home top banner

Health Tip

ব্রণ, মেছতা বা কালো দাগ দূর করার কার্যকর ২১ উপায় (পর্ব – ৪)
20 June,13
View in English

ব্রণ দুরীকরনে ফিনিশড প্রোডাক্ট বা ড্রাগ স্টোর প্রোডাক্ট

১৮। চা-গাছের তেল (টী ট্রি অয়েল)

পিম্পল নিরাময়ে এবং প্রতিরোধে ‘টী ট্রি অয়েল’ অনন্য। সুগন্ধযুক্ত অতি প্রয়োজনীয় তেল পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়ান ‘Melaleuca alternifolia’  নামক চা গাছের পাতার নির্যাস থেকে। এতে আছে পচনরোধী বা এন্টিসেপটিক, এন্টিব্যাকটেরিয়াল, কসমেটিকস এবং এন্টিফাঙ্গাল উপাদান। এসব কারনে এটি ব্রণ-মেছতা প্রতিরোধে খুবই কার্যকর। মনে রাখবেন ‘টী ট্রি অয়েল’ শুধুমাত্র বাহ্যিক ব্যবহারের জন্য, খাওয়ার জন্য নয়। গিলে খেলে এর পরিনতি ভীষন খারাপ হতে পারে। 

‘টী ট্রি অয়েল’ সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন অথবা অল্প পানিতে মিশিয়ে সারা মুখমন্ডলে মাখাতে পারেন।

১৯। এরোমা ম্যাজিক ফেয়ারী অয়েল

প্রোডাক্ট গুনাগুনঃ এটি গোটা ওঠা কমাতে সাহায্য করে, প্রদাহ সারায়, কালো কালো গুটি ওঠা বন্ধ করে। এর প্রাকৃতিক এন্টিব্যাকটেরিয়াল ও এন্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান বাহ্যিক সংক্রমণ রোধ করে যা কি না ব্রণ ওঠার জন্য দায়ী। 

ব্যবহারবিধিঃ

ভালো করে মুখমন্ডল ধুয়ে ফেলুন। পানিতে কিংবা গোলাপ জলে পরিস্কার তুলা ভিজিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা এরোমা ম্যাজিক ফেয়ারী অয়েল ঢেলে দিন। এখন এই ভেজা তুলা দিয়ে সারা মুখে আলতোভাবে ভাল করে মাখুন। পরিস্কার নেকরা দিয়ে মুছে নিন। এরপর আবার একই নিয়মে তুলা ভিজিয়ে ১-২ ফোঁটা এরোমা ম্যাজিক ফেয়ারী অয়েল লাগিয়ে পিম্পল, একনি আক্রান্ত স্থানে আলতোকরে ১-২ সেকেন্ড ধরে লাগান।

২০। সিটাফিল অয়েলি স্কিন ক্লিনজার

 

তৈলাক্ত, দাগযুক্ত ত্বক পরিস্কার করার জন্য সিটাফিল অয়েলি স্কিন ক্লিনজার বেশ কার্যকর। এর মৃদু ফেনাযুক্ত ক্রিয়া ত্বকের তেল, ময়লা, ধুলা, মৃত কোষ আর মেইক আপের ফলে শুকিয়ে যাওয়া চামড়া ইত্যাদি দূর করে। এটি এমন উপাদানে তৈরী যা ত্বকের কোন ক্ষতি না করে ত্বকে জমা তেল দূর করে দেয়। এটি ত্বককে আর্দ্র রাখে। সিটাফিল অয়েলি স্কিন ক্লিনজার ত্বকের ছিদ্রপথ বন্ধ করে না।

২১। নিউট্রিজেনা অয়েল ফ্রি একনি ফেইস ওয়াস

নিউট্রিজেনা অয়েল ফ্রি একনি ফেইস ওয়াস এর অয়েল-ফ্রি ফরমূলা ত্বকের ছিদ্রপথের গভীরে প্রবেশ করে পরিস্কার করে। স্যালিসাইলিক এসিড সম্মৃদ্ধ এই অয়েল ফ্রি একনি ফেইস ওয়াস নিখুঁতভাবে ব্রণের গোঁড়া থেকে তুলে আনে এবং পরবর্তিতে পূনঃসংক্রমন রোধ করে এবং দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, ত্বককে রাখে অতিরিক্ত শুষ্কতা ও চুলকানি মুক্ত।

