home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

সম্পর্কের ভাঙন ঠেকানোর ‘দশ’ দিক
০৭ অগাস্ট, ১৪
Tagged In:  in a relationship  love and relationship  
  Viewed#:   41

break-up

কথায় আছে কোনো জিনিস তৈরি করা ঠিক যতটা কঠিন, সেটা ভেঙে ফেলা ঠিক ততটাই সহজ৷ তার সবচেয়ে বড়সড় উদাহরণ, প্রেমের সম্পর্ক৷


আজকাল মানুষের প্রমে পড়তে যত না সময় লাগে, তার অনেক কম সময় লাগে একটা সম্পর্ক ভেঙে ফেলতে৷ কিন্তু, সম্পর্ক কি এতটাই ঠুনকো যে চাইলেন ভেঙে ফেলা যাবে? অনেক সময় কিছু তর্ক বা ঝগড়া কিন্তু সম্পর্কের ভাঙনের কারণ হতে পারে৷ তাই আপনি যদি ব্রেকআপ না চান, তবে কয়েকটা বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে৷ নিজের সম্পর্ককে আপনি নিজেই বাঁচিয়ে নিতে পারবেন৷

সঙ্গীকে বদল করার চেষ্টা করবেন না
প্রথম যেদিন আপনার সঙ্গীকে দেখে আপনার ভালো লেগেছিল, তাকে সেইভাবেই থাকতে দিন৷ তাকে বদলানোর চেষ্টা করবেন না৷ অন্যের সঙ্গে তুলনা করে তাকে কখনও পালটে যেতে বলবেন না৷ এতে আপনার সঙ্গী নিজের প্রতি হীনমন্যতায় ভুগতে পারে৷ আবার অনেক সময় হয়ত এমনও হতে পারে, যাতে আপনার কথায় বিরক্ত হয়ে তিনি নিজেকে পাল্টে নিলেন আর তখন তার জীবনে আর আপনার জন্য কোন জায়গাই থাকল না৷ কাউকে ভালোবাসলে তাকে তার মতো করেই ভালোবাসুন৷

সঙ্গীর সবকথা মন দিয়ে শুনুন
সঙ্গীর সবকথা যে আপনার ভালো লাগবে, তা একেবারেই নয়৷ কিন্তু, তাই বলে সঙ্গীর কথা একেবারেই এড়িয়ে যাবেন তা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়৷ সঙ্গীর সবকথা মন দিয়ে শুনুন৷ এতে তার মনের যাবতীয় অনুভূতি এবং তিনি কী ধরনের মানুষ তা অনায়াসে বুঝতে পারবেন আপনি৷ এর ফলে আপনাদের সম্পর্ক অনেক বেশি মজবুত হবে৷

দু’জনের মাঝে তৃতীয় ব্যক্তি যেন না আসে
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একটা সম্পর্ক কেবল মাত্র তৃতীয় কোন ব্যক্তির কারণেই ভেঙে যায়৷ তাই, চেষ্টা করুন আপনাদের দু’জনের সমস্যা দু’জনের মধ্যেই রাখতে আর দু’জনে মিলেই তার সমাধান করতে৷ এতে সম্পর্কের গোপনীয়তা বজায় থাকে৷ সম্পর্কে তৃতীয় ব্যক্তি আসা মানেই আপনাদের সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে সে জেনে যাবে এতে আপনাদের দু’জনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে৷

দু’জনের পরিবারই সমান গুরুত্বপূর্ণ
নিজের পরিবারকে গুরুত্ব সকলেই দেন৷ কিন্তু, একই সঙ্গে সঙ্গীর পারিবারিক দিকটাকেও কিন্তু আপনাকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে৷ সঙ্গীর পরিবারের সঙ্গে সেভাবে যুক্ত না হলেও খেয়াল রাখুন যাতে আপনার জন্য আপনার সঙ্গীর পারিবারিক জীবনে কোনো সমস্যা না হয়৷

