রান্না করে খাওয়া যায়। খাওয়া যায় কাঁচা অবস্থাতেও। সালাদেও অনেকের প্রিয় টমেটো। টমেটো কিডনির পাথর প্রতিরোধ করে, আরথ্রাইটিস এর ব্যাথা কমায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে। চুলও ভালো রাখে টমেটো। এমন বহু গুণ আছে ফল ও সবজি টমেটোর। আসুন জেনে নিই এমনই কয়েকটি গুণের কথা-
১. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়
এতে থাকে নায়াসিন, ফলেট ও ভিটামিন বি৬ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি সপ্তাহে ৭-১০ কাপ টমেটো খেলে হৃদরোগ অনেকটাই প্রতিরোধ করা যায় । সামান্য তেল দিয়ে রান্না করা টমেটো খেলে উপকার বেশি পাওয়া যায়।
২. সুস্থ রাখে ত্বক
নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক থাকে সুস্থ। এর বেটা ক্যারোটিন সূর্যের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। আর এতে থাকা লাইকোপিন অতিবেগুনী রশ্মির ক্ষতি কমায়। ফলে ত্বকে বলিরেখা পড়ার পরিমাণ কমে।
৩. হাড় শক্ত করে
টমেটোর ভিটামিন কে ও ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত রাখার জন্য দরকারি। আর লাইকোপিন মজ্জার ঘনত্ব বাড়ায়।
৪. ক্যান্সার দূরে রাখে
গবেষণায় দেখা গেছে, টমেটো নিয়মিত খেলে কয়েক ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। বিশেষ করে ফুসফুস, পাকস্থলি ও প্রোস্টেট ক্যান্সার। টমেটোর লাইকোপিন থেকে এই উপকার পাওয়া যায়। রান্না করার পর লাইকোপিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করে খেলে লাইকোপিন শরীরে সহজে শোষিত হয়।
৫. নিয়ন্ত্রণ করে ব্লাড সুগার
টমেটো ক্রোমিয়ামের খুব ভালো উৎস। এই উপাদান রক্তের সুগার লেভেল ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে কম থাকে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা।
৬. চোখ ভালো রাখে
টমেটোতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। রাতকানা রোগের আশঙ্কা দূর করে এবং অনেক দিন পর্যন্ত দৃষ্টি শক্তির অবনতি ঠেকায়।
৭. ডিএনএর ক্ষতি ঠেকায়
টমেটোতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ডিএনএর ক্ষতি ঠেকায়। ফলে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস এবং ডায়াবেটিসের আশঙ্কা কমে যায়।
৮. পুষ্টিতে ভরপুর
এক কাপ তাজা পাকা টমেটোতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, কে, ফলেট ওপটাসিয়াম। আর এর বিপরীতে অনেক কম পরিমাণে থাকে সোডিয়াম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট, কোলেস্টেরল ও ক্যালোরি। টমেটোতে আরও পাওয়া যায় ভিটামিন বি৬, ম্যাগনেসিয়াম, থায়ামিন, নায়াসিন, ফসফরাস ও কপার। এক কাপ টমেটোতে পাওয়া যায় দুই গ্রাম আঁশ। সব মিলিয়ে শরীরের পুষ্টি চাহিদার অনেকখানিই পূরণ করে টমেটো।
সূত্র - poriborton.com

