home top banner

খবর

বিশেষজ্ঞদের হুঁশিয়ারি: কক্সবাজারে লবণাক্ত পানি পান, ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ছে
০১ জুন, ১২
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   20

অতিরিক্ত পর্যটকের চাপ ও অপরিকল্পিতভাবে ভূগর্ভস্থ পানি তোলার ফলে কক্সবাজারে সুপেয় পানির তীব্র সংকট চলছে। সাগর উপকূলের হোটেল-মোটেল অঞ্চলসহ আশপাশের এলাকার নলকূপে উঠছে লবণাক্ত পানি। এ পানি পানের কারণে পর্যটকসহ স্থানীয় লোকজনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার শহরে বাংলাদেশ সামুদ্রিক মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলনকক্ষে ‘কক্সবাজারের ভূগর্ভস্থ পানিদূষণের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এই আশঙ্কা ব্যক্ত করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কানিজ ফাতিমা প্রধান অতিথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এ এস এম উবায়েদ উল্লাহ বিশেষ অতিথি ছিলেন। কর্মশালায় কক্সবাজারের পানি ও পরিবেশ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫০ জন শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মী অংশ নেন।
সভাপতির বক্তব্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক আশরাফ আলী সিদ্দিকী বলেন, পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের চাহিদা মেটানোর জন্য কোনো রকম বৈজ্ঞানিক গবেষণা ছাড়াই কক্সবাজারে নতুন নতুন বহুতল আবাসিক হোটেল নির্মাণ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে হোটেলগুলোতে গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তোলা হচ্ছে। এতে কক্সবাজার শহর ও হোটেল-মোটেল অঞ্চলসহ আশপাশের এলাকার ভূগর্ভস্থ পানির স্তরের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। লবণাক্ত পানি এসব এলাকার ভূগর্ভস্থ পানির আধারে প্রবেশ করছে। পানযোগ্য সুপেয় পানিকে দূষিত করছে। এতে ক্যানসারসহ অন্যান্য দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রধান অতিথি কানিজ ফাতিমা বলেন, বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আওতাধীন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় তিন বছর ধরে কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ভূগর্ভস্থ পানি নিয়ে একটি গবেষণা প্রকল্প চালিয়ে আসছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে কক্সবাজার শহর ও হোটেল-মোটেল অঞ্চলসহ পাশের এলাকার ভূগর্ভস্থ পানির টেকসই উন্নয়ন এবং বাস্তবায়ন নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কর্মশালায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক মো. মুখলেছুর রহমান, এস এম নুর আলম, কাজী মতিন উদ্দিন আহমদ, আবদুস সাত্তার প্রমুখ।

Source: The Daily Prothom Alo

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ও কৃমিনাশক খাওয়ানো হবে আজ
Previous Health News: মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স: অবেদনবিদ নেই এক বছর, অস্ত্রোপচার বন্ধ

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')