ডিস্কহচ্ছে মেরুদণ্ডের দুটি কশেরুকার মধ্যবর্তী এক বিশেষ পদার্থ, যা মেরুদণ্ডেরএক হাড়কে অপর হাড় থেকে বিভক্ত রাখে। যাতে একটি আরেকটির সঙ্গে ঘর্ষণ নালাগে এবং স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে। ডিস্কের ভেতরে থাকে নিউক্লিয়াস পালপোসাস, যা জেলির মতো নরম এবং বাইরের অংশে থাকে অ্যানুলাস ফাইব্রোসাস। জেলির মতোঅংশটি যখন বের হয়ে পাশর্্ববর্তী নার্ভ বা স্নায়ুতে চাপ দেয় তখনই ব্যথাপায়ের নিচ পর্যন্ত চলে যায়, একেই ডিস্ক প্রলাস্প বলে। কেউ কেউ একেমেরুদণ্ডের এক আজব ব্যথা বলেও আখ্যা দেন।
লক্ষণ : ভারী জিনিস উত্তোলনকরতে বা হাঁচি অথবা কাশি দিতে কোমরে একটা শব্দ হয়েছে বা টান লাগছে। কোমরেঅসহ্য ব্যথা হয়, পায়ে ছড়িয়ে যায় এবং অনেক সময় শুধু ব্যথা পায়েই অনুভূত হয়।কোমরে ব্যথা নাও হতে পারে। হাঁটলে বা কাজ করলে ব্যথা বেশ বেড়ে যায়, বিশেষকরে রাতে ঘুমেরও ব্যাঘাত হতে পারে। অনেক সময় রোগী পায়ে ঝিনঝিন, অবস ভাব ওদুর্বলতা অনুভব করেন।
সতর্কতা : ডিস্ক প্রলাস্প হলে রোগীকে সম্পূর্ণবিশ্রামে যেতে হবে এবং স্বাভাবিক ফার্ম বিছানা ব্যবহার করতে হবে। ভারীজিনিস উত্তোলন নিষেধ এবং সাধারণ শারীরিক ব্যায়াম অবশ্যই বন্ধ থাকবে।
চিকিৎসা : গবেষণা করে দেখা গেছে, বেশির ভাগ ডিস্ক প্রলাস্পের রোগী ম্যানুয়াল ওম্যানুপুলেশন থেরাপি নিয়ে সুস্থ আছেন। ম্যানুয়াল ও ম্যানুপুলেশন থেরাপিদ্বারা রোগী তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে। হতে পারে সুস্থ ও সবল।
সূত্র - bd-pratidin.com

