সাধারণত আমরা হাসপাতাল বা কোন মেডিক্যাল সেন্টারে গেলে বাচ্চাদের বেড়ে উঠার বিভিন্ন মাইলস্টোন
সম্বলিত পোস্টার দেখতে পাই। কিন্তুশিশুদের যেসব মাইলস্টোন আমরা সচরাচর দেখি তা হল স্বাভাবিক
শিশুদের জন্য। বিশেষ শিশুদের জন্য মাইলস্টোন আমরা খুব কমই দেখতে পাই।
অধিকাংশ মা বাবারা স্বাভাবিক শিশুদের বেড়ে উঠার মাইলস্টোনকে আদর্শ ধরে নেয় এবং তা দিয়েই নিজের
সন্তানের বৃদ্ধিকে বিচার করে। কিন্তু বিশেষ শিশুদের ক্ষেত্রে এই মাইলস্টোন কখনোই খাটবে না। তাদের
বেড়ে উঠার প্রতিটি ধাপ আর ১০ জন শিশু থেকে আলাদা।
তাই হেলথপ্রায়র২১ আপনাদের জানার সুবিধার্থে এনেছে বিশেষ শিশুদের বেড়ে উঠার ১০ টি মাইলস্টোন ও প্রতিটি
১০) প্ল্যান করে ধাপে ধাপে কাজ সম্পন্ন করা
১৮ মাস বয়স -ড্রয়ার বা শেলফ থেকে জামা কাপড় বই পত্র ইত্যাদি সরিয়ে ফেলা, দরজা খুলে বাইরে যাওয়া
অথবা মায়ের বারণ করা কোন কাজ তার অগোচরে করার চেষ্টা করা।
৯) নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা
২ বছর - মা বাবার সাহায্য ছাড়া কোথাও ঘুমাতে পারা।
৮) নিজেই খাওয়া দাওয়া করতে পারা
তিন বছর বয়স - নিজে খেতে পারা, নাক চেপে ধরে ওষুধ বা দুধ খেতে পারা।
৭) নিজেকে কোন কাজ করতে প্রণোদিত করা
তিন বছর বয়স-মা অথবা বাবার হাত ধরে রাস্তায় হাঁটতে পারা।
৬) খেলাধুলায় অনুকরন করা
বয়স সাড়ে পাঁচ- মা-বাবাকে খেলাধুলায় বা বিভিন্ন কাজে অনুকরন করা।
৫) ভাইবোনদের সাথে মেলামেশা
সাত বছর বয়স - নিজের ভাইবোনদের সাথে আরও মেলামেশা করা। নিজের কোন খেলনা ছোট ভাইবোনদের না
দেয়া। চিৎকার করে তা নিজের বলে দাবি করা।
৪) সমবয়সী দলের সাথে খেলাধুলা করা
আট বছর বয়স - বিভিন্ন ব্যান্ড সঙ্গীত শোনা। ভাইবোনদের সাথে বসে বিভিন্ন ভিডিও গেম খেলতে পারা।
সাড়ে আট বছর বয়স - নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করা। বাবা মা ক্লান্ত হলে তাদেরকে ঘুম থেকে না উঠিয়ে
নিজেই কোন কাজ করার চেষ্টা করা।
২) নিজের যত্ন নিতে পারা এবং সৃজনশীল সমস্যার সমাধান করা
এগারো বছর বয়স - হাত পা কেটে গেলে নিজেই অ্যান্টিসেপ্টিক জাতীয় ওষুধ লাগাতে পারা।
১) নিজের শারীরিক যত্ন নিতে পারা
বারো বছর বয়স - সর্দি হলে রুমাল নিয়ে সঠিক নিয়মে নাক ঝারতে পারা।

