home top banner

Health Tip

ঘাড়ের কালো দাগ দূর করুন ৪টি প্রাকৃতিক উপায়ে
03 April,14
Tagged In:  neck care  skin care  
  Viewed#:   366

neck careখুব শখ করেই শাড়ি পরেছেন আজ, হয়তো দাওয়াত আছে একটা সন্ধ্যায়। কিন্তু আয়নায় নিজেকে ভালো ভাবে দেখতেই চোখে পড়ে গেলো আপনার ঘাড়ের কালো দাগ গুলো। কালচে ঘাড়ের কারণে সব সময়েই বেশ অস্বস্তিতে থাকতে হয় আপনাকে। আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয় মনের মধ্যে এই দাগ গুলোর জন্য। কী করবেন এই দাগ কমানোর জন্য?

 
ঘাড়ের কালো দাগ নিয়ে অনেকেই বেশ চিন্তিত থাকেন। খুব সুন্দর সাজ পোশাকে নিজেকে সাজানোর পরেও ঘাড়ের কালো দাগের জন্য সব মাটি হয়ে যায়। বিশেষ করে নারীরা গলায় হার পড়ার সময় খুবই অস্বস্তিতে ভুগে থাকেন ঘাড়ের বিচ্ছিরি কালো দাগের জন্য। পুরুষরাও গোল গলার গেঞ্জি পড়তে অস্বস্তিবোধ করেন কালচে দাগের জন্য। ঘাড়ের কালচে দাগ কোনো স্থায়ী সমস্যা নয়। চেষ্টা করলেই এই দাগ কমিয়ে ফেলা সম্ভব। আসুন জেনে নেয়া যাক ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার ৩টি কার্যকরী উপায় সম্পর্কে।

লেবুর রস ও গোলাপ জল
ঘাড়ের কালো দাগ দূর করতে লেবুর রসের বিকল্প নেই। লেবুর রস প্রাকৃতিক ব্লিচের কাজ করে। নিয়মিত লেবুর রস ব্যবহারে যে কোনো কালো দাগ ধীরে ধীরে হালকা হয়ে যায়। ঘাড়ের কালো দাগ দূর করার জন্য প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সম পরিমাণ লেবুর রস ও গোলাপজল মিশিয়ে ঘাড়ের কালো দাগে লাগিয়ে ঘুমিয়ে পরুন প্রতিদিন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে এক মাস ব্যবহার করলেই পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন।

অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারীর রস যে কোনো দাগ হালকা করে। অ্যালোভেরা থেকে তাজা রস বের করে ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এভাবে প্রতিদিন অ্যালোভেরার রস ব্যবহার করলে ঘাড়ের কালো দাগ দূর হয়ে যাবে।

আলুর রস
আলুর ও আছে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান। তাই আলুর রস ঘাড়ের কালো দাগ দূর করতে ভূমিকা রাখে। আলু কুচি অথবা আলুর রস ঘাড়ে লাগিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ঘাড়ের কালচে ভাব দূর হয়ে যাবে।

শসার রস
শসার রস কালো দাগ দূর করতে বেশ কার্যকরী। শসার রস ত্বকের হারানো রঙ ফিরে পেতে সহায়তা করে। শসার রস ত্বকের মরা কোষ দূর করে ত্বককে করে তোলে উজ্জ্বল ও সুন্দর। শসা মিহি কুচি করে নিন অথবা ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর ঘাড়ের কালো দাগের উপর কয়েক মিনিট ভালো করে ঘষে ঘষে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: কষ্ট না করেই কিভাবে ওজন কমাবেন
Previous Health Tips: প্রতিদিন যে ৫টি ভুলে আপনি হারাচ্ছেন আপনার যৌবন

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')