৪। ওট

সকালে এক বাটি গরম ওটের স্যুপ আপনার হার্টের জন্য বিশেষ উপকারী। এতে আছে প্রচুর আঁশ যা আপনাকে স্লিম রাখবে, আপনার হজমে সহায়তা করবে, রক্তে কোলেস্টেরল কমাবে, দীর্ঘ সময় ধরে আপনার পেটের ক্ষুধাভাব দূর করবে বিশেষ করে শেষ রাতে উঠে খাবার ইচ্ছাটার লাগাম টেনে ধরবে।
৫। বাদাম

প্রতিদিন একমুঠ বাদাম আপনার কোলেস্টেরল কমানোর জন্য যথেষ্ট। আর সেটা যদি হয় আলমন্ড কিংবা ওয়ালনাট বা আখরোট – তবে তো কথাই নেই। যেকোন খাবারের সাথেই খেতে পারেন অথবা আলাদাভাবে। সালাদের সাথে, সকালের নাস্তার সাথে, ফ্যাট ছাড়া এক কাপ দধির সাথে। বাদাম এলডিএল কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড দুটোই কমাতে সাহায্য করে।
৬। রেড ওয়াইন

যদিও মুসলিমপ্রধান দেশগুলোসহ অনেক ধর্মের ধর্মপ্রানদের কাছে ওয়াইন নিষিদ্ধ, তবু রেড ওয়াইন এন্টি-অক্সিডেন্ট সম্মৃদ্ধ হওয়ায় এতে এইচডিএল বা ভাল কোলেস্টেরল এর মাত্রা বাড়ে। তবে অবশ্যই নিয়মিত নয়; মাঝে মাঝে।
৭। গ্রীন টী

গ্রীন টী এর উপকারীতা আসলে অজস্র। এতে আছে ক্যানসার প্রতিরোধী উপাদান থেকে ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ মাত্রা নিয়ন্ত্রনকারী উপাদান। তাই অনেকেই এটাকে মিরাকল পানীয় বলে থাকেন। গ্রীন টী এলডিএল কোলেস্টেরল কমাতে খুবই কার্যকর। গরম অথবা ঠান্ডা – দুইভাবেই এটি পান করতে পারেন।
৮। স্ট্রবেরী

স্ট্রবেরী সরাসরি খাওয়ার পাশাপাশি দধি, নাস্তার খাদ্যশস্যের সাথে খাওয়া যায়। এমনকি সালাদেও। স্ট্রবেরীতে আছে প্রচুর পরিমানে দ্রবনীয় আঁশ-পেকটিন। যা এলডিএল কোলেস্টেরলকে কমাতে দারুনভাবে কার্যকর।
৯। এ্যাভোক্যাডো

হৃদযন্ত্রের সু-স্বাস্থ্য রক্ষায় এ্যাভোক্যাডো গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। এতেও অলিভ অয়েলের মত মনো-স্যাচ্যুরেটেড ফ্যাট থাকে যা এলডিএল কোলেস্টেরল কমায়। সালাদে ক্রীমের পরিবর্তে অথবা পনিরের বিকল্প হিসাবে ক্রীম এর মত এ্যাভোক্যাডো ব্যবহার করতে পারেন।
১০। সয়া/সয়াবীন

যারা শাকাহারী বা ভেজিটারিয়ান, তাদের জন্য আমীষের অন্যতম প্রধান উৎস সয়া বা সয়াবীন। মাছের মত এতেও আছে স্যাচ্যুরেটেড ফ্যাট এবং আছে কোলেস্টেরল (যা অবশ্যই ভাল)। এটি সম্পূর্নরুপে এলডিএল কোলেস্টেরলমুক্ত। কিন্তু এইচডিএল কোলেস্টেরল বাড়ায়।

