নতুন কর্মক্ষেত্রে সবাই একটু বেশিই সুযোগ-সুবিধা প্রত্যাশা করেন। তবে নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে এ প্রত্যাশার পার্থক্য রয়েছে। নতুন একটি সমীক্ষার ফলাফলে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
সমীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, কর্মজীবনের মধ্যে ভারসাম্য স্থাপনের বিষয়টি নারীর কাছে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তবে পেশাজীবনে উন্নতির বিষয়ে বেশি মনোযোগ পুরুষের।
মার্কিন গবেষণাপ্রতিষ্ঠান র্যান্ডস্ট্যাড ইউএস ওই সমীক্ষা চালায়। এতে ১৮ থেকে ৬৫ বছরের সাত হাজার শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও বেকারের ওপর জরিপ চালানো হয়। ফলাফলে দেখা যায়, সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৬ শতাংশ পুরুষের বিপরীতে প্রায় ৪০ শতাংশ নারী মনে করেন, কর্মক্ষেত্রের নমনীয় পরিবেশ নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। ৩৬ শতাংশ নারীর বিপরীতে ৪২ শতাংশ পুরুষ কর্মক্ষেত্রের উন্নততর সুযোগ-সুবিধার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
র্যান্ডস্ট্যাড ইউএসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লিসা ক্রফোর্ড বলেন, বিভিন্ন ধরনের মানুষকে আকৃষ্ট করার জন্য নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনসংখ্যাতত্ত্বের ভিত্তিতে কর্মক্ষেত্রে সংস্কৃতি বিনির্মাণ, অধিকতর নমনীয় কর্মপরিবেশের নীতিমালা গ্রহণ করাসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপর নজর দেওয়া উচিত।
নারী-পুরুষের কর্মক্ষেত্রের অবস্থান বাছাই করার ক্ষেত্রেও মতের ভিন্নতা লক্ষ করা গেছে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৫ শতাংশ পুরুষের বিপরীতে ৪৪ শতাংশ নারী কর্মী মনে করেন, কর্মস্থলের অবস্থানও প্রতিষ্ঠানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নেও নারী ও পুরুষের মতের ভিন্নতা রয়েছে। অংশগ্রহণকারী ২৮ শতাংশ নারীর বিপরীতে ৩৫ শতাংশ পুরুষ কর্মী মনে করেন, প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র - প্রথম আলো

