home top banner

Health Tip

ব্লাকহেড এবং হোয়াইটহেড থেকে মুক্তি উপায়
25 January,14
Tagged In:  skin care  blackheads  
  Viewed#:   327

released-from-black-and-white-spotsসুন্দর এবং পরিস্কার ত্বক বজায় রাখার জন্য দীর্ঘ সময় এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রয়োজন। ত্বক বিশেষজ্ঞরা হয়ত অনেক ধরণের প্রডাক্ট ব্যবহারের সুপারিশ করে থাকবেন, কিন্তু এর কিছু হতে পারে বেশ ব্যয়বহুল এবং তা কার্যকরী হতে বেশ সময় নিতে পারে। আপনার দৈনিক স্বাস্থ্য বিধিতে কিছু গৃহচিকিৎসা যোগ করে আপনি মুখমণ্ডলের কাল এবং সাদা ফুটকি দাগ কয়েক সপ্তাহে দূর করতে পারেন। এর মাধ্যমে আপনি বেশ জোরালো ফল পেতে পারেন অথবা এমনকি এ সমস্যা থেকে পরিপূর্ণ মুক্তিও পেতে পারেন।

* টুথপেস্ট—মুখমণ্ডলের কাল এবং সাদা ফুটকি দাগ দূরকারী একটি কার্যকরী উপাদান হল টুথপেস্ট। মুখমণ্ডলের আক্রান্ত জায়গায় পাতলা করে অন্তত ২৫ মিনিট পেস্ট লাগিয়ে রাখুন। মুখে লাগানোর সময় আপনি হয়ত একটু জ্বলুনি অনুভব করতে পারেন, কিন্তু এটি স্বাভাবিক এবং ঠিক হয়ে যাবে। যখন আপনি টুথপেস্ট ধুয়ে ফেলবেন, আপনার মুখের কালো এবং সাদা ফুটকি দাগ গুলো চলে যাবে, কিন্তু এর পরেও ভেতরে জমে থাকা সবকিছু পরিস্কার করার জন্য আরও ভালো ভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। এ গৃহ চিকিৎসাটি দুই সপ্তাহ ধরে এক দিন অন্তর চালিয়ে যেতে পারেন।
 
* টমেটো—টমেটো’র সংক্রমণ বিরোধী বৈশিষ্ট্য আছে যা কালো এবং সাদা ফুটকি দাগ শুকিয়ে দেয়। একটি ছোট টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে পিষে নিন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে পেষানো টমেটোর পাল্প আপনার মুখের সাদা কালো দাগের উপর লাগিয়ে দিন। ঘুমানোর সময় টমেটোর পাল্প মুখে লাগিয়ে রাখুন এবং সকালে ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
 
* লেবু—কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এরপর একটি বাটিতে একটি লেবুর রস চিপে বের করে রাখুন। এতে এক চিমটি লবন দিয়ে মিশ্রণটি নাড়তে থাকুন। এ মিশ্রণটি আপনার মুখের কালো সাদা দাগের উপর লাগান। মিশ্রণটি মুখে মেখে নিয়ে অন্তত ২০ মিনিট থাকুন এবং তারপর আবার কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
 
* লাইম (এক প্রকারের লেবু)—সম পরিমাণে লাইমের রস এবং দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে তা মুখের সাদা কালো ফুটকি দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন। এভাবে সারারাত রেখে দিয়ে সকালে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন।
 
* কর্নস্টার্চ (ভুট্টা বা চালের ময়দা)—প্রায় তিন অনুপাত এক হিসাবে ভিনেগারের সাথে কর্নস্টার্চ মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এটি আপনার মুখের সমস্যার জায়গায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট মেখে রাখুন। কুসুম গরম পানি এবং ওয়াশক্লথ (washcloth) দিয়ে লাগানো পেস্ট ধুয়ে ফেলুন।
 
* দই—তিন টেবিল চামচ দইয়ের সাথে দুই টেবিল চামচ ওটমিল মেশান। এর সাথে এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং এক টেবিল চামচ লেবুর রস মেশান। মিশ্রণটি ভালভাবে নেড়ে মেশান এবং মুখের আক্রান্ত অংশে লাগান। মিশ্রণটি মুখে পাঁচ থেকে সাত মিনিট রেখে দিয়ে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন।
 
* অ্যালমণ্ড (almond) অথবা ওটমিল—অ্যালমণ্ড অথবা ওটমিল পাউডার  শুধু পর্যাপ্ত গোলাপ জলের সাথে মিশিয়ে একটু তরল পেস্ট তৈরি করুন। প্রথমে আঙ্গুলের ডগা দিয়ে মুখের আক্রান্ত অংশে এটি লাগিয়ে নিন এরপর সমস্ত মুখমণ্ডলে মাখুন। এ অবস্থায় ১৫ মিনিট থাকুন এবং আপনার মুখ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
 
* চাল—দুধের মধ্যে চাল ভিজিয়ে পাঁচ ঘণ্টা রেখে দিন এবং ব্লেন্ডার দিয়ে তা ভালো ভাবে পিষে মিশিয়ে পেস্টের মত করে তৈরি করুন। মিশ্রণটি একটি মাজুনির মত ব্যবহার করে দেহের আক্রান্ত অংশ পরিস্কার করে ফেলুন।
 
* আলু—কাঁচা আলু বেটে নিন এবং মিশ্রণটি আক্রান্ত জায়গায় ঘষতে থাকুন। ১৫ মিনিট পরে এটি ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন।
 
* ফেনুগ্রিক (fenugreek) পাতা—কিছু ফেনুগ্রিক পাতা চূর্ণ করে নিন এবং পানিতে মিশিয়ে একটি মিশ্রণের মত তৈরি করুন। কালো দাগ দূর করতে এটি মাস্ক হিসাবে ব্যবহার করুন।
 
* ধনিয়া পাতা—ধনিয়া পাতার সাথে একটু হলুদের গুঁড়া পানির সাথে মিশিয়ে পেস্টের মত তৈরি করুন। এটি মুখে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন। আপনার ত্বক কালো ফুটকি দাগ মুক্ত রাখতে এটি প্রতি রাতে করুন।
 
* ওটমিল—ব্লেন্ডার ব্যবহার করে ওটমিল চূর্ণ করে নিন এবং এর সাথে একটু গোলাপ জল মেশান। এটি আক্রান্ত অংশে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন।
 
* বেকিং সোডা—সমপরিমাণে বেকিং সোডা ও পানি মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে তা দিয়ে আপনার মুখ বা দেহের অন্য কালো দাগপ্রবণ অংশে ঘষে নিন। এভাবে ১৫ মিনিট রেখে দিন এবং তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন।
 
* মধুও কালো দাগ দূর করার জন্য খুব কার্যকরী। আক্রান্ত অংশে মধু মেখে নিন এবং ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে পরিস্কার করে ফেলুন।
 
মনে রাখবেন—আপনার ত্বকের প্রতি যত্নশীল থাকুন। কখনও এতে চিমটি কাটবেন না, ঘষবেন না, খোঁচাবেন না, মোচড়াবেন না অথবা খুব শক্ত ভাবে চাপ দিবেন না!

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণের রাখতে যা করবেন
Previous Health Tips: প্যারাসিটামল থেকে সাবধান!!!

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')