ, মিষ্টি আলুসহ নানা তাজা সবজি খেতে পারেন। আর যতটা সম্ভব কম ড্রেসিং করে খেতে হবে এই সালাদ। বড় এক বাটি সালাদে বড়জোর এক টেবিল চামচ হতে পারে এই পরিমাণ।
সূত্র - প্রথম আলো