home top banner

Health Tip

সৃজনে বেড়ে উঠুক শিশু
23 August,13
  Viewed#:   229

বাড়ির সদস্য তালিকায় যদি শিশুদের উপস্থিতি থাকে তবে তার বেড়ে ওঠা নিয়ে চিন্তা করতেই হবে। কিন্তুশুধুমাত্র

তাদের খাওয়া দাওয়া চলা ফেরার উপর নজর রাখলেই চলবে না। সেইসাথে নিশ্চিত করতে হবে তাদের মানসিক বিকাশ ও

সুস্থতা। আর এই বিষয়েই আমাদের আজকের আয়োজন।

সৃজনে বেড়ে উঠুক শিশু

:: জীবনযাত্রা ডেস্ক ::

শিশুর বেড়ে উঠা নিয়ে কতই না চিন্তায় থাকেন বাবা-মা। ছোটবেলা থেকেই তাদের মানসিকতা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন

পরিবারের সবাই। আর সেটি লাঘব করতে কিছুটিপস জানা থাকলে কাজটি সহজ হয়ে পড়ে অনেকটা।

সহচর্য : কোনো বাসায় অথবা পার্টিতে গেলে আপনি ও আপনার স্ত্রী বিভিন্ন কথায় মগ্ন হয়ে পড়লেন। সে ফাঁকে

সঙ্গহীন হয়ে পড়ে আপনার সন্তান। বড়রা যেমন বড়দের সঙ্গ পছন্দ করেন তেমনি শিশুরাও সমবয়সীদের সঙ্গটাই

পছন্দ করে। তাই আপনি সাথে থাকলেও একাকীত্বে ভুগতে পারে আপনার শিশু। সেদিকটা নজরে রাখুন।

আবিষ্কারের নেশা : একটুবড় হলেই স্কুল, কোচিংয়ে আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে যায় শিশুরা। কিন্তুতখন হয়ত তার ছবি

আঁকতে ভাল লাগে। ভাল লাগে গান, পাখি আর খোলা মাঠে দৌঁড়ে বেড়ানো। তারা সবচেয়ে পছন্দ করে ঘুরে বেড়াতে।

তাই পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধূলা ও সৃজনশীলতার চর্চা শিশুর মানসিক চাহিদা পূরণ করে। কারণ এই বয়সটাই

আবিষ্কারের। আর এমন আবিষ্কারের নেশাতেই মানসিক বিকাশ ঘটবে।

নয় কোনো শাস্তি : শিশুরা অন্যায়বা ভুল করবেই, তা না হলে আর শিশুকেন তাই না? তাই শিশুরা ভুল করলে তাদের

বুঝিয়ে বলুন। সে কি ভুল করেছে, কেন এটা করা ঠিক না, এটা করার ফলে কি কি হয়েছে। অনেক সময়বুঝিয়ে বলার

পরও শিশুরা একই কাজ বার বার করতে থাকে। এক্ষেত্রে মনে রাখা উচিত যে, আমাদের নিজেদের দ্বারাও কি অনেক

সময়একই ভুলের পুনরাবৃত্তি হয়না? সেক্ষেত্রে শিশুদের জন্য তো এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই ধৈর্য্য ধরে

বোঝানোর চেষ্টা  জারি রাখতে হবে। তাছাড়া সুন্দর করে বুঝিয়ে বলতে পারলে শিশুরা বেশিরভাগ সময়ই সেটা

মেনে চলতে আপ্রাণ চেষ্টা করে।

সবসময় শিশুদের অহেতুক দোষারোপ করবেন না। তাহলে ছোটবেলা থেকেই একটা হীনমন্যতায় ভুগতে শুরুকরবে

আপনার সন্তান।

প্রশংসা করুন, নিজের মূল্যায়ন পেলে শিশুরাও অন্যকে মূল্যায়ন করা শেখে। কিন্তুকখনই কারো সাথে তুলনা করবেন

না। কারণ তুলনা প্রতিযোগিতা বাড়ায়।

শেখান রীতিনীতি : সময়মত শিশুদের সৌজন্যতাসহ অন্যান্য আদব-কায়দা না শেখালে পরবর্তীতে পড়তে হতে পারে

বিব্রতকর পরিস্থতিতে। কথা বলার ক্ষেত্রে মিথ্যা বলা, অহেতুক তর্ক ও কথার মধ্যখানে কথা বলাকে এড়িয়ে যেতে

হবে। তার কথাও আপনাকে মনযোগ দিয়ে শুনতে হবে।

অন্যকে সম্মান করা, প্রথমে দেখা হলে সালাম দেয়া, কিছুচাওয়ার সময়প্লিজ বলা, নেওয়ার সময়ধন্যবাদ বা থ্যাঙ্ক

ইউ বলা এসব আপনাকেই শেখাতে হবে। সে সাথ আরো শেখাতে হবে টেবিলে বা অন্য কোথাও সাজিয়ে রাখা জিনিসপত্র

নষ্ট না করা, হোক সেটা নিজের বাসায়অথবা অন্যের বাসায়বেড়াতে গিয়ে।

নম্র এবং ভদ্র স্বরে প্রথমে আপনি দেখিয়ে দিন, তারপর তাকে কথা বলতে দিন। মনে রাখবেন, শিশুরা অনুকরণ

প্রিয়। তাই তাদেরকে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগুলো ছোটবেলা থেকেই দিন।

সূত্র - poriborton.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: জেসমিন চায়ের গুনাগুন
Previous Health Tips: সুস্থ সম্পর্ক রক্ষায়

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')