home top banner

Health Tip

ছারপোকার জিনই তাদেরকে কীটনাশক থেকে সুরক্ষা দেয়
16 September,13
View in English
Tagged In:  Defend bugs  

ছারপোকা – এমন অস্বস্তিকর, রক্তচোষা কীট থেকে সবাই চায় রক্ষা পেতে। মানুষের ঘুমানোর জায়গাগুলোতে লুকিয়ে থাকে। সাধারনত রাতে রক্তের সন্ধানে বের হয়। এদের নিধন করা কিন্তু খুব সহজ নয়। তবে বিজ্ঞানীরা দাবী করছেন যে, এই শক্ত রক্তচোষাদের আত্মরক্ষার কৌশল তারা জেনে ফেলেছেন।

আর সেটা হল ছারপোকাদের শরীরে একধরনের জিনের উপস্থিতি। এই জিনই কীটনাশককে অকার্যকর করে দেয়। এবং এগুলো ছারপোকাদের শরীরের বাইরের আবরনে বিদ্যমান। ভিতরে ঢোকার আগেই বিষকে শরীরের বাইরে বের করে দেয়ার কাজ করে এই জিন। আবার কিছু জিন আছে যারা পেস্টিসাইডের মলিকিউলার বন্ড ভেঙ্গে দেয়, যাতে ছারপোকার শরীরে কোন ক্ষতি করতে না পারে।

চার বছর ধরে কেনটাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের পরিচালিত গবেষনায় দেখা যায় যে, বিভিন্ন ধরনের পয়জনের বিরুদ্ধে ছারপোকার শরীরে প্রায় ১৪টি জিন সক্রিয় থাকে। এরা সবচেয়ে শক্তিশালী পয়জন পাইরিথ্রয়েড এর বিরুদ্ধেও দারুন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম।

উল্লেখ্য যে এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্য মতে ছারপোকাই হল একমাত্র কীট, যাদের শরীরের বহিরাবরনে এধরনের জিনের উপস্থিতি সনাক্ত করা গেছে। এ বছরের শুরুতে ‘সায়েন্টিফিক রিপোর্ট’ জার্নাল-এ গবেষনাটি প্রকাশিত হয়।

“তারা রাতের বেলা চলে আসে। মাত্র ৫ থেকে ৮ মিনিটের মধ্যে প্রয়োজনীয় রক্ত শুষে নেয়। তারপর তারা তাদের ফাঁটলে, ম্যাট, খাটের বিভিন্ন ফাক-ফোঁকর, বালিশ কিংবা মশারীর কোনায় চলে যায়। কাজেই আপনি যখন পেস্টিসাইড কিংবা ইনসেক্টিসাইড ব্যবহার করবেন, তখন তাদের খুঁজে পাওয়াই মুশকিল হয়ে যায়” – কথাগুলি বলছিলেন ফেডলাফার, আমেরিকার একজন এন্টোমোলজিস্ট।

তাহলে যাদের বাড়িতে ছারপোকার উপদ্রব আছে তাদের করনীয় কী? হ্যাঁ, কিছু কমন সেন্স ব্যবহার করে এদের প্রতিরোধ করা সম্ভব যেমন শোবার ঘরের জিনিসপত্র গাঁদাগাঁদি করে না রেখে সাজিয়ে রাখা, প্রায়শঃই ঘরদোর, বিছানাপত্র যথাযথভাবে পরিস্কার করা, চাদর, বালিশের কভার, মশারী ইত্যাদি গরম পানিতে নিয়মিত ধৌত করা, খাটের আনাচে-কানাচে ড্রায়ার দিয়ে হিট দেয়া, ছারপোকার সম্ভাব্য লুকানোর স্থানগুলো ধংস করা ইত্যাদি।       

ওয়েবএমডি থেকে সংক্ষেপিত

সৌজন্যেঃ হেলথ প্রায়র ২১

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: World Suicide Prevention Day
Previous Health Tips: সাত রহস্য

More in Health Tip

Getting Pregnant Part - 2

Implantation Bleeding Implantation bleeding — typically defined as bleeding that occurs 10 to 14 days after conception — is normal and relatively common. Implantation bleeding is thought to happen when the fertilized egg attaches to the lining of the uterus. Implantation... See details

অনিদ্রায় একমাত্র ভরসা ঘুমের ওষুধ?

