home top banner

Health Tip

রূপচর্চায় টমেটো
01 March,14
Tagged In:  excellence of tomato  Beauty Care  
  Viewed#:   168

tomato-skin-careটমেটো কেটে মুখে ও ঘাড়ে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক সময়ে ত্বক আদ্র রাখতে এই পদ্ধতি খুবই কাজে দেয়।

ফাইবারের পাশাপাশি টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন। প্রতিদিন কোনো না কোনো কাজে বাইরে বের হতে হয়। গাড়ির ধোয়া, রাস্তার বালু, বায়ুদূষণ সঙ্গে রয়েছে সূর্যের আট্রাভায়োলেট রশ্মি। বেশিরভাগ সময় এসব থেকে ত্বকের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। এই সমস্যা সমাধান করতে পারে টমেটো।

হাতের কাছ থাকা পাকা টমেটো কেটে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অথবা সকালে ঘুম থেকে উঠে হাতে-মুখে ঘষুন। ১০-১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। তাহলেই আপনার ত্বকের অনেক সমস্যা খুব সহজে সমাধান হয়ে যাবে।

দাগ-ছোপহীন উজ্জ্বল ত্বক পেতে কে না চায়। আর সেই ত্বক পেতে টমেটোর ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নিন।

ক্লিনজার: যাদের মিশ্র ত্বক, তারা ক্লিনজার হিসেবে টমেটো ব্যবহার করতে পারেন। টমেটোর রস ৩ চা-চামচ, মধু ১ চা-চামচ, গ্লিসারিন ২ ফোটা ও লেবুর রস কয়েক ফোটা— মিশ্রণটি পুরো মুখে লাগিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ২-৩ মিনিট মালিশ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মুখের ত্বক কত পরিষ্কার দেখাচ্ছে।

সেনসিটিভ বা সংবেদনশীল ত্বকেও ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। তবে মধু বাদ দিয়ে একই ভাবে পরিষ্কার করুন।

টমেটো টোনার: টমেটোর রস, শসার রস, সমপরিমানে মিশিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। দিনে যখনই মুখ পরিষ্কার করবেন তখন একবার পানি দিয়ে মুখ মুছে ‌এই টোনার লাগিয়ে ৫ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।

এই টোনার ত্বক টান টান রাখতে সাহায্য করে।

টমেটোর মশ্চরাইজার: ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। অনন্ত ১ সপ্তাহ ব্যবহার করতে পারবেন।

যতটা টমেটোর রস ততটা অ্যালোভেরার রস এবং ততটুকু গুঁড়া দুধ আর বেশ খানিকটা গোলাপ জল মিশিয়ে ফ্রিজে রাখতে হবে। রাতে শোওয়ার আগে যখন মুখ পরিষ্কার করবেন তখনই এই ময়েশ্চারাইজার মুখে লাগিয়ে ৫-১০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

রোদে পোড়াভাব হাল্কা করতে সাহায্য করে টমেটো। ত্বকের যে জায়াগায় রোদে পোড়ার কারণে কালো হয়ে গেছে সেখানে প্রতিদিন একবার টমেটোর রস লাগান। ১০-১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

রোদে পোড়া ভাব কমতে সময় লাগবে না।

মনে রাখবেন রূপচর্চার ফল একদিনে পাওয়া যায় না। প্রয়োজন নিয়মিত চর্চা।

সেইসঙ্গে শরীরের দুষিত পদার্থ ভালোভাবে বের করার জন্য প্রচুর পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। তাহলে খুব সহজে ত্বকের অনেক সমস্যাই সমাধান হয়ে যাবে।

সূত্র - বিডিনিউস২৪

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: চোখের ডার্ক সার্কেল দূর করতে
Previous Health Tips: আরামদায়ক ঘুমের জন্য...

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')