ত্বকের যত্নের অন্যতম ৩টি ধাপ হল – ক্লিনজিং, টোনিং এবং ময়েশারাইজিং, ইংরেজিতে সংক্ষেপে বলা হয় – CTM । গরমকালে এবং বর্ষাকালে আর্দ্রতা বেড়ে যায়। তাই দিনে অন্তত একবার করে পালন করুন – CTM রুটিন।
ক্লিনজিং
এই ধাপটি সব ধরনের ত্বকের জন্য অপরিহার্য। পরিষ্কার ত্বক সুস্থ ত্বকের পূর্ব শর্ত। সবসময় ঘুমাতে যাওয়ার আগে ক্লিনজার তুলোয় নিয়ে মেকাপ এবং মুখের ময়লা পরিষ্কার করুন। আপনার ত্বক বুঝে ক্লিনজার ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অয়েল ফ্রি ক্লিনজার ব্যবহার করুন। ক্লিনজার দিয়ে মেকাপ বা ময়লা পরিষ্কারের সময় হাত দিয়ে চাপ দিয়ে পরিষ্কার করবেন না। যথাসম্ভব মোলায়েম ভাবে ময়লা পরিষ্কার করে নিন। সবসময় লিপস্টিক, চোখের কাজল সব কিছুউঠিয়ে আনার পর ত্বকের উপযোগী ফেস ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
টোনিং
এই ধাপটি তৈলাক্ত এবং ব্রণময় ত্বকের জন্য খুবই কাজে দেয়। তৈলাক্ত ত্বকে মুখের পোরগুলি অনেক বড় হয়। তাই সহজেই ময়লা এবং অন্যান্য কসমেটিক প্রোডাক্ট ত্বকের গভীরে চলে যায়। নিয়মিত মুখ পরিষ্কারের পর এক টুকরো তুলোতে অল্প টোনার নিয়ে ত্বকে আলতোভাবে ঘষুন। টোনার ত্বকের গভীরে রয়ে যাওয়া ময়লা পরিষ্কারে সাহায্য করে এবং মুখের পোরগুলির আকার ছোট করে। সেনসিটিভ ত্বকের জন্য টোনার ব্যবহার না করে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন।
ময়েশ্চারাইজ
যেকোনো টোনার বা মুখ ধোওয়ার পর ত্বক স্বাভাবিকভাবেই শুষ্ক বোধ হয়। তাই যেকোনো ত্বকের জন্যই ময়েশ্চারাইজেশান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তৃতীয় ধাপে ত্বক বুঝে ব্যবহার করুন সঠিক ময়েশ্চারাইজার। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য জেল জাতীয় এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য ইমোলিয়েন্ট জাতীয় ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
দামি দামি কসমেটিক প্রোডাক্টে খরচ না করে প্রতিদিন এই তিনটি সহজ ধাপ অনুসরণ করলেই পেতে পারেন সুন্দর কোমল ত্বক।

