home top banner

Health Tip

নবজাতকের গোসল নিয়ে যত ভুল ধারণা
02 August,13
  Viewed#:   420

শিশুদের গোসল করানো নিয়ে আমাদের দেশে প্রচলিত আছে নানা ভ্রান্ত ধারণা ও কুসংস্কার। নানা

নিয়মকানুনও চালু আছে সমাজে। এগুলো সব সময় স্বাস্থ্যসম্মত কি না, জন্মের কত দিন পর কীভাবে

গোসল করানো উচিত ইত্যাদি জেনে নেওয়াই ভালো।

নাভি পড়ার আগে গোসল নয়?

মুরব্বিরা অনেক সময় বলে থাকেন, শিশুর নাভি না পড়া পর্যন্ত গোসল দেওয়া ঠিক নয়। আসলে

এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। স্বাভাবিক ওজনের একটি সুস্থ শিশুকে (ওজন ২.৫ থেকে ৪

কেজি) জন্মের তিন দিন পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই গোসল করানো উচিত। নাভি না পড়লেও গোসল

করানো যায়। কম ওজনের অসুস্থ দুর্বল শিশুর অনেক সময় দেহের তাপমাত্রা বেশি কমে যেতে পারে

বলে আরও দেরি করা যেতে পারে, তা না হলে স্বাভাবিকভাবে একটি নবজাতক শিশুকে পরিচ্ছন্ন ও

জীবাণুমুক্ত করতে তিন দিনের বেশি দেরি করার কোনো অর্থ হয় না।

বেশি গোসল করালে ঠান্ডা লাগে?

নিয়মিত ফোটানো কুসুম গরম পানিতে গোসল করালে শিশুর ঠান্ডা লাগার কথা নয়। বরং আমাদের

এই উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় গোসল না করালেই বরং শিশু অস্বস্তি বোধ করে, বারবার ঘেমে

যায়। ঘাম বসে গিয়ে ঠান্ডা লাগতে পারে। এ ছাড়া অপরিচ্ছন্ন থাকলে চর্মরোগ বা ছত্রাক সংক্রমণ

ইত্যাদিও হতে পারে। যেকোনো আবহাওয়ায় ছোট-বড় শিশুকে প্রতিদিন হালকা গরম পানিতে গোসল

করানো উচিত। কেননা শিশুরা সাধারণত বেশি ঘামে। বৃষ্টির দিন, মেঘলা দিন বা আবহাওয়া ঠান্ডা

থাকলে গোসল করাতে না চাইলে হালকা গরম পানিতে আরামদায়ক সুতি কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে দিন।

গোসলের সময় ও পরপরই ফ্যান বন্ধ রাখুন। গোসল শেষে দ্রুত শুকনা কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে শরীর

মুছে জামাকাপড় পরিয়ে দিন। এতে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা থাকবে না। মাথা ও চুলে যেন পানি জমে না

থাকে, সেদিকেও লক্ষ রাখুন।

গোসলের পানিতে অ্যান্টিসেপটিকের ব্যবহার?

ছোট বা বড় কারোরই গোসলের পানিতে সব সময় ডেটল, স্যাভলন, সেনিটাইজার বা অ্যান্টিসেপটিক

দ্রবণ ব্যবহার করা উচিত নয়। অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণ বা সাবান ত্বকের উপকারী জীবাণু বা

ব্যাকটেরিয়াকেও ধ্বংস করে। ফলে ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ব্যাহত হয় ও ক্ষতিকর

জীবাণুর সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে। তা ছাড়া এগুলো বেশ কড়া রাসায়নিক ও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।

এমনিতে নবজাতক শিশুরা যেহেতু বাইরের ধুলা-ময়লার সংস্পর্শে তেমন আসে না, তাই রোজ সাবান

দেওয়ারও দরকার নেই। সপ্তাহে এক দিন সাবান ও শ্যাম্পু সহযোগে গোসল করাতে পারেন। l

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: আম দুধের শরবত
Previous Health Tips: বিশেষ শিশুদের বেড়ে উঠার ১০ টি মাইলস্টোন

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')