home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ঈদের আগে একটু যত্ন
০২ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  skin care  
  Viewed#:   202

মাংস কাটা, ধোয়া ও রান্না করা। আতিথেয়তার পর আবার সব বাসনকোসন ধুয়ে রাখা। এসব করতে গিয়ে ঈদের দিন হাতের অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি। ঈদের আগে থেকেই হাতের ওপর এই ঝক্কি শুরু হয়। তাই এই ঈদে চাই হাত ও নখের বাড়তি যত্ন। অনেকে মনে করেন, আগে যত্ন নিলেও ঈদের দিন কাজ করতে করতে হাতের সৌন্দর্য এমনিতেই কমে যায়। তাঁদের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন কিউবেলার স্বত্বাধিকারী ফারজানা আরমান। তিনি বলেন, ‘যত্ন নিলে যতই কাজ করা হোক না কেন, হাত মসৃণ থাকবে।’এই ঈদে অন্য সময়ের চেয়ে তেল-চর্বির ব্যবহার বেশি থাকে। ফলে নখে তেল-চর্বি জমে যায়। সে কারণে রান্নাঘরে হালকা গরম পানি করে রাখতে হবে। মাংস কাটা ও ধোয়ার পর হালকা গরম পানিতে হাতটা ধুয়ে নিলে চর্বি সরে যাবে। এরপর মৃদু ক্ষারের সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। নখে সবজি বা অন্য কিছুর দাগ পড়লে লেবু দিয়ে হালকা ঘষলেই দাগ চলে যাবে।আর যতবার হাত ধুবেন, ততবারই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। এতে হাতের ত্বক রুক্ষ হবে না।

ফারজানা আরমান মনে করেন, ঈদের অন্তত তিন দিন আগে সৌন্দর্যচর্চাকেন্দ্রে গিয়ে ম্যানিকিওর করতে হবে। শুধু হাতের যত্ন করার কারণে পায়ের সৌন্দর্য কমে যাবে, তা তো হবে না। একই সময়ে পেডিকিওরও করতে হবে। সৌন্দর্যচর্চাকেন্দ্রে যাওয়ার সময় নেই। তাতে কোনো অসুবিধা নেই। বাড়িতেই করতে পারেন ম্যানিকিওর ও পেডিকিওর। একটি ছোট গামলায় হালকা গরম পানিতে লবণ, নারকেল তেল ও শ্যাম্পু দিন। এরপর তাতে ১০ মিনিট হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন। যেহেতু অনেক কাজ করতে হয়, ফলে নখ একটু খাটো করাই ভালো। আর নখ কাটতে চাইলে হাত-পা পানিতে ডোবানোর আগেই কেটে নিতে হবে। বাজারে নখ ফাইল করা ও কিউটিকল পরিষ্কার করার জন্য যন্ত্রপাতি পাওয়া যায়। সেসব কিনে নিলে সহজে ম্যানিকিওর করতে পারবেন। এরপর নরম ব্রাশ দিয়ে হাত-পা ঘষতে হবে। পায়ের গোড়ালি পরিষ্কার করার জন্য ঝামা ব্যবহার করতে হবে। পরিষ্কার হয়ে গেলে লেবু দিয়ে হাত ও পায়ের নখ আলতো করে ঘষে নিন।

চন্দন, মুলতানি মাটি দিয়ে প্যাক বানিয়ে হাত ও পায়ে দিতে পারেন। এতে ঔজ্জ্বল্য বাড়বে। আবার ঈদের দিন সব কাজ শেষে বেসন বা ময়দা দিয়ে হাত-পা পরিষ্কার করা যেতে পারে। তবে রাতে ঘুমানোর আগে ময়েশ্চারাইজার লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

ঈদের দিন নেইলপলিশ দিতে চাইলে স্বচ্ছ রঙের নেইলপলিশ দিতে পারেন। রান্না শেষ হলে পরিপাটি হওয়ার পর মনের মতো রঙে রাঙিয়ে নিতে পারেন নখ।


সুত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: প্রেসক্রিপশন
Previous Health Tips: মানসিক রোগ: বাইপোলার অ্যাফেকটিভ ডিজঅর্ডার

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')