home top banner

Health Tip

শিশুকে “শক্ত খাবার” খাওয়ানোর সময়
25 August,13
  Viewed#:   350

জন্মের থেকে ৬ মাস পর্যন্ত শিশুরা মায়ের দুধ অথবা গুঁড়া দুধের উপর নির্ভরশীল থাকে। ৬ মাসের পর থেকে শিশুদের দুধের পাশাপাশি সঠিক পুষ্টির জন্য অন্যান্য খাবারও প্রদান করতে হবে। নিম্নে শিশুকে শক্ত খাবার খাওয়ানোর জন্য কিছু টিপস উল্লেখ করা হল -

-শিশুকে মধু খাওয়াবেন না। মধু তে “Clostridium botulinum” নামক ব্যক্টেরিয়া থাকতে পারে। শিশুর অন্ত্র এই ব্যক্টেরিয়ার বৃদ্ধি  প্রতিহত করতে পারে না। তাই মধু খাওয়ার ফলে অনেক সময় অনেক শিশুর শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে।

-পিনাট বাটারও শিশুর জন্য কোন ভাল খাবার নয়। পিনাট বাটা শিশুর গিলতে কষ্ট হতে পারে।

-পিনাট বাটারের সাথে সাথে আরও কিছু স্ন্যাক্স জাতীয় খাবার আছে যা শিশুর খাদ্য তালিকায় পরিহার করা উচিত। যেমন – চিজ  ক্র্যাকার, মার্সমেলো এবং জেলি ক্যান্ডি।

-শিশুকে যেই খাবারই খাওয়ান না কেন খেয়াল রাখুন যেন খাবারের দানা একটি ছোলার দানা থেকে বড় না হয়। আকারে বড় হলে  খাবার কেটে ছোট ছোট পিস করে খাওয়াতে হবে।

-শিশুর জন্য সেরিয়াল খুবই উত্তম খাবার। এতে খুব অল্প পরিমাণে চিনি থাকে। শিশু খুব সহজেই সেরিয়াল গিলতে পারে।

-শিশুকে রুটি অথবা পাউরুটি ও খাওয়াতে পারেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে অবশ্যই রুটিকে কেটে ছোট ছোট পিস করে খাওয়াতে হবে। তবে রুটি বা পাউরুটি বানানোর সাথে সাথে খাওয়ানো উচিৎ নয়। এতে  শিশুর মুখের ভেতরে উপরের তালুতে রুটি আটকে যেতে পারে।

-শিশুকে যে ফলই খাওয়ান না কেন ফল যেন অবশ্যই পাকা এবং ছোট ছোট পিস করে খাওয়ান হয়। কলা, নাশপাতি বা বিচি ছাড়ানো তরমুজ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি।

-সবজি খাওয়ানোর আগে সব্জিকে অবশ্যই ভাল করে রান্না করে নরম করে নিতে হবে। শিশুর জন্য সবজি রান্নার সময় সবজিকে ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। এতে শিশুকে খাওয়ানোর সময় সবজিকে  সহজেই হাত দিয়ে চটকে নরম করে খাওয়ানো যাবে।

-সব্জির মত একই পদ্ধতিতে মাংস এবং ডিমখাওয়ানো যাবে।  

 কিছু সতর্কতা

-শিশুর খাবার রাঁধার আগে এবং শিশুকে খাওয়ানোর আগে অবশ্যই হাত সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

-পচে যেতে পারে এমন খাবার ফ্রিজে ২ ঘন্টার বেশি রাখা উচিত নয়।

-বাইরে গেলে শিশুর খাবার এবং পানি তাপ নিরোধক অথবা ইন্সুলেটেড কন্টেইনারে করে নিয়ে যান।

-শিশুর খাবার ব্লেন্ড করার পূর্বে অবশ্যই ব্লেন্ডার বা ফুড প্রসেসর পরিষ্কার করে নিতে হবে।

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: টিনএজারদের ব্রণ সমস্যা
Previous Health Tips: 10 Foods to Help Lower Cholesterol Part-2

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')