ঝগড়া পুষে রাখবেন না
সম্পর্কে প্রেম থাকলে সেখানে ঝগড়া থাকবেই৷ কিন্তু, তাই বলে পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করেই যাবেন, তা হলে সম্পর্ক বেশিদিন টেকানো যায় না৷ একটু আধটু ঝগড়া সম্পর্কে আরও গাঢ় করে তোলে৷ কিন্তু সেই ঝগড়া অনবরত করতে থাকা বা রাগ পুষে রেখে কথা না বলা, দেখা না করা ইত্যাদির ফলে সম্পর্কে ভাঙন ধরতে বাধ্য৷

সঙ্গীকে তার মতো করে সময় কাটাতে দিন
আপনি তার সঙ্গে প্রেম করছেন বলে তার সমস্ত সময় শুধু আপনার জন্যই, এই ভাবনা একেবারেই ভুল৷ প্রেমের বাইরে আপনার যেমন একটা বন্ধুর জগত আছে তেমনই তারই বন্ধু রয়েছে সেটা আপনাকে বুঝতে হবে৷ তাই একে অপরকে স্পেস দিন৷ নিজের নিজের বন্ধুর সঙ্গেও সময় কাটান৷ সব সময় একে অপরের সঙ্গে আটকে থাকলে সম্পর্কে অস্বস্তি বাড়তে পারে৷

সঙ্গীর মেয়ে বা ছেলে বন্ধু নিয়ে অযথা প্রশ্ন নয়
আপনার সঙ্গীর ছেলে বা মেয়ে বন্ধু থাকতেই পারে৷ তাই বলে প্রেমিকের মেয়ে বন্ধু রয়েছে বলে অযথা সন্দেহ বা প্রতিক্রিয়া একেবারেই দেখাবেন না৷ নিজের মনে বিশ্বাস রাখুন আপনার সঙ্গী কেবল আপনারই৷ অন্য কেউ তার বন্ধু হওয়া মানেই তিনি আপনার থেকে দূরে সরে যাবেন তা একেবারেই নয়৷

অতীত নিয়ে অযথা প্রশ্ন করবেন না
প্রত্যেক মানুষের জীবনেই অতীত থাকতে পারে৷ এমন হতে পারে আপনার আগে হয়ত আপনার সঙ্গীর জীবনে অন্য কেউ ছিল৷ কিন্তু তাই বলে সে নিয়ে তাকে অযথা প্রশ্ন করবেন না৷ এমনকি ঝগড়া হলেও প্রথম প্রেমের কথা টেনে আনবেন না৷ এতে আপনার সঙ্গী বিরক্তও যেমন হবেন, তেমনই মনে মনে সে আপনার প্রতি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগবেন৷

সম্পর্কে স্পেস দিন
সকলেই নিজের সঙ্গীকে জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন৷ সেটা করা ভালো৷ কিন্তু তাই বলে সঙ্গী যদি অন্য কোন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন আর আপনাকে সময় দিতে না পারেন তবে সে নিয়ে অযথা ঝগড়া করবেন না৷

অনুমতি না নিয়ে ব্যক্তিগত জিনিস ধরবেন না
সঙ্গী হয়ত আপনার থেকে কিছু লুকিয়ে রাখেন না, কিন্তু তাই বলে অনুমতি না নিয়ে তার ব্যক্তিগত কোন জিনিস ধরবেন না৷ প্রত্যেকেরই নিজস্ব জগৎ আছে এবং গোপনীয়তাও রয়েছে৷ তাই অনুমতি নিয়ে তার জিনিসগুলি ধরুন একে অপরের প্রতি সম্মান বাড়বে৷

সূত্র - ওয়েবসাইট

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: শিশুর বেড়ে ওঠার প্রতি চোখ রাখুন
Previous Health Tips: দাদ থেকে মুক্তি

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')