ঘুমের ওষুধের খুব একটা সুনাম নেই৷ বলা হয় এসব বিপজ্জনক ও আসক্ত করে৷ কিন্তু অনিদ্রা যাদের নিত্যসঙ্গী তাদের কাছে ঘুমের ওষুধের দিকে হাত বাড়ানো ছাড়াআর কোনো গতি থাকে না৷ আর এরকম ঘটনা ঘটছে হামেশাই৷ আনে-মারিও একজন ভুক্তভোগী৷ ১৯ বছর আগে দেখা দেয় এই যন্ত্রণা৷ আনা মারিরভাষায়, ‘‘তা ছিল ১৯টি... See details

জেনে রাখা ভালো

ঠাণ্ডা জনিত সর্দি-কাশির শুরুতে গলাব্যথা করে, গলায় খুসখুস ভাব দেখা দেয়, নাক বন্ধ হয়ে যায়, নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি ঝরতে থাকে এবং হাঁচি আসে। মাথাব্যথা, মাংসপেশিতে ব্যথা, শরীর ম্যাজ ম্যাজ করা, দুর্বল লাগা ও ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়। হালকা জ্বর ও শুকনা কাশিও হতে পারে। এটা মূলত শ্বাসতন্ত্রের ওপরের... See details

প্রশ্ন : আমার বর্তমান বয়স ২২ বছর। আমি অবিবাহিত, তবে ইতোমধ্যেই আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে কিন্তু আমি লক্ষ্য করছি যে লিঙ্গ উত্থিত হলে বাঁকা হয়ে যায়। ব্যাপারটি নিয়ে আমি খুবই চিন্তিত_ এ অবস্থায় আমি সন্তোষজনকভাবে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারব কিনা?

উত্তর : বাঁকা লিঙ্গ অনেকেরই রয়েছে। এটা খুবই সাধারণ ব্যাপার এবং এটা খুব কম ক্ষেত্রেই যৌন মিলনে সমস্যা সৃষ্টি করে। তবে খুব বেশি হলে অবশ্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া ভালো। তবে শুনে মনে হচ্ছে, এটা আপনার কোনো সমস্যা হওয়ার মতো ব্যাপার নয়। লিঙ্গের গায়ে কোষকলা থাকে যা স্পঞ্জের মতো। এগুলোর মধ্যে ফাকা জায়গা... See details

মানসিক চাপের সাথে যুদ্ধ করার জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত ৬ টি উপায়

দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ব্রেনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে দিতে পারে এবং সুস্থ চিন্তাধারা বিকাশে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। একটি সুস্থ মস্তিস্ক-সম্পন্ন জীবনধারার অংশ হিসাবে, মানসিক চাপ সুচারু এবং কার্যকর ভাবে মোকাবেলা করার প্রয়োজন রয়েছে। যখন এটা বুঝতে পারেন যে আপনি মানসিক চাপ আক্রান্ত তখন আপনি কি করতে পারেন?... See details

জেনে রাখা ভালো

বিভিন্ন কারণে সাইনোসাইটিস হতে পারে। যেমন- নাকের ইনফেকশন : নাকের মধ্যকার ঝিলি্লরই ধারবাহিকতা গড়ায় সাইনাস পর্যন্ত। আর তাই নাকে কোনো ইনফেকশন হলে তা ঝিলি্লর নিচে অবস্থিত লসিকাতন্ত্রের মাধ্যমে সাইনাসে চলে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাইনোসাইটিস ভাইরাসজনিত ইনফেকশেনর পর ব্যাকটেরিয়াজনিত ইনফেকশনের জন্য হয়ে... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')