
প্রায় প্রত্যেকেই কখনো না কখনো মাথাব্যাথায় ভোগেন। আর কিছু লোকের ক্ষেত্রে এটা প্রতিদিন কিংবা প্রায় প্রতিদিনই হয়ে থাকে। এ সমস্যাটাকে আমরা জানি ‘প্রতিদিনকার অবিরাম মাথাব্যাথা’ হিসাবে। এধরনের মাথাব্যাথায় ভোগেন এমন লোকের সংখ্যা পুরুষের তুলনায় মহিলা প্রায় দ্বিগুন।
এটি একটি দীর্ঘক্ষন ধরে চলতে থাকা বা একটানা মাথাব্যাথা - যা দৈনিক বা প্রায় প্রতিদিনই হয়। সপ্তাহের কমপক্ষে পাঁচদিন দেখা দিতে পারে। আর এই প্রায় সপ্তাহব্যাপি মাথাব্যাথা বছরে একবার বা একাধিকবার হতে পারে। যাদের মাইগ্রেন আছে, টেনশন বেশি করেন বা অন্য কোন প্রকারের মাথাব্যাথা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এধরনের অসহনীয় টানা মাথাব্যাথা হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। অনেকসময় কোন পূর্বলক্ষণ বা সতর্কতা ছাড়াই শুরু হয় তীব্র মাথাব্যাথা।
তবে যেভাবেই যখনই শুরু হোক না কেন এই দুষ্ট মাথাব্যাথার চিকিৎসা কিন্তু বেশ কঠিন। শুধু তা-ই নয় এটি দুশ্চিন্তা আর হতাশা বাড়িয়ে দেয়।
ü এ ধরনের ক্রোনিক ডেইলি হেডেক থেকে মুক্তি বা আরাম পেতে ব্যাথানাশক ঔষধের উপর নির্ভরশীল না হয়ে কিছু কিছু থেরাপি দিয়ে শুরু করা যেতে পারে। যেমন ঘাড় ও কাঁধে হিটিং প্যাড ব্যবহার করা।
ü ভাল হয় একজন দক্ষ থেরাপিস্ট এর সহায়তা নেয়া। ম্যাসাজ, আল্ট্রা সাউন্ড, জেন্টল স্ট্রেচিং ইত্যাদি মাংসপেশির টান-খিঁচুনি কমিয়ে মাথাব্যাথার উপশম করে।
ü কারো কারো জন্য প্রিভেন্টিভ মেডিকেশন ভাল কাজ করে। যার মধ্যে আছে মাসল রিলাক্সেন্ট।
ü কম্বাইন ড্রাগ হিসাবে ট্রাই-সাইক্লিক এন্টি-ডিপ্রেস্যান্ট সাথে বিটা ব্লকার ব্যবহার করা যেতে পারে।
ü যদি মাথাব্যাথা তীব্র আর অসহনীয় হয় সেক্ষেত্রে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে অন্য কোন মেডিকেশন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সেই সাথে প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