মনে রাখবেন, কোন একটি প্রোডাক্ট যথানিয়মে আর ধৈর্য সহকারে ব্যবহার না করলে সহজে আপনি পিম্পল মুক্ত হতে পারবেন না। কাজেই আপনার ধৈর্য আর নিবিড় যত্নই পারে আপনার ত্বকের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে।

এতকিছুর পরেও যদি ব্রণ-মেছতা থেকেই যায় বা দূর না হয়, তাহলে একজন ত্বক বিশেষজ্ঞের স্মরনাপন্ন হোন। সেই সাথে একজন জেনারেল ফিজিশিয়ানের সাহায্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানুন যে আপনার হরমোনজনিত কোন কারন আছে কি না।

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: Why We Sneeze — 10 Facts About Sneezing
Previous Health Tips: ঝটপট চুলের যত্ন

More in Health Tip

চোখের ছানি রুখতে সবজি

যারা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই, সি ও বিটা ক্যারোটিন এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান তাদের মধ্যে বার্দ্ধক্যজনিত ছানি ও ম্যাকুলার ক্ষয়জনিত অন্ধত্বের প্রকোপ অনেকটাই কম, এমনটাই জানিয়েছেন গবেষকেরা৷ প্রায় এক দশক আগে বয়স্ক ব্যাক্তিদের চোখের সমস্যা নিয়ে পরিচালিত একটি গবেষণায় এই তথ্য ও পর্যবেক্ষণ তুলে... See details

পেটের মেদ কমানোর সহজ ও কার্যকর ৬ টি উপায়

পেটের মেদ ফিটনেসের অন্তরায়, অনেকেরই দেখা যায় শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় পেট বেশি মেদবহুল হয়। ফিটনেসের পুরো কার্যক্রমটিই তখন ভন্ডুল হয়ে যেতে পারে। আবার অনেক সময় খাদ্য নিয়ন্ত্রণে থাকার পরেও অনেকেরই পেটের মেদ নিয়ন্ত্রণে থাকে না। সেক্ষেত্রে কিছু অনুশীলন রপ্ত করে নিয়মিত চর্চা করা উচিত।... See details

প্যারাসিটামল সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য !

ব্যথা নিরাময়ের প্যারাসিটামলের মতো নিরাপদ বেদনানাশক খুব বেশি নেই বলে ওষুধটি আমাদের দেশে বহুল ব্যবহৃত। কিন্তু সতর্কতাও জরুরি। প্যারাসিটামল সম্পর্কে আমাদের জানার পরিধি আরও কিছুটা বাড়ালে সবার উপকার হবে। আসুন জেনে নিই প্যারাসিটামল সম্পর্কে কিছু জরুরী তথ্য। ১. ব্যবহারিক বিচারে বেদনানশক ওষুধ... See details

ভয় ও উদ্বিগ্নতা

ভয় এই অনুভূতিটির সঙ্গে পরিচিত নয়, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তবে মানুষের এই সাধারণ অনুভূতিটি কখনো কখনো রোগের লক্ষণ হয়ে দেখা দেয়।শিশুকাল থেকেই ভয় অনুভূতিটির সঙ্গে আমাদের পরিচিতি ঘটে। শিশুর বয়স যখন ৬-৭ মাস তখন থেকেই সে ভয় পাওয়ার অভিব্যক্তি দেখায়। স্বাভাবিক ভাবে বিকশিত হতে থাকা একটি শিশু এই সময়... See details

দুর্যোগ ও মানুষ: সাইকোলজিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট

কোনো একটি দুর্যোগের পর দ্রুত সেখানকার অবস্থা বুঝে নেওয়া এবং সেই সঙ্গে আক্রান্ত মানুষগুলোর মানসিক দিকগুলোর দিকে নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে এবং ইতোমধ্যে ঘটে যাওয়া ঘটনাটির ক্ষতিকর দিকগুলো দ্রুত চিহ্নিত করার জন্য তৎক্ষণাৎ যে বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া দরকার,... See details

মাথাব্যথা কী করি

মাথাব্যথা কার না হয়? শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই কখনো না কখনো মাথাব্যথায় ভোগেন। মাথাব্যথার ধরন বা কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হয়। এ জন্য প্রথমে প্রয়োজন রোগ নির্ণয় করা। মাথাব্যথা মূলত দুই প্রকার ক. ব্যথার উৎস মাথার ভেতর: এমন সমস্যা প্রাইমারি হেডেক নামে পরিচিত। যেমন: মাইগ্রেন, টেনশন হেডেক, ক্লাস্টার... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')